ফিন্যান্স ব্যাংকিং ও বিমা ১ম পত্র • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০২২
ফিন্যান্স ব্যাংকিং ও বিমা ১ম পত্র প্রশ্ন
মি. হাসান ও মি. সাদ দুজন ব্যবসায়ী। মি. হাসান শুধু চশমার ব্যবসায় করে। অন্যদিকে, মি. সাদ চশমার ব্যবসায়ের সাথে কাপড়ের ব্যবসায়ও করে। মি. সাদ মনে করে চশমার ব্যবসায় যদি ক্ষতি হয় তাহলে কাপড়ের ব্যবসায় থেকে তা সমন্বয় হবে। মি. হাসান অধিক মুনাফার আশায় সর্বদা নগদ অর্থ কম হাতে রেখে অধিক বিনিয়োগ করে।
- ক)(1)
সরকারি অর্থায়ন কী?
- খ)(2)
মূলধন বাজেটিং কেন করা হয়? ব্যাখ্যা কর।
- গ)(3)
মি. সাদ অর্থায়নের কোন নীতি অনুসরণ করেছেন? উদ্দীপকের আলোক ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
মি. হাসানের অধিক অর্থ বিনিয়োগ তার ব্যবসায় কী প্রভাব ফেলতে পারে? বিশ্লেষণ কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সরকারের সার্বিক পরিচালনা, সামাজিক কল্যাণ ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য অর্থসংস্থান ও ব্যয়ের সুপরিকল্পিত প্রক্রিয়াকে সরকারি অর্থায়ন বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ সিদ্ধান্তের লাভজনকতা ও ঝুঁকি মূল্যায়নের জন্য মূলধন বাজেটিং করা হয়।
মূলধন বাজেটিংয়ের মাধ্যমে নতুন প্রকল্প গ্রহণ, যন্ত্রপাতি বা স্থায়ী সম্পত্তি ক্রয়, ব্যবসা সম্প্রসারণ ইত্যাদির ভবিষ্যৎ নগদ প্রবাহ প্রাক্কলন করে লাভজনক বিকল্পটি নির্বাচন করা সম্ভব হয়। এতে তহবিলের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হয় এবং দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক ক্ষতি এড়ানো যায়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
মি. সাদ অর্থায়নের 'ঝুঁকি বণ্টন নীতি' বা 'বৈচিত্র্যায়নের নীতি' (Principle of Diversification) অনুসরণ করেছেন।
অর্থায়নের বৈচিত্র্যায়ন নীতি অনুযায়ী, সমস্ত মূলধন একটিমাত্র ব্যবসায় বা সম্পদে বিনিয়োগ না করে একাধিক ভিন্ন ধরনের লাভজনক ব্যবসায় বা সম্পদে বণ্টন করে বিনিয়োগ করা উচিত। এর ফলে একটি ব্যবসায়ে ক্ষতি হলেও অন্য ব্যবসায়ের মুনাফা দ্বারা তা পুষিয়ে নিয়ে সামগ্রিক ব্যবসায়িক ঝুঁকি হ্রাস করা যায়।
উদ্দীপকে মি. সাদ শুধু চশমার ব্যবসায় সীমাবদ্ধ না থেকে একই সাথে কাপড়ের ব্যবসায়ও করেন। তিনি মনে করেন চশমার ব্যবসায় ক্ষতি হলে কাপড়ের ব্যবসার মুনাফা দ্বারা তা সমন্বয় করা সম্ভব হবে। অর্থাৎ তিনি তাঁর মূলধন বিভিন্ন ব্যবসায় বিনিয়োগ করে ঝুঁকি কমিয়েছেন, যা ঝুঁকি বণ্টন বা বৈচিত্র্যায়ন নীতির যথাযথ প্রতিফলন।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
মি. হাসানের অধিক অর্থ বিনিয়োগ ও কম নগদ অর্থ হাতে রাখার ফলে তাঁর প্রতিষ্ঠানে 'তারল্য সংকট' দেখা দিতে পারে এবং ব্যবসায় দেউলিয়াত্বের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেতে পারে।
অর্থায়নের তারল্য বনাম মুনাফা নীতি অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানে অধিক মুনাফা অর্জন এবং দৈনন্দিন দেনা পরিশোধের সামর্থ্যের (তারল্য) মধ্যে একটি ভারসাম্য বজায় রাখতে হয়। নগদ অর্থ কম রেখে পুরোটাই বিনিয়োগ করলে মুনাফার সম্ভাবনা বাড়ে, কিন্তু দৈনন্দিন পরিচালন ব্যয় বা তাৎক্ষণিক দায় মেটানোর জন্য পর্যাপ্ত তরল অর্থ থাকে না, যা তারল্য ঘাটতি তৈরি করে।
উদ্দীপকে মি. হাসান অধিক মুনাফার আশায় সর্বদা নগদ অর্থ কম হাতে রেখে অধিক অর্থ বিনিয়োগ করেন। এর ফলে তাৎক্ষণিক কোনো পাওনাদারের দাবি মেটানো, কর্মচারীদের বেতন বা অনাকাঙ্ক্ষিত খরচ মেটানো সম্ভব নাও হতে পারে। ফলে ব্যবসায়ের ঋণমান বা সুনাম ক্ষুণ্ন হতে পারে এবং চরম পর্যায়ে প্রতিষ্ঠানটি দেউলিয়া হয়ে বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তাই তাঁর এ ধরনের সিদ্ধান্ত ব্যবসায়ের স্থিতিশীলতা ও নিরবচ্ছিন্ন পরিচালনার জন্য মারাত্মক ঝুঁকির সৃষ্টি করতে পারে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও