‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২৫

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

সুজন ও লিমন দুই বন্ধু। উভয়েই নীতিবিরোধী কাজে লিপ্ত। সুজন ক্রেতার নিকট পণ্যের স্বাদ বৃদ্ধি ও পণ্যকে লোভনীয় করার জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে। অপরদিকে, লিমন স্বল্প বেতনের চাকরি করলেও অদৃশ্য উপায়ে অল্প সময়ের মধ্যে অঢেল সম্পদের মালিক হয়ে যায়। বিষয়টি একটি প্রতিষ্ঠানের নজরে আসে। প্রতিষ্ঠানটি তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

  1. ক)

    সর্বভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস কখন গঠিত হয়?

    (1)
  2. খ)

    যুক্তফ্রন্ট কেন গঠিত হয়েছিল?

    (2)
  3. গ)

    সুজনের কর্মকাণ্ডে তোমার পঠিত কোন নাগরিক সমস্যার ইঙ্গিত রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    লিমনের কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে প্রতিষ্ঠানটির ভূমিকা কীরূপ হওয়া উচিত বলে তুমি মনে কর? বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ১৮৮৫ সালের ডিসেম্বরে সর্বভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস গঠিত হয়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ১৯৫৪ সালের পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক নির্বাচনে ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগের দুঃশাসন, স্বৈরাচারী মনোভাব ও শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দিতা করে বাঙালি জাতির স্বায়ত্তশাসন ও রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সমন্বয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়েছিল। শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে মুসলিম লীগকে রাজনৈতিকভাবে পরাজিত করাই ছিল এর প্রধান লক্ষ্য।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সুজনের কর্মকাণ্ডে আমাদের পঠিত 'খাদ্যে ভেজাল' নামক নাগরিক সমস্যার ইঙ্গিত রয়েছে।

    পণ্যের অতিরিক্ত মুনাফা অর্জন বা দীর্ঘস্থায়ী ও লোভনীয় দেখানোর জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক, কৃত্রিম উপাদান ও মানবদেহের জন্য অনিরাপদ দ্রব্যের ব্যবহারকে খাদ্যে ভেজাল বলা হয়। এটি জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি।

    উদ্দীপকে দেখা যায়, সুজন ক্রেতার নিকট পণ্যের স্বাদ বৃদ্ধি ও লোভনীয় করার জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে। অনৈতিক মুনাফার লোভে সাধারণ মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্যের ঝুঁকি বাড়িয়ে সুজন খাদ্যদ্রব্যে ক্ষতিকর পদার্থ মেশাচ্ছে, যা নাগরিক জীবনের একটি প্রকট সমস্যা 'খাদ্যে ভেজাল'-কে স্পষ্টভাবে নির্দেশ করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে লিমনের অদৃশ্য উপায়ে অল্প সময়ে অঢেল সম্পদের মালিক হওয়া 'দুর্নীতি' ও 'অবৈধ সম্পদ অর্জন'-এর শামিল। এ ধরনের কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানটির (যেমন- দুর্নীতি দমন কমিশন) ভূমিকা অত্যন্ত কঠোর, নিরপেক্ষ ও কার্যকর হওয়া উচিত।

    এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটির ভূমিকা নিম্নরূপ হওয়া উচিত:
    ১. নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্ত: লিমনের আয়ের উৎস এবং অর্জিত সম্পদের সঠিক হিসাব নির্ণয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত টিম গঠন করা এবং প্রমাণাদি দ্রুত সংগ্রহ করা।
    ২. আইনি পদক্ষেপ ও সম্পদ ক্রোক: অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে বাজেয়াপ্ত করার পদক্ষেপ গ্রহণ এবং আইন অনুযায়ী দ্রুততম সময়ে আদালতে মামলা দায়ের করা।
    ৩. দৃশ্যমান শাস্তি নিশ্চিতকরণ: অপরাধ প্রমাণ সাপেক্ষে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা যাতে সমাজে অন্যদের মাঝে ভীতি ও সচেতনতা তৈরি হয়।
    ৪. প্রাতিষ্ঠানিক নজরদারি বৃদ্ধি: সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের বার্ষিক সম্পদ বিবরণী দাখিল নিশ্চিত করা এবং তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ে নিয়মিত তদারকি বজায় রাখা।

    সুতরাং, লিমনের মতো ব্যক্তিদের দুর্নীতি প্রতিরোধে প্রতিষ্ঠানটিকে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আইনের কঠোর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার মাধ্যমে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন