উৎপাদন ব্যাবস্থাপনা ও বিপণন ১ম পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০১৯

উৎপাদন ব্যাবস্থাপনা ও বিপণন ১ম পত্র প্রশ্ন

'X'- দেশে ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে জাতীয় আয়ের পরিমাণ ছিল ২,০০,০০০ কোটি টাকা এবং দেশের মোট জনসংখ্যা ৪০ কোটি। উত্ত বছরে মোট ভোগ ব্যয় ১০,০০০ কোটি টাকা, মোট বিনিয়োগ ব্যয় ৪,০০০ কোটি টাকা এবং সরকারি ব্যয় ৪,০০০ কোটি টাকা। পক্ষান্তরে, 'Y'- দেশের অন্যান্য অবস্থা 'X' দেশের মতো হলেও জনসংখ্যা কম হওয়ার কারণে তাদের মাথাপিছু আয় ১০,০০০ টাকায় উন্নীত হয়।

  1. ক)

    হস্তান্তর পাওনা কী?

    (1)
  2. খ)

    ব্যয়যোগ্য আয় কীভাবে নির্ণয় করা হয়? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের আলোকে ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে জন্য 'X'-দেশের মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) নির্ণয় করো।

    (3)
  4. ঘ)

    মাথাপিছু আয়ের ভিত্তিতে 'X'-দেশের সাথে 'Y'-দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কোনো প্রকার উৎপাদনমূলক কাজে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ অবদান না রেখে সরকার বা অন্য কোনো উৎস থেকে যে অর্থ বা আয় পাওয়া যায়, তাকে হস্তান্তর পাওনা বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ব্যক্তি বা পরিবারের মোট ব্যক্তিগত আয় থেকে প্রত্যক্ষ কর এবং অন্যান্য বাধ্যতামূলক সরকারি পাওনা বা ফি বাদ দেওয়ার পর যে অর্থ ভোগ ও সঞ্চয়ের জন্য অবশিষ্ট থাকে, তাকে ব্যয়যোগ্য আয় (Disposable Income) বলে।

    গাণিতিকভাবে:
    ব্যয়যোগ্য আয় (DI) = ব্যক্তিগত আয় (PI) - ব্যক্তিগত প্রত্যক্ষ কর (Td)
    অর্থাৎ, ব্যক্তি তার উপার্জিত আয়ের যে অংশ নিজের ইচ্ছানুযায়ী ব্যয় বা সঞ্চয় করতে পারে, তাই ব্যয়যোগ্য আয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ব্যয় পদ্ধতিতে মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) নির্ণয়ের সূত্র হলো:
    GDP = C + I + G + (X - M)
    যেহেতু উদ্দীপকে উন্মুক্ত অর্থনীতির উপাদান অর্থাৎ নিট রপ্তানি (X - M)-এর কোনো তথ্য দেওয়া নেই, সেহেতু রুদ্ধদ্বার অর্থনীতির কাঠামোর আলোকে GDP নির্ণয় করা হলো:
    GDP = C + I + G

    উদ্দীপক অনুযায়ী:
    মোট ভোগ ব্যয় (C) = ১০,০০০ কোটি টাকা
    মোট বিনিয়োগ ব্যয় (I) = ৪,০০০ কোটি টাকা
    সরকারি ব্যয় (G) = ৪,০০০ কোটি টাকা

    অতএব, 'X'-দেশের GDP = ১০,০০০ + ৪,০০০ + ৪,০০০ = ১৮,০০০ কোটি টাকা।

    সুতরাং, ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে 'X'-দেশের মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) ছিল ১৮,০০০ কোটি টাকা।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    মাথাপিছু আয়ের ভিত্তিতে 'X' দেশের তুলনায় 'Y' দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা অধিক উন্নত ও সন্তোষজনক।

    মাথাপিছু আয় নির্ণয়ের সূত্র হলো:
    মাথাপিছু আয় = মোট জাতীয় আয় / মোট জনসংখ্যা

    'X'-দেশের ক্ষেত্রে:
    মোট জাতীয় আয় = ২,০০,০০০ কোটি টাকা
    মোট জনসংখ্যা = ৪০ কোটি
    অতএব, 'X'-দেশের মাথাপিছু আয় = ২,০০,০০০ কোটি টাকা / ৪০ কোটি = ৫,০০০ টাকা।

    পক্ষান্তরে উদ্দীপক অনুযায়ী, 'Y' দেশের জাতীয় আয় 'X' দেশের সমান (২,০০,০০০ কোটি টাকা) হলেও জনসংখ্যা কম হওয়ার কারণে তাদের মাথাপিছু আয় ১০,০০০ টাকায় উন্নীত হয়েছে। অর্থাৎ 'Y' দেশের মাথাপিছু আয় 'X' দেশের মাথাপিছু আয়ের দ্বিগুণ।

    মাথাপিছু আয় হলো একটি দেশের জনগণের জীবনযাত্রার মান ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির অন্যতম প্রধান নির্দেশক। উচ্চ মাথাপিছু আয় জনগণের অধিক ক্রয়ক্ষমতা, উন্নত জীবনমান, সঞ্চয় ও মূলধন গঠনের সুযোগ নির্দেশ করে। যেহেতু 'Y' দেশের মাথাপিছু আয় 'X' দেশের দ্বিগুণ, তাই বলা যায় 'Y' দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ও জীবনযাত্রার মান 'X' দেশের তুলনায় অনেক বেশি সমৃদ্ধ ও ভালো।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন