পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২৫
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন
জনাব আমিরুল ইসলাম একটি সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত আছেন। তার প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে জনগণের প্রতিনিধি বাছাই করে। এ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনে সাংবিধানিকভাবে দায়বদ্ধ। উপযুক্ত জনপ্রতিনিধি বাছাইয়ের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটির ভূমিকা অপরিসীম।
- ক)(1)
অপারেশন সার্চলাইট কী?
- খ)(2)
মৌলিক গণতন্ত্র বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকে উল্লেখিত জনাব আমিরুল ইসলামের কর্মরত প্রতিষ্ঠানের সাথে তোমার পঠিত কোন প্রতিষ্ঠানের মিল আছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় প্রতিষ্ঠানটি কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে? বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র ও নিরীহ বাঙালিদের ওপর যে বর্বরোচিত ও নৃশংস গণহত্যা চালিয়েছিল, তার সামরিক সাংকেতিক নাম ছিল 'অপারেশন সার্চলাইট'।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
মৌলিক গণতন্ত্র হলো পাকিস্তানের তৎকালীন সামরিক শাসক ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খান কর্তৃক ১৯৫৯ সালে প্রবর্তিত একটি সীমিত ও পরোক্ষ নির্বাচকমণ্ডলীভিত্তিক শাসনব্যবস্থা। এ ব্যবস্থার আওতায় পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তান থেকে ৪০,০০০ করে মোট ৮০,০০০ জন স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি (মৌলিক গণতন্ত্রী) নির্বাচিত হতেন, যারা পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি এবং জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যদের নির্বাচিত করার বিশেষ ভোটাধিকার পেতেন।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লেখিত জনাব আমিরুল ইসলামের কর্মরত প্রতিষ্ঠানের সাথে আমার পঠিত 'বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন' (Election Commission of Bangladesh)-এর মিল রয়েছে।
সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। উদ্দীপকে বলা হয়েছে জনাব আমিরুল ইসলাম যে প্রতিষ্ঠানে আছেন, তা স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের নির্বাচন পরিচালনা করে জনপ্রতিনিধি বাছাইয়ের দায়িত্ব পালন করে এবং এটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনে সাংবিধানিকভাবে দায়বদ্ধ। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৮-১২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন জাতীয় সংসদ নির্বাচন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এবং স্থানীয় সরকারের সকল স্তরের নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করে থাকে। সুতরাং, উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটি মূলত বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় এবং তা সুসংহত করতে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে। নিচে পদক্ষেপগুলো বিশ্লেষণ করা হলো:
১. নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন পরিচালনা: একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করা নির্বাচন কমিশনের প্রধান দায়িত্ব, যা জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করে গণতন্ত্রের ভিত মজবুত করে।
২. সঠিক ও হালনাগাদ ভোটার তালিকা প্রণয়ন: ছবিসহ নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরি ও নিয়মিত হালনাগাদ করা, যাতে কোনো যোগ্য নাগরিক ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত না হন।
৩. নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন: রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের জন্য প্রণীত আচরণবিধি কঠোরভাবে প্রয়োগ করা এবং এর ব্যত্যয় ঘটলে নিরপেক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
৪. লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বা সমসুযোগ সৃষ্টি: সরকারি দল ও বিরোধী দল নির্বিশেষে সকল প্রার্থীর জন্য প্রচার-প্রচারণায় সমান সুযোগ নিশ্চিত করা।
৫. আধুনিক প্রযুক্তির স্বচ্ছ ব্যবহার ও ভোটার সচেতনতা: স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স বা নির্ভরযোগ্য প্রযুক্তি ব্যবহার এবং সাধারণ মানুষকে ভোটদানে উদ্বুদ্ধ করতে ব্যাপক সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা।
পরিশেষে, নির্বাচন কমিশন যদি তার সাংবিধানিক স্বাধীনতা বজায় রেখে সাহসিকতা ও নিরপেক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করে, তবে তা দেশের সামগ্রিক গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থাকে সুদৃঢ় ও কার্যকর করতে পারে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও