ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০১৭

ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র প্রশ্ন

কক্সবাজার বাংলাদেশের অন্যতম পর্যটন নগরী। এখানে সরকারি-বেসরকারি অসংখ্য হোটেল-মোটেল রয়েছে। এখানে বেসরকারি উদ্যোগে বেশ কিছু পাঁচতারা হোটেল স্থাপিত হলেও সরকারি সংস্থার অধীনে পরিচালিত হোটেলগুলোর গ্রহণযোগ্যতা মানুষের কাছে অনেক বেশি। বর্তমানে কক্সবাজারে যাওয়ার সুযোগ সড়ক পথের বাইরে খুব সীমিত। সাধারণ পর্যটকদের কথা বিবেচনা করে একচেটিয়াভাবে পরিচালিত সরকারের গণপরিবহনের সুযোগ চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা জরুরি। এর ফলে দেশের এ পর্যটন নগরী আরও সমৃদ্ধি অর্জন করবে।

  1. ক)

    চুক্তিপত্র কী?

    (1)
  2. খ)

    কপিরাইট বলতে কী বোঝ?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে বর্ণিত সরকারি হোটেল-মোটেলগুলো কোন সংস্থার অধীন? ব্যাখ্যা করো ।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে যে গণপরিবহনের সম্প্রসারণ কক্সবাজার পর্যন্ত করার কথা বলা হয়েছে তার গুরুত্ব মূল্যায়ন করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    চুক্তির শর্তাবলি লিখিত ও প্রামাণ্য আকারে যে দলিলে লিপিবদ্ধ করা হয়, তাকে চুক্তিপত্র বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কপিরাইট হলো সাহিত্য, শিল্পকর্ম, সংগীত বা বুদ্ধিবৃত্তিক সৃষ্টির ওপর তার প্রণেতা বা স্রষ্টার একচ্ছত্র আইনি অধিকার, যা অন্য কারো অননুমোদিত ব্যবহার বা নকল রোধ করে।

    কপিরাইট আইনের মাধ্যমে কোনো লেখক, শিল্পী বা প্রস্তুতকারক তার সৃষ্টিকর্মের বাণিজ্যিক ব্যবহারের একক অধিকার লাভ করেন। এই অধিকারের ফলে মূল স্রষ্টার অনুমতি ছাড়া অন্য কেউ সেই সৃষ্টির প্রতিলিপি, রূপান্তর বা বাণিজ্যিকভাবে প্রকাশ ও বিক্রি করতে পারে না; অন্যথায় তা আইনের দৃষ্টিতে দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে বর্ণিত সরকারি হোটেল-মোটেলগুলো রাষ্ট্রীয় সংস্থা 'বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন' (Bangladesh Parjatan Corporation - BPC)-এর অধীন।

    বাংলাদেশে পর্যটন শিল্পের সার্বিক বিকাশ, দেশি-বিদেশি পর্যটকদের মানসম্মত আবাসন ও সেবা নিশ্চিতকরণ এবং পর্যটন কেন্দ্রগুলোর সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত মূল সরকারি প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন। এ সংস্থাটির অধীনে বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে সরকারি হোটেল, মোটেল, রেস্তোরাঁ ও রিসোর্ট পরিচালিত হয়।

    উদ্দীপকে উল্লেখ করা হয়েছে, পর্যটন নগরী কক্সবাজারে বেসরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি কিছু সরকারি হোটেল-মোটেল পরিচালিত হয়, যেগুলোর প্রতি সাধারণ মানুষের বিশ্বাসযোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতা অনেক বেশি। বাংলাদেশে সরকারি মালিকানাধীন ও পরিচালিত এই ধরনের পর্যটন হোটেল ও মোটেলগুলো মূলত বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়ে থাকে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে যে গণপরিবহনের সম্প্রসারণ কক্সবাজার পর্যন্ত করার কথা বলা হয়েছে, তা হলো সরকারের একচেটিয়া গণপরিবহন 'বাংলাদেশ রেলওয়ে'। কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পের টেকসই উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াত সহজ করতে এর গুরুত্ব অপরিসীম।

    বাংলাদেশে সাধারণ পর্যটক ও স্থানীয় জনগণের জন্য রেলওয়ে একটি নির্ভরযোগ্য, নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও আরামদায়ক যাতায়াত ব্যবস্থা। সড়কপথে দীর্ঘ যাত্রা, যানজট এবং উচ্চ ভাড়ার কারণে পর্যটকদের জন্য ভ্রমণ প্রায়ই কষ্টসাধ্য ও ব্যয়বহুল হয়ে ওঠে।

    কক্সবাজার পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারণের গুরুত্ব নিচে তুলে ধরা হলো:
    ১. সহজ ও আরামদায়ক যাতায়াত: সড়কপথের ক্লান্তি দূর করে সাধারণ মানুষ ও পর্যটকদের জন্য ভ্রমণ নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে।
    ২. সাশ্রয়ী খরচ: রেলভাড়া বাস বা অন্যান্য যানের তুলনায় সাশ্রয়ী হওয়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির বিপুল সংখ্যক পর্যটক কক্সবাজার ভ্রমণে উৎসাহিত হবে।
    ৩. পর্যটন শিল্পের ব্যাপক বিকাশ: কক্সবাজারে পর্যটকের সংখ্যা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে, যা স্থানীয় অর্থনীতিকে চাঙা করবে এবং কর্মসংস্থান বাড়াবে।
    ৪. পণ্য পরিবহন ও আঞ্চলিক বাণিজ্য: শুধু যাত্রী নয়, কক্সবাজারের মৎস্য ও লবণ শিল্পসহ বিভিন্ন স্থানীয় পণ্য দেশের অন্যান্য অঞ্চলে দ্রুত ও কম খরচে পরিবহন করা সম্ভব হবে।

    সুতরাং, কক্সবাজারের মতো আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন নগরীকে সমৃদ্ধ করতে এবং সাধারণ পর্যটকদের সুগম যাতায়াত নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ অত্যন্ত দূরদর্শী ও অপরিহার্য একটি পদক্ষেপ।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন