পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • মূল্যবোধ, আইন, স্বাধীনতা ও সাম্য • বিএএফ শাহীন কলেজ • বিএএফ শাহীন কলেজ টেস্ট পরীক্ষা ২০২৪
পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন
আইন : প্রথা, ধর্ম, ন্যায়বোধ, বিচারকের রায়, আইনসভা, বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা।
- ক)(1)
জন অস্টিন প্রদত্ত আইনের সংজ্ঞাটি লেখো।
- খ)(2)
"আইনের চোখে সবাই সমান"- ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকের বিষয়সমূহের গুরুত্ব বর্ণনা করো।
- ঘ)(4)
"যেখানে আইন নেই সেখানে স্বাধীনতা থাকতে পারে না"-জন লকের এই উক্তিটি উদ্দীপকের আলোকে মূল্যায়ন করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
জন অস্টিনের মতে, "আইন হলো সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের আদেশ যা রাজনৈতিকভাবে অধস্তনদের প্রতি নির্দেশিত হয় এবং যার অমান্যে শাস্তি অবধারিত।"
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
"আইনের চোখে সবাই সমান"-এর অর্থ হলো পদমর্যাদা, অর্থ-বিত্ত, ধর্ম, বর্ণ বা লিঙ্গ নির্বিশেষে রাষ্ট্রের সকল নাগরিক সমান আইনি সুরক্ষা পাবে এবং কোনো ব্যক্তি আইনের ঊর্ধ্বে নয়। একই অপরাধের জন্য ধনী-দরিদ্র সবার জন্য সমপরিমাণ দণ্ড প্রযোজ্য হবে এবং কোনো বিশেষ সুবিধাভোগী শ্রেণি থাকবে না।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে আইনের বিভিন্ন উৎসসমূহ (প্রথা, ধর্ম, ন্যায়বোধ, বিচারকের রায়, আইনসভা, বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা) নির্দেশ করা হয়েছে। সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে এগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম:
১. প্রথা ও ধর্ম: সমাজের প্রাচীন ঐতিহ্য, রীতিনীতি ও ধর্মীয় মূল্যবোধ মানুষকে অভ্যন্তরীণভাবে নিয়ন্ত্রিত করে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সাহায্য করেছে, যা পরবর্তীতে আধুনিক আইনের রূপ নিয়েছে।
২. বিচারকের রায় ও বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা: পরিবর্তিত সামাজিক পরিস্থিতিতে যখন প্রচলিত আইন অস্পষ্ট থাকে, তখন বিচারকের দূরদর্শী ব্যাখ্যা ও আইনবিদদের বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা নতুন আইন সৃষ্টি ও জটিলতা নিরসনে দিকনির্দেশনা দেয়।
৩. আইনসভা ও ন্যায়বোধ: আধুনিক যুগে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটিয়ে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করে আইনসভা। আর ন্যায়বোধ আইনকে কঠোর ও অবাস্তব রূপ থেকে বাঁচিয়ে মানবিক ও জনকল্যাণমুখী করে তোলে।অতএব, একটি সুশৃঙ্খল সমাজব্যবস্থা এবং কার্যকর আইনকাঠামো গড়ে তুলতে এসব উৎসের সম্মিলিত গুরুত্ব অনস্বীকার্য।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
জন লকের "যেখানে আইন নেই সেখানে স্বাধীনতা থাকতে পারে না" উক্তিটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং আইনের মৌলিক উদ্দেশ্যের সাথে সম্পূর্ণরূপে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
আইন মানুষের স্বাধীনতার বিরোধী নয়, বরং স্বাধীনতার প্রধান অভিভাবক ও শর্ত। যদি রাষ্ট্রে আইন না থাকত, তবে 'জোর যার মুল্লুক তার' অবস্থার সৃষ্টি হতো। তখন সবল ব্যক্তি দুর্বলের ওপর অত্যাচার চালাত এবং দুর্বলের স্বাধীনতা ধ্বংস হতো। এমন অরাজক অবস্থায় কারও স্বাধীনতাই টেকসই হতো না।
উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রথা, ধর্ম, আইনসভা ইত্যাদির মাধ্যমে তৈরি আইনসমূহ মানুষের অধিকার নির্দিষ্ট করে দেয় এবং একে অপরের অধিকার হরণ করা থেকে বিরত রাখে। আইন সীমা নির্ধারণের মাধ্যমে প্রত্যেকের অধিকারকে সুরক্ষা প্রদান করে। সুতরাং, ব্যক্তির অবাধ স্বাধীনতা ভোগ এবং সামগ্রিক মুক্তির জন্য আইনের উপস্থিতি অপরিহার্য। তাই জন লকের উক্তিটি বাস্তব সত্য ও যথাযথ।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও