পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • রাজনৈতিক দল, নেতৃত্ব ও সুশাসন • ঢাকা কলেজ • ঢাকা কলেজ টেস্ট পরীক্ষা ২০২৪
পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন
শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক ছাত্রদের পাঠ্যবইয়ের অন্তর্ভুক্ত বিষয় সম্পর্কে ধারণা দিতে গিয়ে শ্রেণিকক্ষে একটি কৃত্রিম নির্বাচন অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন। ছাত্ররা এই নির্বাচনে জালালকে শ্রেণির নেতা হিসাবে নির্বাচিত করে। শিক্ষক মহোদয় ছাত্রদের কাছে জানতে চাইলেন, কেন তারা জালালকে নির্বাচিত করেছে? ছাত্ররা জানালো, জালালের আকর্ষণীয় গুণাবলি ও দক্ষতা তাদেরকে আকৃষ্ট করেছে।
- ক)(1)
রাজনৈতিক দল কী?
- খ)(2)
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকের জালাল-এর নির্বাচিত হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে উল্লেখিত, জালালের ভূমিকা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে- তোমার পাঠ্যবইয়ের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
রাজনৈতিক দল হলো কোনো আদর্শ বা কর্মসূচির ভিত্তিতে সংগঠিত এমন এক জনগোষ্ঠী, যা নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হলো সমস্বার্থবিশিষ্ট এমন একটি সুসংগঠিত দল, যা সরাসরি নির্বাচনে অংশ নিয়ে সরকার গঠন করে না; বরং নিজেদের কাঙ্ক্ষিত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে সরকারের নীতি নির্ধারণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার ওপর পরোক্ষ চাপ প্রয়োগ করে। এদের প্রধান উদ্দেশ্য ক্ষমতা দখল নয়, বরং নিজস্ব গোষ্ঠীগত স্বার্থ সংরক্ষণ করা।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের জালাল নেতৃত্বের ইতিবাচক ও আকর্ষণীয় গুণাবলি থাকার কারণে নেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
নেতৃত্ব হলো এমন একটি প্রক্রিয়া বা প্রভাব বিস্তারের ক্ষমতা, যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি অন্যদের আচরণ ও কাজকে একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের দিকে পরিচালিত করে। একজন সফল নেতার মধ্যে বুদ্ধিমত্তা, চারিত্রিক মাধুর্য, আত্মবিশ্বাস, দূরদর্শিতা ও সাংগঠনিক দক্ষতার মতো গুণাবলি থাকা আবশ্যক।
উদ্দীপকে শিক্ষক পরিচালিত কৃত্রিম নির্বাচনে ছাত্ররা জালালকে নেতা হিসেবে বেছে নিয়েছে কারণ তার আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব, গুণাবলি ও দক্ষতা সহপাঠীদের অনুপ্রাণিত ও আকৃষ্ট করেছে। এই ব্যক্তিগত যোগ্যতা ও মোহাচ্ছন্নকারী গুণাবলিই তাকে নেতৃত্বের আসনে আসীন করেছে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য যোগ্য, দক্ষ ও দূরদর্শী নেতৃত্ব অপরিহার্য, এবং উদ্দীপকে উল্লেখিত জালালের ভূমিকা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সুশাসনের মূল স্তম্ভগুলো হলো জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা, আইনের শাসন, দায়িত্বশীলতা এবং জনগণের অংশগ্রহণ। এই বৈশিষ্ট্যগুলো নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজন একজন সৎ, ন্যায়পরায়ণ এবং আকর্ষণীয় গুণাবলিসম্পন্ন নেতা। যোগ্য নেতৃত্ব ছাড়া প্রতিষ্ঠান বা সমাজের কোনো স্তরেই সুশাসন কার্যকর হতে পারে না।
উদ্দীপকে জালাল ছাত্রদের সমর্থন ও আস্থা অর্জন করে তার দক্ষতা ও গুণাবলির মাধ্যমে নির্বাচিত হয়েছে। এমন একজন নেতা শ্রেণিকক্ষে বা বৃহত্তর সমাজে পক্ষাপাতহীনতা দূর করতে পারে, সবার অধিকার নিশ্চিত করতে পারে এবং মতামতের সঠিক প্রতিফলন ঘটাতে পারে। জালালের মতো সৎ ও দক্ষ নেতা দায়িত্বপ্রাপ্ত হলে তা দুর্নীতি প্রতিরোধ, স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং নিয়মতান্ত্রিক পরিচালনায় সক্রিয় ভূমিকা রাখবে।
অতএব, উদ্দীপকে প্রকাশিত জালালের ইতিবাচক নেতৃত্বের গুণাবলি যেকোনো সংগঠনে কিংবা রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠার মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও