ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০১৫

ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র প্রশ্ন

মশিউর আহমেদ বাংলাদেশ অ্যালুমিনিয়াম ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে তিনি কার্য পরিচালনা করেন। কর্মীদের বিভিন্ন অসুবিধার কথা তিনি শোনেন এবং সমাধানের চেষ্টা করেন। নীতি নির্ধারণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে মতামত দেওয়ার সুযোগ পেয়ে কর্মীরাও ব্যবস্থাপনার প্রতি সন্তুষ্ট। কর্মী ব্যবস্থাপনা ও পণ্যের মানের কারণে প্রতিষ্ঠানটি ISO সনদ লাভ করে কিন্তু সম্প্রতি কিছু প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানের ইন্দনে কিছু শ্রমিক উক্ত প্রতিষ্ঠানে বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করছে।

  1. ক)

    পরামর্শমূলক নির্দেশনা কী?

    (1)
  2. খ)

    নেতৃত্ব বলতে কী বুঝ?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানে কোন ধরনের নির্দেশনা বিদ্যমান? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবেলায় কোন ধরনের নেতৃত্ব অধিকতর প্রয়োগযোগ্য বলে তুমি মনে করো? যুক্তিসহ দেখাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    অধস্তনদের সাথে কোনো বিষয়ে আলোচনা ও পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত গ্রহণপূর্বক যে নির্দেশ প্রদান করা হয়, তাকে পরামর্শমূলক নির্দেশনা বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    নেতৃত্ব বলতে কোনো দল বা গোষ্ঠীর আচরণ ও কাজকে একটি নির্দিষ্ট সাধারণ লক্ষ্য অর্জনের দিকে পরিচালিত, উৎসাহিত ও প্রভাবিত করার সামর্থ্য বা কৌশলকে বোঝায়। নেতার গুণাবলি ও দক্ষতার ওপর নির্ভর করে অধস্তনদের স্বেচ্ছা-প্রণোদিত হয়ে কাজ করার মানসিকতা গড়ে ওঠে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানে 'পরামর্শমূলক নির্দেশনা' বিদ্যমান।

    যে নির্দেশনায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ বা নির্দেশ জারির পূর্বে অধস্তন কর্মীদের মতামত ও পরামর্শ গ্রহণ করেন এবং তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেন, তাকে পরামর্শমূলক নির্দেশনা বলা হয়।

    উদ্দীপকে দেখা যায়, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মশিউর আহমেদ গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে কার্য পরিচালনা করেন। তিনি কর্মীদের সমস্যা শোনেন এবং নীতি নির্ধারণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের মতামত দেওয়ার সুযোগ দেন। কর্মীদের এভাবে নীতি নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় যুক্ত করে নির্দেশ প্রদান করা স্পষ্টতই পরামর্শমূলক নির্দেশনার বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বর্তমান উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলায় 'স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্ব' বা 'কঠোর নিয়মতান্ত্রিক নেতৃত্ব' অধিকতর প্রয়োগযোগ্য বলে আমি মনে করি।

    যে নেতৃত্বে নেতা সিদ্ধান্ত গ্রহণে অধস্তনদের কোনো মতামত না নিয়ে নিজের ক্ষমতাবলে সকল সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেন এবং কড়া তদারকির মাধ্যমে শৃঙ্খলা বজায় রাখেন, তাকে স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্ব বলে। জরুরি অবস্থা বা বিশৃঙ্খলা রোধে এই নেতৃত্ব দ্রুত ফলপ্রসূ হয়।

    উদ্দীপকে দেখা যাচ্ছে, প্রতিষ্ঠানে গণতান্ত্রিক পরিবেশ থাকা সত্ত্বেও প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানের প্ররোচনায় কিছু শ্রমিক বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করছে। সাধারণ স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে গণতান্ত্রিক বা অংশগ্রহণমূলক নেতৃত্ব কার্যকর হলেও, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিশৃঙ্খলা ও ষড়যন্ত্র দমনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত নমনীয়তা প্রতিষ্ঠানের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে গণতান্ত্রিক আলোচনার সুযোগ নিয়ে বিশৃঙ্খলাকারীরা প্রতিষ্ঠানকে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে।

    তাই প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা ও উৎপাদনশীলতা রক্ষার স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া, শক্তভাবে নিয়মকানুন প্রয়োগ এবং কোনো ছাড় না দেওয়ার উদ্দেশ্যে সাময়িকভাবে স্বৈরতান্ত্রিক বা কঠোর কর্তৃত্বমূলক নেতৃত্বের প্রয়োগই সবচেয়ে বেশি কার্যকর ও যুক্তিযুক্ত।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন