গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ২য় পত্র • রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা • রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা টেস্ট পরীক্ষা ২০২৬

গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ২য় পত্র প্রশ্ন

রাহেলা বেগমের দুই মেয়ে। সে তার স্বামী, সন্তান, শ্বশুর শাশুড়িসহ একত্রে বসবাস করেন। অপরদিকে তার বান্ধবী সীমা স্বামী ও ৪ বছরের মেয়ে কন্যাকে নিয়ে সুখেই আছে। তারা ছুটির দিনে মেয়েকে নিয়ে প্রায়ই ঘুরতে যান। তারা আর একটি সন্তান নেওয়ার কথা ভাবছেন।

  1. ক)

    পরিবার কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    পরিবারকে কেন সামাজিক চিরন্তন বিদ্যালয় বলা হয়? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    রাহেলা বেগমের পরিবার কোন ধরনের? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    শিশুর সুষ্ঠু বিকাশের ক্ষেত্রে সীমার পরিবারের ভূমিকা যথার্থ কিনা বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    পরিবার হলো রক্ত, বিবাহ বা দত্তক গ্রহণের সূত্রে আবদ্ধ একদল ব্যক্তির সমন্বয়ে গঠিত একটি ক্ষুদ্র সামাজিক প্রতিষ্ঠান, যেখানে সদস্যরা একসঙ্গে বসবাস করেন।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    শিশুর জন্ম থেকে শুরু করে জীবনের প্রতিটি স্তরে আচার-আচরণ, মূল্যবোধ, নিয়মানুবর্তিতা এবং সামাজিক রীতিনীতি পরিবার থেকেই প্রথম ও স্বাভাবিকভাবে অর্জিত হয়। পরিবারের সদস্যদের স্নেহ-ভালোবাসা ও শাসনের মধ্য দিয়ে শিশুর প্রাথমিক ও মৌলিক সামাজিকীকরণ সম্পন্ন হয় বলেই পরিবারকে ‘সামাজিক চিরন্তন বিদ্যালয়’ বলা হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    রাহেলা বেগমের পরিবারটি একটি ‘যৌথ পরিবার’।

    যে পরিবারে বাবা-মা, ভাই-বোন ছাড়াও দাদা-দাদি, শ্বশুর-শাশুড়ি কিংবা অন্যান্য রক্তসম্পর্কীয় আত্মীয়রা একত্রে বসবাস করেন এবং সাধারণ একটি উনুনে রান্না করে খাওয়া-দাওয়া করেন, তাকে যৌথ পরিবার বলে।

    উদ্দীপকে দেখা যায়, রাহেলা বেগম তার স্বামী ও সন্তান ছাড়াও শ্বশুর-শাশুড়ির সাথে একই পরিবারে বসবাস করেন। এখানে একাধিক প্রজন্মের সদস্য একত্রে বসবাস করায় পরিবারের কাঠামোগত দিক থেকে এটি সুস্পষ্টভাবেই একটি যৌথ পরিবারের দৃষ্টান্ত।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    শিশুর সুষ্ঠু বিকাশের ক্ষেত্রে সীমার পরিবারের ভূমিকা যথার্থ—উক্তিটির সাথে একমত হওয়া যায়।

    সীমার পরিবারটি একটি একক বা কেন্দ্রিক পরিবার, যা স্বামী, স্ত্রী এবং তাদের একটি সন্তান নিয়ে গঠিত। সীমার পরিবারে একটি চার বছরের কন্যা রয়েছে এবং তারা ছুটির দিনে মেয়েকে নিয়ে ঘুরতে যান, যা শিশুর মানসিক ও সামাজিক বিকাশে অত্যন্ত অনুকূল।

    একক পরিবারে সন্তান বাবা-মায়ের নিবিড় স্নেহ, ভালোবাসা ও পর্যাপ্ত সময় পায়। বাবা-মায়ের সাথে ভ্রমণের ফলে শিশু নতুন পরিবেশের সাথে পরিচিত হয়, তার কৌতূহল ও পর্যবেক্ষণ শক্তি বাড়ে। এছাড়া সীমার পরিবার একটি পরিকল্পিত পরিবার এবং তারা সন্তান সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সচেতন, যার ফলে তারা কন্যার খাদ্য, বস্ত্র, চিকিৎসা ও শিক্ষার প্রয়োজনগুলো যথাযথভাবে মেটাতে সক্ষম হচ্ছে। তবে শিশুর সার্বিক সামাজিকীকরণের জন্য একক পরিবারের পাশাপাশি আত্মীয়-স্বজনের সাথে যোগাযোগ রাখাও প্রয়োজন। সামগ্রিকভাবে, সন্তানের মানসিক প্রফুল্লতা ও সুরক্ষার দিক বিবেচনায় সীমার পরিবারের ভূমিকা প্রশংসনীয় ও যথার্থ।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন