ভূগোল এবং পরিবেশ • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০২৪
ভূগোল এবং পরিবেশ প্রশ্ন
যাতায়াত ব্যবস্থা | পরিমাণ |
X | ৮৪০০ কিলোমিটার নাব্যপথ৮৪০০ কিলোমিটার নাব্যপথ |
Y | ১৮৪৩ কিলোমিটার মিটার গেজ |
- ক)(1)
বাণিজ্য কাকে বলে?
- খ)(2)
শক্ত মৃত্তিকা সড়কপথ গড়ে ওঠার জন্য উপযোগী কেন? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
ছকে 'Y' চিহ্নিত 'যাতায়াত ব্যবস্থা গড়ে ওঠার অনুকূল অবস্থা বর্ণনা করো।
- ঘ)(4)
ছকে 'X'চিহ্নিত যাতায়াত ব্যবস্থা বাংলাদেশে সুলভ পরিবহন ও যাতায়াত ব্যবস্থা হিসেবে পরিচিত। তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
মানুষের প্রয়োজন মেটানোর জন্য এক স্থান বা দেশ থেকে অন্য স্থান বা দেশে পণ্য কেনাবেচা বা আদান-প্রদানকে বাণিজ্য বলে।
- খ)
মৃত্তিকার বুনন স্থায়ী ও মজবুত হলে বৃষ্টিতে কম ক্ষয় হয়। শক্ত মৃত্তিকার উপর সড়ক নির্মাণ করলে ভারী যানবাহন চলাচলের চাপ সহ্য করতে পারে।
এতে সড়ক সহজে দেবে যায় না বা ভেঙে পড়ে না। ফলে সড়কটি স্থায়ী হয় এবং রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় কম লাগে। তাই শক্ত মৃত্তিকা সড়কপথ গড়ে ওঠার জন্য উপযোগী। - গ)
ছকে 'Y' হলো মিটারগেজ রেলপথ। রেলপথ গড়ে ওঠার অনুকূল অবস্থা নিচে বর্ণনা করা হলো।
১. সমতলভূমি: সমতলভূমিতে রেলপথ নির্মাণ সহজ ও কম ব্যয়সাপেক্ষ। বাংলাদেশের বেশিরভাগ অঞ্চল সমতল, তাই পাহাড়, বনাঞ্চল ও জলাভূমি ছাড়া প্রায় সব স্থানে রেলপথ গড়ে উঠেছে।
২. সমুদ্রের অবস্থান: সমুদ্র উপকূলে বন্দর গড়ে ওঠে এবং বন্দরকে কেন্দ্র করে রেলপথ তৈরি হয়। যেমন, চট্টগ্রাম বন্দরকে কেন্দ্র করে সমতলভূমিতে রেলপথ গড়ে উঠেছে। - ঘ)
আমি একমত যে 'X' অর্থাৎ নৌপথ বাংলাদেশের সুলভ পরিবহন ও যাতায়াত ব্যবস্থা। এর সপক্ষে যুক্তি নিচে দেওয়া হলো।
১. প্রাকৃতিক সুবিধা: অসংখ্য নদী ও খালবিলের কারণে প্রায় ৮,৪০০ কিলোমিটার অভ্যন্তরীণ নাব্য জলপথ আছে, যা প্রকৃতিই তৈরি করেছে। এজন্য নতুন পথ তৈরিতে বড় খরচ নেই।
২. কম ব্যয়: সড়ক ও রেলপথের তুলনায় নৌপথে ভারী ও বেশি পরিমাণ পণ্য কম খরচে পরিবহন করা যায়।
৩. অঞ্চলভিত্তিক উপযোগিতা: সিলেটের হাওড় এবং ফরিদপুর, ভোলা, মাদারীপুর ও বরিশালের মতো নিম্নভূমি ও নদীবহুল অঞ্চলে সড়ক বা রেলপথ গড়ে ওঠে না। সেখানে নৌপথই প্রধান ভরসা।সুতরাং, কম খরচ ও প্রাকৃতিক সহজলভ্যতার কারণে নৌপথ বাংলাদেশের সুলভ পরিবহন ব্যবস্থা।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও