বাংলা ১ম পত্র • Chattogram Board • চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৬
বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন
উদ্দীপক-১ : একাত্তরের সে রাত্রি, ভয়ঙ্কর কালো ঘন,
রক্তে ভিজে উঠেছিল পবিত্র আমার ধন।
পাক বাহিনীর জুলুমে কেঁপেছিল গ্রাম শহর
জ্বলে উঠেছিল মা-বোনের ক্রন্দন স্বর।
উদ্দীপক-২ : উদয়ের পথে শুনি কার বাণী,
“ভয় নাই ওরে ভয় নাই
নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান
ক্ষয় নাই, তার ক্ষয় নাই।”
- ক)(1)
পলকহীন চোখজোড়া দিয়ে অশ্রুর ফোয়ারা নেমেছিল কার?
- খ)(2)
“তপু না মরে আমি মরলেই ভালো হতো”—রাহাত কথাটি কেন বলেছিল?
- গ)(3)
উদ্দীপক-১ এ ‘একুশের গল্পের’ যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
“উদ্দীপক-২ এর কবি ভাবনা এবং ‘একুশের গল্প’ এর তপুরের আত্মত্যাগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রেরণা”—মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- গ)
উদ্দীপক-১-এ 'একুশের গল্প'-এর শাসকগোষ্ঠীর নির্যাতন এবং বাঙালির রক্তক্ষয়ী আত্মত্যাগের দিক ফুটে উঠেছে।
উদ্দীপকে একাত্তরের কালো রাতে পাক বাহিনীর জুলুমে গ্রাম-শহর কেঁপে ওঠা, রক্তে ভেজা মাটি এবং মা-বোনের ক্রন্দনের কথা আছে। 'একুশের গল্প'-এও অন্যায় শাসন ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে বাঙালির রক্ত ঝরানো সংগ্রাম এবং প্রিয়জন হারানোর বেদনা চিত্রিত হয়েছে। এই নির্যাতন ও আত্মত্যাগের চিত্রেই উভয়ের মিল।
- ঘ)
মন্তব্যটি যথার্থ। কবির ভাবনা ও তপুর আত্মত্যাগ উভয়ই ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে প্রেরণা জোগায়।
১. আত্মদানের অমরত্ব: উদ্দীপক-২-এ কবি বলেছেন, যে নিঃশেষে প্রাণ দান করে, তার ক্ষয় নেই। তপুর আত্মত্যাগও তাকে মানুষের স্মৃতিতে অমর করেছে।
২. নির্ভীকতা: 'ভয় নাই' বাণী মানুষকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর সাহস দেয়। তপুর ত্যাগ থেকেও নতুন প্রজন্ম অধিকার আদায়ে ভয়হীন হতে শেখে।
৩. চেতনার ধারাবাহিকতা: এই ত্যাগের কারণেই আজ আমরা স্বাধীনতা ও মাতৃভাষার অধিকার ভোগ করছি। তাই এ থেকে আমরা দেশপ্রেম ও আত্মোৎসর্গের শিক্ষা পাই।সুতরাং, কবির ভাবনা ও তপুর আত্মত্যাগ দুটিই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রেরণার উৎস।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও