বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০২৩
বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা প্রশ্ন
- ক)(1)
কার নেতৃত্বে মিশরীয় সভ্যতার গোড়াপত্তন হয়?
- খ)(2)
রোমান সভ্যতার আইন ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকে প্রদর্শিত চিত্রটি কোন সভ্যতার স্থাপত্য শিল্পের নিদর্শন? স্থাপত্য শিল্পে উক্ত সভ্যতার অবদান বর্ণনা করো।
- ঘ)(4)
উক্ত সভ্যতা স্থাপত্য ও ভাস্কর্য শিল্প ছাড়াও নগর পরিকল্পনায় বিশেষ অবদান রেখেছে- মতামত দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
মেনেসের নেতৃত্বে মিশরীয় সভ্যতার গোড়াপত্তন হয়।
- খ)
রোমান আইন ছিল রোমানদের সর্বশ্রেষ্ঠ অবদান। ৪৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে ১২টি ব্রোঞ্জ পাতে আইন খোদাই করে জনগণকে দেখানোর জন্য প্রকাশ্যে টাঙানো হয়। এই আইনের দৃষ্টিতে সব মানুষ সমান ছিল। রোমান আইন তিন ভাগে বিভক্ত—বেসামরিক আইন, জনগণের আইন ও প্রাকৃতিক আইন। সম্রাট জাস্টিনিয়ান পরে সব আইন সংকলন করেন।
- গ)
উদ্দীপকের চিত্রটি সিন্ধু সভ্যতার স্থাপত্য শিল্পের নিদর্শন, কারণ এটি মহেঞ্জোদাড়োর বিখ্যাত বৃহৎ স্নানাগার।
স্থাপত্যে সিন্ধু সভ্যতার অবদান:
১. পোড়া ইটে নির্মিত সুপরিকল্পিত বাড়িঘর ও প্রশস্ত রাস্তা।
২. মহেঞ্জোদাড়োর বৃহৎ স্নানাগার, যা সম্ভবত ধর্মীয় বা সাধারণ স্নানের কাজে ব্যবহৃত হতো।
৩. শস্য সংরক্ষণের জন্য শস্যাগার এবং নগর রক্ষার জন্য দুর্গ ও প্রাচীর।
৪. ঢাকনাযুক্ত নালা-নর্দমার ব্যবস্থা। - ঘ)
সিন্ধু সভ্যতা স্থাপত্য ও ভাস্কর্যের পাশাপাশি নগর পরিকল্পনাতেও বিশেষ অবদান রেখেছে—এই মতের সাথে আমি একমত। কারণ—
১. সুবিন্যস্ত শহর: মহেঞ্জোদাড়ো ও হরপ্পা শহরের রাস্তাগুলো সোজা ও প্রশস্ত ছিল এবং রাস্তা পরস্পরকে ছেদ করে শহরকে সুবিন্যস্ত অংশে ভাগ করত।
২. পয়ঃনিষ্কাশন: প্রতিটি বাড়ির সঙ্গে নর্দমার সংযোগ ছিল এবং ঢাকনাযুক্ত নালা দিয়ে ময়লা পানি শহরের বাইরে যেত। এটি সে যুগের জন্য অত্যন্ত উন্নত ব্যবস্থা।
৩. নিরাপত্তা ও সংরক্ষণ: দুর্গ, প্রাচীর ও শস্যাগার নগর পরিকল্পনার অংশ ছিল।
৪. পোড়া ইটের ব্যবহার: স্থায়ী ও টেকসই বাড়ি নির্মাণে তারা পোড়া ইট ব্যবহার করত।সুতরাং, নগর পরিকল্পনায় সিন্ধু সভ্যতার অবদান তাদের স্থাপত্য ও ভাস্কর্যের মতোই গুরুত্বপূর্ণ।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও