উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন ২য় পত্র • Chattogram Board • চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৬
উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন ২য় পত্র প্রশ্ন

- ক)(1)
প্রবেশযোগ্যতা কী?
- খ)(2)
“ভোক্তা বাজারে অত্যধিক প্রতিযোগিতা পরিলক্ষিত হয়।”—ব্যাখ্যা কর।
- গ)(3)
উদ্দীপকে 'C' চিহ্নিত স্থানে কোন উপাদানটি রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
“উদ্দীপকের সকল উপাদান 'K' অভিমুখী”—তুমি কি একমত? মতামতের পক্ষে যুক্তি দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বাজার বিভক্তিকরণের মাধ্যমে চিহ্নিত বাজার অংশে কার্যকরভাবে প্রবেশ ও সেবা প্রদানের মাত্রাকে প্রবেশযোগ্যতা (Accessibility) বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ভোক্তা বাজারে ক্রেতার সংখ্যা বিপুল এবং একই ধরনের পণ্য বহুসংখ্যক উৎপাদনকারী বা বিক্রেতা সরবরাহ করে থাকে।
ভোক্তা বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে কোনো বিশেষ প্রতিবন্ধকতা বা লাইসেন্সিং জটিলতা কম থাকে, ফলে সহজেই নতুন বিক্রেতারা বাজারে প্রবেশ করতে পারে। পাশাপাশি ক্রেতাদের চাহিদা ও রুচির পরিবর্তন ঘন ঘন ঘটে এবং তারা সহজেই এক ব্র্যান্ড থেকে অন্য ব্র্যান্ডে স্যুইচ করতে পারে। এসব কারণে নিজেদের পণ্য বিক্রয় ও বাজার ধরে রাখতে ব্যবসায়ীদের মধ্যে মূল্যছাড়, বিজ্ঞাপন এবং আকর্ষণীয় বিপণন কৌশল নিয়ে তীব্র ও অত্যধিক প্রতিযোগিতা তৈরি হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে 'C' চিহ্নিত স্থানে বিপণন মিশ্রণের চতুর্থ মৌলিক উপাদান 'প্রসার' (Promotion) রয়েছে।
বিপণন বিশারদ ই. জেরোম ম্যাককার্থির মতে বিপণন মিশ্রণ মূলত ৪টি 'P'-এর সমন্বয়ে গঠিত— Product (পণ্য), Price (মূল্য), Place (স্থান বা বণ্টন) এবং Promotion (প্রসার)। এটি এমন কিছু নিয়ন্ত্রনযোগ্য বিপণন হাতিয়ারের সমষ্টি, যা লক্ষ্যস্থিত বাজারের সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে।
উদ্দীপকের চিত্রে বিপণন মিশ্রণের তিনটি উপাদান যথাক্রমে 'পণ্য', 'মূল্য' এবং 'স্থান' স্পষ্টভাবে দেওয়া রয়েছে। বিপণন মিশ্রণের চারটি মৌলিক উপাদানের মধ্যে চতুর্থটি হলো 'প্রসার'। প্রসার হলো এমন একটি যোগাযোগ ব্যবস্থা যার মাধ্যমে ভোক্তাদের পণ্যের গুণাগুণ ও সুবিধা সম্পর্কে অবহিত, প্রলুব্ধ ও স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয় (যেমন- বিজ্ঞাপন, ব্যক্তিক বিক্রয়, বিক্রয় প্রসার ও জনসংযোগ)। সুতরাং, চিত্রে অনুপস্থিত 'C' চিহ্নিত উপাদানটি হলো 'প্রসার'।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
“উদ্দীপকের সকল উপাদান 'K' অভিমুখী”—উক্তিটির সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত।
উদ্দীপকের চিত্রে 'K' দ্বারা উদ্দিষ্ট ক্রেতা বা ভোক্তা (Target Customer)-কে নির্দেশ করা হয়েছে, যা বিপণন মিশ্রণের কেন্দ্রবিন্দু। আধুনিক বিপণনের মূল দর্শনই হলো ভোক্তাকেন্দ্রিকতা।
বিপণন মিশ্রণের উপাদানগুলোর কার্যকারিতা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়:
১. পণ্য (Product): ভোক্তার প্রয়োজন, অভাব এবং পছন্দ অনুসারে পণ্য বা সেবা প্রস্তুত ও নকশা করা হয়।
২. মূল্য (Price): ভোক্তার ক্রয়ক্ষমতা এবং পণ্যের অনুভূত উপযোগিতা বিবেচনা করে মূল্য নির্ধারণ করা হয়।
৩. স্থান (Place): পণ্যটি যাতে সহজেই ভোক্তার হাতের নাগালে পৌঁছাতে পারে, সেজন্য বণ্টনের ব্যবস্থা করা হয়।
৪. প্রসার (Promotion): ভোক্তাদের পণ্যের অস্তিত্ব ও গুণাবলি সম্পর্কে অবহিত করে তাদের ক্রয়ে উৎসাহিত করার জন্য প্রসারমূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।উদ্দীপকের চিত্রে তীরচিহ্নগুলো লক্ষ্য করলে দেখা যায়, বিপণন মিশ্রণের চারটি উপাদানই (পণ্য, মূল্য, স্থান এবং 'C' অর্থাৎ প্রসার) কেন্দ্রের 'K' এর দিকে নির্দেশ করছে। আধুনিক বিপণনে সকল কার্যক্রম পরিচালিত হয় ভোক্তাদের সন্তুষ্টি অর্জনের মাধ্যমে মুনাফা অর্জনের লক্ষ্যে। অতএব, বিপণন মিশ্রণের সকল উপাদানের চূড়ান্ত লক্ষ্য ও অভিমুখ হলো ভোক্তা বা 'K'।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও