বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২৬
বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা প্রশ্ন
- ক)(1)
ফারাও কী?
- খ)(2)
হায়রোগ্লিফিক কী? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উল্লিখিত চিত্র-১ কোন সভ্যতার স্থাপত্য শিল্পকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
চিত্র-২-এ উল্লিখিত ভাস্কর্যটি মিশরীয় সভ্যতার ধর্মে কী প্রভাব ছিল? বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
ফারাও হলো প্রাচীন মিশরের রাজাদের উপাধি।
- খ)
হায়ারোগ্লিফিক হলো প্রাচীন মিশরীয়দের চিত্রলিপি। 'হায়ারোগ্লিফিক' শব্দের অর্থ পবিত্র খোদাই। মিশরীয়রা ছবি ও প্রতীক এঁকে মনের ভাব প্রকাশ করত। তারা এই লিপি মন্দির ও সমাধির দেয়ালে এবং প্যাপিরাসে লিখত। এই লিপির মাধ্যমে মিশরের ইতিহাস ও ধর্মবিশ্বাস সম্পর্কে জানা যায়।
- গ)
চিত্র-১-এ কয়েকটি পিরামিডের ছবি দেখা যাচ্ছে, যা প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার স্থাপত্য শিল্পকে নির্দেশ করে।
পিরামিড মূলত মিশরের ফারাওদের সমাধিসৌধ। মিশরীয়রা পরকালে বিশ্বাস করত এবং বিশ্বাস করত মৃত্যুর পর আত্মা দেহে ফিরে আসে। তাই তারা মৃতদেহ মমি করে পিরামিডে সংরক্ষণ করত। বিশাল পাথর কেটে সুনিপুণভাবে সাজিয়ে এগুলো নির্মিত হয়েছিল, যা তাদের গণিত, প্রকৌশল ও স্থাপত্যজ্ঞানের পরিচয় দেয়। গিজার পিরামিড এ ধরনের স্থাপত্যের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।
- ঘ)
চিত্র-২-এ উল্লিখিত ভাস্কর্যটি স্ফিংক্স। এর দেহ সিংহের এবং মাথা মানুষের। মিশরীয় সভ্যতার ধর্মে এর বিশেষ প্রভাব ছিল।
১. মিশরীয়রা বহু দেবতায় বিশ্বাসী ছিল এবং ফারাওকে দেবতার প্রতিনিধি মনে করত। স্ফিংক্স ফারাওয়ের শক্তি ও প্রজ্ঞার প্রতীক হিসেবে ধর্মীয় বিশ্বাসকে প্রকাশ করত।
২. সিংহের শক্তি ও মানুষের বুদ্ধির মিলনে গড়া এই ভাস্কর্য সমাধি ও মন্দিরের প্রহরী হিসেবে গণ্য হতো। ধর্মবিশ্বাস অনুযায়ী এটি পবিত্র স্থানকে অমঙ্গল থেকে রক্ষা করত।
৩. এ ধরনের ভাস্কর্য তৈরিতে ধর্মীয় বিশ্বাস, ফারাওয়ের প্রতি ভক্তি ও পরকালচেতনা প্রতিফলিত হয়েছে।সুতরাং, স্ফিংক্সের মাধ্যমে মিশরীয়দের ধর্মবিশ্বাস ও ফারাওয়ের দেবত্ব প্রকাশ পেয়েছে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও