ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং • Mymensingh Board • ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৪
ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং প্রশ্ন
জনাব শফি তার জমি বিক্রয় করে একটি মুরগির খামার শুরু করেছেন তিনি মুরগির ডিম বিক্রয় করেন। তার খামারে ১০ জন মহিলা কাজ করায় প্রতিষ্ঠানটি মুনাফা অর্জনে সক্ষম হয়। তিনি খাবার ক্রয় ও শ্রমিকের মজুরি বাবদ প্রয়োজনীয় অর্থ প্রদান করে বাকি অর্থ ব্যাংকে এমনভাবে জমা রাখেন যাতে ব্যবসায়ের প্রয়োজনে নগদ অর্থের ঘাটতি না হয়।
- ক)(1)
সরকারি অর্থায়নের মূল লক্ষ্য কী?
- খ)(2)
ব্যবসায় বৈচিত্র্যকরণ গুরুত্বপূর্ণ কেন? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
জনাব শফি কোন ধরনের অর্থায়ন করেছেন? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
জনাব শফির ব্যবসায়ে অর্থায়নের বিশেষ একটি নীতির প্রয়োগের যৌক্তিকতা মূল্যায়ন করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
সরকারি অর্থায়নের মূল লক্ষ্য জনকল্যাণ ও জনগণের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
- খ)
ব্যবসায় বৈচিত্র্যকরণ হলো একাধিক পণ্য বা খাতে ব্যবসায় ও বিনিয়োগ ছড়িয়ে দেওয়া। একটি খাতে ক্ষতি হলে অন্য খাতের মুনাফা দিয়ে তা পুষিয়ে নেওয়া যায়, ফলে সামগ্রিক ঝুঁকি কমে। এতে আয়ের উৎস বাড়ে এবং ব্যবসায়ের স্থায়িত্ব ও টিকে থাকার সম্ভাবনা বাড়ে। তাই ব্যবসায় বৈচিত্র্যকরণ গুরুত্বপূর্ণ।
- গ)
জনাব শফি জমি বিক্রয় করে মুরগির খামার শুরু করেছেন এবং ডিম বিক্রি করে মুনাফা করেন। মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে ব্যবসায় পরিচালনার জন্য অর্থ সংগ্রহ ও ব্যবহারকে ব্যবসায় অর্থায়ন বলে। সুতরাং শফির অর্থায়ন ব্যবসায় অর্থায়ন।
জমি বিক্রয়ের অর্থ তাঁর নিজস্ব তহবিল। এ অর্থ দিয়ে তিনি খামার স্থাপন করেছেন। খাবার কেনা ও মজুরি দেওয়ার মতো পরিচালন ব্যয়ও তিনি এই অর্থ থেকেই মেটান।
- ঘ)
জনাব শফি খাবার ও মজুরি মেটানোর পর বাকি অর্থ এমনভাবে ব্যাংকে রাখেন, যাতে নগদের ঘাটতি না হয়। এখানে তারল্য নীতি প্রয়োগ করা হয়েছে। এ নীতির প্রয়োগ আমার মতে যৌক্তিক।
১. দৈনন্দিন কার্যক্রম সচল: খামারে নিয়মিত খাবার কিনতে ও ১০ জন নারীর মজুরি দিতে নগদ লাগে। ব্যাংকে রাখা অর্থ প্রয়োজনে তুলে এ খরচ মেটানো যায়।
২. নিরাপত্তা ও সুদ: অর্থ ঘরে না রেখে ব্যাংকে রাখায় তা নিরাপদ থাকে এবং কিছু সুদ-আয়ও হয়।
৩. সীমাবদ্ধতা: বেশি অর্থ ব্যাংকে আটকে রাখলে মুনাফা কম হয়। তাই কিছু অর্থ খামার সম্প্রসারণে বিনিয়োগ করা ভালো।সুতরাং, তারল্য নীতি প্রয়োগের ফলে শফির ব্যবসায় নগদ সংকট ছাড়া চলতে পারে। নীতিটি যৌক্তিক।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও