‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০১৯

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

রিফাহ তাসনিয়া জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। দলীয় নেতা হিসেবে তিনি জাতীয় সংসদে নেতৃত্ব দেন। তাছাড়া রাষ্ট্র পরিচালনায় তিনি মুখ্য ভূমিকা পালন করেন। অন্যদিকে তাঁর দলের মনোনীত প্রার্থী হিসাবে এশা তাসনিম রাষ্ট্রের স্নিত্বপূর্ণ পদে বহাল আছেন। রিফাহ তাসনিয়া আদালত কর্তৃক দণ্ডপ্রাপ্ত যক্তির শান্তি মওকুফ করতে না পারলেও এশা তাসনিম তা করতে পারেন।

  1. ক)

    বাঙালির ম্যাগনাকার্টা বলা হয় কোনটিকে?

    (1)
  2. খ)

    নির্বাচনে নাগরিকদের অংশগ্রহণ কেন প্রয়োজন?

    (2)
  3. গ)

    এশা তাসনিম-এর সাথে তোমার পঠিত কার কার্যক্রমের মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    এশা তাসনিম নয়, রিফাহ তাসনিয়াই শাসন ব্যবস্থার মধ্যমণি- তুমি কি এ কথার সাথে একমত? উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বাঙালির ম্যাগনাকার্টা বলা হয় ১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক 'ছয়দফা কর্মসূচি'-কে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থাকে অর্থবহ, জবাবদিহিমূলক ও কার্যকর করার জন্য নির্বাচনে নাগরিকদের অংশগ্রহণ অপরিহার্য।

    নির্বাচনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে নাগরিকরা তাদের সাংবিধানিক ভোটাধিকার প্রয়োগ করে উপযুক্ত জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারে। এটি সরকারের বৈধতা প্রদান করে এবং জনগণের মতামতের প্রতিফলন নিশ্চিত করে। নাগরিক অংশগ্রহণ না থাকলে গণতন্ত্র দুর্বল হয় এবং স্বৈরাচারী শাসনের পথ সুগম হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    এশা তাসনিমের সাথে আমার পঠিত বাংলাদেশের 'রাষ্ট্রপতি'-র কার্যক্রমের মিল রয়েছে।

    গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্রপতি হলেন রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদমর্যাদাধারী ব্যক্তি। তিনি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হলেও সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় তাঁর ক্ষমতা মূলত আনুষ্ঠানিক। তবে সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির এক বিশেষ সাংবিধানিক ক্ষমতা রয়েছে, যা হলো ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার। এর মাধ্যমে তিনি যেকোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা কর্তৃপক্ষের প্রদত্ত যেকোনো দণ্ড মার্জনা, স্থগিত বা হ্রাস করতে পারেন।

    উদ্দীপকে এশা তাসনিম ক্ষমতাসীন দলের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল পদে অধিষ্ঠিত এবং তিনি আদালত কর্তৃক দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির সাজা বা শাস্তি মওকুফ করতে পারেন। এই বিশেষ সাংবিধানিক ক্ষমতার কারণে তাঁর কার্যক্রম বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব ও কার্যাবলির সাথে সম্পূর্ণ সাদৃশ্যপূর্ণ।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    হ্যাঁ, আমি উদ্দীপকের "এশা তাসনিম নয়, রিফাহ তাসনিয়াই শাসন ব্যবস্থার মধ্যমণি" বক্তব্যটির সাথে সম্পূর্ণ একমত।

    সংসদীয় বা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী হলেন প্রকৃত নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী এবং শাসন ব্যবস্থার মূল চালিকাশক্তি, যা উদ্দীপকে রিফাহ তাসনিয়ার মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়েছে। অন্যদিকে এশা তাসনিম (রাষ্ট্রপতি) হলেন কেবল আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রপ্রধান।

    রিফাহ তাসনিয়াকে শাসন ব্যবস্থার মধ্যমণি বলার সপক্ষে যুক্তি:
    ১. প্রকৃত শাসনক্ষমতা: সংসদীয় পদ্ধতিতে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বেই মন্ত্রিপরিষদ দেশ পরিচালনা করে। সরকারি সকল গুরুত্বপূর্ণ নীতি নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত থাকে।
    ২. সংসদীয় নেতৃত্ব: রিফাহ তাসনিয়া জাতীয় সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা হিসেবে সমগ্র সংসদ কার্যক্রম পরিচালনা ও সমন্বয় করেন।
    ৩. প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে রাষ্ট্রপতির কাজ: সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি (এশা তাসনিম) প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে তাঁর প্রায় সকল দায়িত্ব পালন করতে বাধ্য থাকেন।
    ৪. জনগণের প্রত্যক্ষ প্রতিনিধিত্ব: প্রধানমন্ত্রী জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে আইনসভার সদস্য নির্বাচিত হয়ে আসেন এবং সংসদের মাধ্যমে জনগণের নিকট প্রত্যক্ষভাবে জবাবদিহি করেন।

    সুতরাং, তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক উভয় দিক থেকেই সংসদীয় গণতন্ত্রে প্রধানমন্ত্রীই প্রকৃত নির্বাহী ও ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু হওয়ায় রিফাহ তাসনিয়াই শাসন ব্যবস্থার মধ্যমণি।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন