বাংলা ২য় পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০২৫
বাংলা ২য় পত্র প্রশ্ন
8.
(ক) যে কোনো ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণের ঘটনা নিয়ে দিনলিপি রচনা কর।অথবা,(খ) নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন রচনা কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
AI-লিখিত কাল্পনিক নমুনা। প্রশ্নে না-দেওয়া নাম, তারিখ, যোগাযোগ, সংখ্যা ও জরিপ/সাক্ষাৎকারের বিবরণ উদাহরণভিত্তিক অনুমান; বাস্তবে তথ্যসংগ্রহ করা হয়েছে এমন দাবি নয়।
(ক) ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণের দিনলিপি:
তারিখ: ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
স্থান: বাগেরহাট
সময়: রাত ১০:০০ টা
আজকের দিনটি আমার জীবনের অন্যতম স্মরণীয় একটি দিন। সকালবেলাতেই আমরা পৌঁছে যাই ঐতিহাসিক বাগেরহাটে। সেখানে পৌঁছে প্রথমেই আমরা বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী 'ষাটগম্বুজ মসজিদ' দর্শনে যাই। পঞ্চদশ শতাব্দীতে নির্মিত এই প্রাচীন মসজিদটির স্থাপত্যশৈলী দেখে আমি সত্যিই বিস্মিত ও অভিভূত। ৮১টি গম্বুজবিশিষ্ট বিশাল এই মসজিদের ভেতরে দাঁড়িয়ে অতীতের সুলতানি আমলের আবহ অনুভব করছিলাম। এরপর আমরা পরিদর্শনে যাই পীর হযরত খান জাহান আলী (রহ.)-এর মাজার এবং সংলগ্ন বিশাল দিঘি। সেখানে স্বচ্ছ পানিতে নেমে কিছুটা সময় কাটাতে পেরে ভীষণ প্রশান্তি লাগল। দিঘির ধারের মিষ্টি বাতাস আর প্রাচীন স্থাপত্যের নিবিড় সান্নিধ্য ইতিহাসকে আমার সামনে জীবন্ত করে তুলল। বিকেলে গেলাম নয়গম্বুজ মসজিদে। বইয়ের পাতায় পড়া ইতিহাসকে আজ নিজের চোখে প্রত্যক্ষ করার আনন্দই আলাদা। প্রাচীন বাংলার সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও স্থাপত্যকীর্তি নিজ চোখে দেখার এ অভিজ্ঞতা আজীবন মনে থাকবে।
অথবা,
(খ) নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি সম্পর্কে প্রতিবেদন:
নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি: চরম দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
সম্প্রতি রাজধানীসহ সারা দেশের বাজারগুলোতে চাল, ডাল, তেল, চিনি, পেঁয়াজ ও শাকসবজিসহ প্রতিটি নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে নিম্নবিত্ত ও নির্দিষ্ট আয়ের মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর নাভিশ্বাস ওঠার উপক্রম হয়েছে। সাধারণ মানুষের আয়ের তুলনায় ব্যয়ের মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় সংসার চালাতে তারা হিমশিম খাচ্ছে।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে মোটা চালের কেজি ৫৫ থেকে ৬০ টাকায় এবং সরু চালের কেজি ৭৫ থেকে ৮০ টাকায় গিয়ে ঠেকেছে। সয়াবিন তেল, চিনি ও ডিমের বাজারে অস্থিরতা দীর্ঘদিন ধরেই বিদ্যমান। বিক্রেতাদের দাবি—জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং সরবরাহ সংকটের কারণেই পণ্যের দাম বাড়ছে। তবে সাধারণ ক্রেতাদের অভিযোগ, অসাধু সিন্ডিকেট ও মধ্যস্বত্বভোগীদের কারসাজির কারণেই বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত মুনাফা লোটা হচ্ছে। বাজারে প্রশাসনের কঠোর নজরদারির অভাবেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সাধারণ ভোক্তারা।
নিত্যপণ্যের এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি রোধে অবিলম্বে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। টিসিবির মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রির পরিধি বাড়ানো, পরিবহন চাঁদাবাজি বন্ধ করা এবং বাজারে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। দ্রব্যমূল্যের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে না পারলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের মাত্রা আরও বৃদ্ধি পাবে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও