‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২৫

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    বাংলাদেশ তথ্য অধিকার আইন কখন প্রণীত হয়?

    (1)
  2. খ)

    মৌলিক অধিকার বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    ছকের প্রদত্ত (?) চিহ্নিত স্থানে কোন অধিকার নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো। ৩

    (3)
  4. ঘ)

    উল্লিখিত-অধিকার ভোগ করতে হলে নাগরিকদের কী কী কর্তব্য পালন' করতে হয়? বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বাংলাদেশে ২০০৯ সালে তথ্য অধিকার আইন প্রণীত হয়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    মানুষের ব্যক্তিত্ব বিকাশ এবং বেঁচে থাকার জন্য যেসব সুযোগ-সুবিধা একান্ত অপরিহার্য এবং যা রাষ্ট্রের সংবিধানে লিপিবদ্ধ ও সংরক্ষিত থাকে, সেগুলোকে মৌলিক অধিকার বলা হয়।

    মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হলে নাগরিকরা আদালতের শরণাপন্ন হতে পারেন। এই অধিকারগুলো রাষ্ট্র কর্তৃক নিশ্চিত ও বলবৎযোগ্য হয়, যেমন—জীবনের অধিকার, বাকস্বাধীনতা, সাম্যের অধিকার ইত্যাদি।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ছকের প্রদত্ত (?) চিহ্নিত স্থানে 'আইনগত অধিকার' নির্দেশ করে।

    অধিকার মূলত প্রধানত দুই প্রকার—নৈতিক অধিকার এবং আইনগত অধিকার। ছকে অধিকারের একটি শাখায় 'নৈতিক অধিকার' উল্লেখ থাকায় অপর প্রধান শাখাটি হলো 'আইনগত অধিকার'।

    যেসব অধিকার রাষ্ট্রীয় আইন কর্তৃক স্বীকৃত, সংরক্ষিত ও প্রয়োগযোগ্য, সেগুলোকে আইনগত অধিকার বলে। এই অধিকার ভঙ্গের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় শাস্তির বিধান রয়েছে। আইনগত অধিকার নাগরিক জীবনের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। আইনগত অধিকারকে সাধারণত সামাজিক অধিকার, রাজনৈতিক অধিকার এবং অর্থনৈতিক অধিকার—এই তিন ভাগে ভাগ করা যায়।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে নির্দেশিত অধিকারটি হলো আইনগত অধিকার। আইনগত অধিকার ভোগ করতে হলে নাগরিকদের রাষ্ট্র ও সমাজের প্রতি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কর্তব্য পালন করতে হয়, কারণ অধিকার ও কর্তব্য পরস্পরের পরিপূরক।

    আইনগত অধিকার ভোগের বিনিময়ে নাগরিককে যেসব কর্তব্য পালন করতে হয়:
    ১. রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ: রাষ্ট্রের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং সংহতি রক্ষায় সদা জাগ্রত ও অনুগত থাকা নাগরিকের প্রধান কর্তব্য।
    ২. আইন মান্য করা: রাষ্ট্রের শান্তি, শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার স্বার্থে প্রণীত সকল আইন মেনে চলা নাগরিকদের অন্যতম আবশ্যক কর্তব্য।
    ৩. নিয়মিত কর প্রদান: রাষ্ট্রের প্রশাসন পরিচালনা, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা বিধানের জন্য সরকারকে নিয়মিত ও সততার সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর প্রদান করতে হয়।
    ৪. ভোটাধিকারের সঠিক প্রয়োগ: যোগ্য ও সৎ প্রতিনিধি নির্বাচনে সচেতন ও দায়িত্বশীলভাবে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করা।
    ৫. সন্তানদের শিক্ষা প্রদান: ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সন্তানদের যথাযথ শিক্ষাদানের ব্যবস্থা করা।
    ৬. রাষ্ট্রীয় কাজে অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা: সমাজের সার্বিক কল্যাণ এবং রাষ্ট্রের উন্নয়নে সক্রিয় অংশগ্রহণ করা এবং অন্যায় কাজের বিরোধিতা করা।

    পরিশেষে বলা যায়, কর্তব্য পালন ছাড়া কেবল অধিকার দাবি করা অর্থহীন। তাই আইনগত অধিকার ভোগ করার পূর্বশর্ত হিসেবে প্রতিটি নাগরিককে উল্লিখিত কর্তব্যসমূহ যথাযথভাবে পালন করতে হয়।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন