পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০১৭
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন
রাশেদ তার ভাই-এর সাথে বিবাদে লিপ্ত হলে ভাই রাশেদের বিরুদ্ধে মামলা করে। মামলার নিম্ন আদালতের রায়ে রাশেদ সন্তুষ্ট নন। ফলে তিনি ঢাকার উচ্চ আদালতে আপিল করেন। মামলার শুরু থেকে আপিলের রায় পর্যন্ত মোট ১৪ বছর অতিবাহিত হয়।
- ক)(1)
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ সদস্য পদের ন্যূনতম বয়স কত বছর?
- খ)(2)
মৌলিক অধিকার বলতে কী বোঝ?
- গ)(3)
রাশেদ যে আদালতে আপিল করেন তার গঠন বর্ণনা করো।
- ঘ)(4)
"উক্ত আদালত জনগণের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ। করে।"- বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ সদস্য পদের জন্য প্রার্থীর ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
মৌলিক অধিকার হলো মানুষের ব্যক্তিত্বের পূর্ণ বিকাশ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় সেইসব অধিকার, যা কোনো দেশের সংবিধানে স্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ ও সংরক্ষিত থাকে। এগুলো আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য এবং কোনো নাগরিক এই অধিকার থেকে বঞ্চিত হলে আদালতের আশ্রয় গ্রহণ করতে পারে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে রাশেদ ঢাকার যে উচ্চ আদালতে আপিল করেন তা হলো সুপ্রিম কোর্টের 'হাইকোর্ট বিভাগ'। নিচে সুপ্রিম কোর্টের গঠন বর্ণনা করা হলো:
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বিচারালয় হলো সুপ্রিম কোর্ট। সংবিধানের ৯৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট দুটি বিভাগ নিয়ে গঠিত— আপিল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগ।
১. প্রধান বিচারপতি: রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত একজন প্রধান বিচারপতি (যিনি বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি নামে পরিচিত) এবং উভয় বিভাগে দায়িত্ব পালনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিচারক নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট গঠিত।
২. বিচারক নিয়োগ: সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শক্রমে সুপ্রিম কোর্টের অন্যান্য বিচারক নিয়োগ করেন।
নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ হয়ে উচ্চ আদালতে যে আপিল করা হয়, তা প্রথমত হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করা হয়। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
"উক্ত আদালত জনগণের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ করে"— উক্তিটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও যথার্থ।
উদ্দীপকে নির্দেশিত আদালতটি হলো বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট (বিশেষত হাইকোর্ট বিভাগ)। বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মৌলিক অধিকার কার্যকর করার অধিকার দেওয়া হয়েছে এবং ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হলে প্রয়োজনীয় নির্দেশ বা রিট জারি করতে পারে।
যখন কোনো নাগরিকের মৌলিক অধিকার (যেমন— জীবনের অধিকার, চলাফেরার অধিকার, বাকস্বাধীনতা, সাম্য ইত্যাদি) রাষ্ট্র বা কোনো ব্যক্তি/কর্তৃপক্ষ দ্বারা খর্ব হয়, তখন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীনে হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন দায়ের করতে পারে। আদালত মৌলিক অধিকার সুরক্ষায় বন্দি প্রদর্শন (Habeas Corpus), পরমাদেশ (Mandamus), প্রতিষেধ (Prohibition), অধিকার পৃচ্ছা (Quo-Warranto) এবং উৎপ্রেষণ (Certiorari) আদেশ বা নির্দেশ জারি করতে পারে। এভাবে সুপ্রিম কোর্ট সংবিধানের অভিভাবক ও নাগরিকের মৌলিক অধিকারের অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও