সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র • Combined Board • ঢাকা, রাজশাহী, সিলেট, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৫
সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র প্রশ্ন
বড়ো বড়ো দালান, কারখানা, অসংখ্য অফিস-আদালত রয়েছে এলাকাটিতে। কলকারখানায় কাজ করতে আশেপাশের এলাকা থেকে লোকজন এই এলাকায় আসে। লোকসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে, আবার বস্তিও গড়ে উঠেছে। এ বছর এই এলাকার প্রতিটি বিদ্যালয় প্রতি বছরের ন্যায় ফেব্রুয়ারি মাসে এক ঐতিহাসিক দিনকে স্মরণ করে প্রভাতফেরি ও আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
- ক)(1)
যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন কবে হয়?
- খ)(2)
পূর্ব পাকিস্তানে অর্থনৈতিক বৈষম্য বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকের বর্ণনায় বাংলাদেশের কোন সমাজের প্রকৃতিলক্ষ করা যায়? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে বর্ণিত ঐতিহাসিক ঘটনাটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন ১৯৫৪ সালের মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত হয়।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
পাকিস্তান আমলে পূর্ব পাকিস্তানের রাজস্ব ও রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ পশ্চিম পাকিস্তানের উন্নয়নে ব্যয় এবং পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি উন্নয়ন বরাদ্দে তীব্র পক্ষপাতমূলক আচরণকে অর্থনৈতিক বৈষম্য বোঝায়। তৎকালীন সময়ে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের মোট রাজস্ব ও বৈদেশিক বাণিজ্যের বড় অংশ পূর্ব পাকিস্তান থেকে অর্জিত হলেও জাতীয় বাজেটের সিংহভাগ, বৈদেশিক সাহায্য ও শিল্প-কারখানা পশ্চিম পাকিস্তানে বরাদ্দ করা হতো। এর ফলে পূর্ব পাকিস্তান চরম অর্থনৈতিক শোষণ ও পশ্চাৎপদতার শিকার হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের বর্ণনায় বাংলাদেশের নগর সমাজের (Urban Society) প্রকৃতি লক্ষ্য করা যায়। নগর সমাজ হলো এমন এক সমাজব্যবস্থা যেখানে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা, শিল্প-কারখানা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং প্রশাসনিক দপ্তর গড়ে ওঠে। উদ্দীপকে উল্লিখিত বড় বড় দালানকোঠা, কলকারখানা, অফিস-আদালত এবং কর্মসংস্থানের খোঁজে আশপাশের এলাকা থেকে মানুষের আগমন বাংলাদেশের দ্রুত বর্ধনশীল নগর সমাজেরই বৈশিষ্ট্য। এছাড়া অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপ এবং বস্তি গড়ে ওঠা আধুনিক নগরায়ণের অন্যতম সাধারণ অনুষঙ্গ। সুতরাং, উদ্দীপকের বিবরণটি সুস্পষ্টভাবে বাংলাদেশের নগর সমাজের প্রকৃতিকে তুলে ধরে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে বর্ণিত ঐতিহাসিক ঘটনাটি হলো ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারির মহান 'ভাষা আন্দোলন'। উদ্দীপকে ফেব্রুয়ারি মাসে প্রতিটি বিদ্যালয়ে প্রভাতফেরি ও আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজনের মাধ্যমে ভাষা শহীদদের স্মরণের বিষয়টি সুস্পষ্ট হয়েছে। বাঙালি জাতীয়তাবাদের উন্মেষ ও বিকাশে ভাষা আন্দোলনের তাৎপর্য অপরিসীম। মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদার দাবিতে ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ছাত্র-জনতার রক্তদানের মাধ্যমে পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধ গড়ে ওঠে। এই আন্দোলনের মাধ্যমে বাঙালি জাতির মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা, স্বাধিকার চেতনা ও সাংস্কৃতিক ঐক্যের জন্ম হয়। ভাষা আন্দোলনের পথ ধরেই পরবর্তী সময়ে ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৬৬ সালের ছয় দফা, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে। এছাড়া জাতিসংঘ কর্তৃক ২১শে ফেব্রুয়ারিকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' ঘোষণা করায় এটি বৈশ্বিক পর্যায়ে সব ভাষার সুরক্ষার প্রতীক হয়ে উঠেছে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও