ইসলাম শিক্ষা ২য় পত্র • Combined Board • বরিশাল, সিলেট, দিনাজপুর বোর্ড ২০২৫

ইসলাম শিক্ষা ২য় পত্র প্রশ্ন

প্রতিষ্ঠাতার মৃত্যু-১৫০ হিজরি | প্রতিষ্ঠাতার জন্ম-১৫০ হিলরি
(ক) অধিকাংশ লোক অনুসারী | (ক) তুলনামূলকভাবে কমসংখ্যক অনুসারী
(খ) হাদিসের অনুসরণ কম করা হয় | (খ) হাদিসই দালিলিক ভিত্তি
(গ) কিয়াস ও ইজতিহাদ গ্রহণযোগ্য | (গ) যথাসম্ভব কিয়াস পরিত্যাজ্য বিষয়
(ঘ) উদার ও বাস্তবধর্মী পন্থা | (ঘ) তুলনামূলকভাবে কঠোর ও গভীরতার প্রতি আকৃষ্ট

  1. ক)

    হাম্বলি মাযহাব বলতে কী বোঝায়?

    (1)
  2. খ)

    "মসজিদে নববীতে তিনি ফিকাহ শিক্ষা দিতেন।" উক্তিটিতে কার কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।'

    (2)
  3. গ)

    ১৫০ হিজরিতে জন্মগ্রহণকারী ইসলামি মনীষীর পরিচয় দাও।

    (3)
  4. ঘ)

    ১৫০ হিজরিতে মৃত্যুবরণকারী মনীষীর ইসলামে অবদান মূল্যায়ন করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল (রহ.)-এর ফিকহি মূলনীতি ও ইজতিহাদের ভিত্তিতে গঠিত ইসলামি আইনশাস্ত্রের মাযহাবকে হাম্বলি মাযহাব বলা হয়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উক্তিটিতে মালিকি মাযহাবের প্রতিষ্ঠাতা ইমাম মালিক ইবনে আনাস (রহ.)-এর কথা বলা হয়েছে।

    ইমাম মালিক (রহ.) মদিনা মুনাওয়ারায় স্থায়ীভাবে বসবাস করতেন এবং মসজিদে নববীতে বসে দীর্ঘদিন যাবত পবিত্র হাদিস ও ফিকাহশাস্ত্রের দরস প্রদান করতেন। তিনি মদিনার আলেমদের আমলকে প্রামাণিক ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করে ফিকাহ প্রণয়ন করেছিলেন।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে ১৫০ হিজরিতে জন্মগ্রহণকারী ইসলামি মনীষী হলেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের অন্যতম প্রধান ইমাম ও শাফিয়ি মাযহাবের প্রতিষ্ঠাতা ইমাম মুহাম্মদ ইবনে ইদরিস আশ-শাফিয়ি (রহ.)।

    তিনি ১৫০ হিজরিতে ফিলিস্তিনের গাজায় জন্মগ্রহণ করেন। শৈশবেই তিনি এতিম হন এবং মক্কায় বেড়ে ওঠেন। তিনি মাত্র সাত বছর বয়সে কুরআনুল কারিম এবং দশ বছর বয়সে ইমাম মালিকের হাদিস গ্রন্থ 'মুওয়াত্তা' মুখস্থ করেন। পরবর্তীতে তিনি ইমাম মালিকের ছাত্রত্ব গ্রহণ করেন এবং মদিনা, ইরাক ও মিসরে ইলম অর্জন ও প্রচার করেন। তিনি ২০৪ হিজরিতে মিসরে ইন্তেকাল করেন।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে ১৫০ হিজরিতে মৃত্যুবরণকারী মনীষী হলেন ইমামে আজম আবু হানিফা (রহ.)। ইসলামি আইনশাস্ত্র এবং দ্বীনের সামগ্রিক বিকাশে তাঁর অবদান অনন্য ও কালজয়ী।

    ১. ফিকাহর প্রথম প্রাতিষ্ঠানিক রূপদান: তিনিই সর্বপ্রথম ৪০ জন শীর্ষস্থানীয় আলেম ও মুহাদ্দিসদের সমন্বয়ে একটি মজলিস গঠন করে ইসলামি আইনের পূর্ণাঙ্গ সংকলন সম্পন্ন করেন।
    ২. ইসতিহসান ও কিয়াসের প্রয়োগ: কুরআন ও সুন্নাহর গভীর দর্শনের ওপর ভিত্তি করে মানুষের কল্যাণে ইসতিহসান নীতির প্রয়োগ ঘটিয়ে তিনি ইসলামি বিধানকে সর্বজনীন ও গতিশীল করেছেন।
    ৩. নির্ভরযোগ্য আকিদাহ ও শাস্ত্রের সংরক্ষণ: আইনশাস্ত্রের পাশাপাশি তিনি আকিদাহর ওপর মৌলিক গ্রন্থ 'আল-ফিকহুল আকবর' রচনা করেন।

    সুতরাং, ইসলামি জীবনব্যবস্থাকে সুশৃঙ্খল নিয়মের মধ্যে আনার ক্ষেত্রে ইমাম আবু হানিফা (রহ.)-এর অবদান অপরিসীম।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন