যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০১৯
যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন
আমার দৃশ্যকল্প-১: শিক্ষক ক্লাসে সঠিক উত্তরকে ‘✓’এবং ভুল উত্তরকে 'X' চিহ্ন দিয়ে প্রকাশ করলেন।দৃশ্যকল্প-২: মিতুল 'রাফিন ও সাফিন হয় ভালো ছাত্র' যুক্তিবাক্যটিতে 'p. q' দ্বারা প্রকাশ করলেন।
- ক)(1)
সংকেত কত প্রকার?
- খ)(2)
প্রতীক ও সংকেত এক নয় কেন?
- গ)(3)
দৃশ্যকল্প-২ এ মিতুলের প্রতীকায়িত বাক্যটির সত্যমান নির্ণয় করো।
- ঘ)(4)
দৃশ্যকল্প-১ এ শিক্ষক যে পদ্ধতিটি ব্যবহার করেছেন তার সুবিধাগুলো বর্ণনা করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সংকেত প্রধানত দুই প্রকার: ১. প্রাকৃতিক সংকেত এবং ২. কৃত্রিম সংকেত।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সকল প্রতীকই সংকেত, কিন্তু সকল সংকেত প্রতীক নয়। সংকেত হলো এমন এক ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য রূপ যা অন্য কোনো বস্তুর উপস্থিতি বা অর্থ নির্দেশ করে; এটি প্রাকৃতিক (যেমন: মেঘ দেখে বৃষ্টির অনুমান) কিংবা কৃত্রিম হতে পারে। পক্ষান্তরে, প্রতীক হলো কেবল মানুষের দ্বারা উদ্দেশ্যমূলকভাবে তৈরি কৃত্রিম বা আরোপিত সংকেত (যেমন: বর্ণমালা, গাণিতিক চিহ্ন)। প্রাকৃতিক সংকেতের পেছনে মানুষের ইচ্ছা জড়িত নয়, অথচ প্রতীক সর্বদাই মানুষের স্বেচ্ছাকৃত সৃষ্টি। এ কারণে প্রতীক ও সংকেত এক নয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
দৃশ্যকল্প-২ এ মিতুলের প্রতীকায়িত বাক্যটি হলো একটি সংযোজক যৌগিক বাক্য (Conjunctive Proposition), যা 'p . q' আকারে প্রকাশিত।
এখানে,
p = রাফিন হয় ভালো ছাত্র
q = সাফিন হয় ভালো ছাত্রসংযোজক অপেক্ষক (Dot / .) এর সত্যতার নিয়ম অনুযায়ী, একটি সংযোজক বাক্য কেবল তখনই সত্য (T) হয়, যখন এর উভয় উপাদান বাক্যই সত্য (T) হয়। উপাদান বাক্যগুলোর যেকোনো একটি বা উভয়টি মিথ্যা (F) হলে পুরো যৌগিক বাক্যটি মিথ্যা (F) হয়।
সত্যসারণি:
p q p . q T T T T F F F T F F F F অতএব, 'রাফিন ও সাফিন হয় ভালো ছাত্র' (p . q) বাক্যটির সত্যমান নির্ভর করবে রাফিন ও সাফিনের ব্যক্তিগত সত্যমানের ওপর; কেবল দুজনই ভালো ছাত্র হলে বাক্যটি সত্য হবে, অন্যথায় মিথ্যা হবে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
দৃশ্যকল্প-১ এ শিক্ষক সঠিক উত্তরের জন্য ‘✓’ এবং ভুলের জন্য 'X' প্রতীক বা কৃত্রিম সংকেত ব্যবহার করেছেন। প্রতীকী যুক্তিবিদ্যায় এ ধরনের সংকেত বা প্রতীক ব্যবহারের প্রধান সুবিধাগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো:
১. সংক্ষিপ্ততা ও সময়ের সাশ্রয়: বড় বড় বাক্য বা বিশদ বক্তব্য বারবার না লিখে প্রতীকের সাহায্যে খুব সহজে ও অল্প সময়ে প্রকাশ করা যায়।
২. শ্রম লাঘব: প্রতীক ব্যবহারের ফলে লেখার শ্রম উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়।
৩. স্পষ্টতা ও নির্ভুলতা: সাধারণ ভাষার অস্পষ্টতা, দ্ব্যর্থকতা ও জটিলতা দূর করে প্রতীক একটি সুনির্দিষ্ট ও স্পষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, যা বিভ্রান্তি রোধ করে।
৪. দ্রুত মূল্যায়ন: শিক্ষক বা পরীক্ষক প্রতীকের মাধ্যমে একনজরেই সঠিক ও ভুল চিহ্নিত করতে পারেন, যা মূল্যায়নের কাজকে দ্রুততর করে।
৫. সার্বজনীনতা: ভাষার বাধা অতিক্রম করে প্রতীক সর্বত্র একই অর্থ বহন করে সহজে বোধগম্য হয়।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও