ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০২৩

ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    ব্যবস্থাপনা কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    ব্যবস্থাপনার চক্র বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    চিহ্নিত উদ্দীপকে "ক"চিহ্নিত স্থানে ব্যবস্থাপনার কোন কাজটি করে? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের "ক" চিহ্নিত কাজের সাথে "খ" চিহ্নিত কাজের সম্পর্ক কি? বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জনের জন্য উপায়-উপকরণাদির কার্যকর ব্যবহারের লক্ষ্যে পরিকল্পনা, সংগঠন, কর্মীসংস্থান, নির্দেশনা, প্রেষণা, সমন্বয়সাধন ও নিয়ন্ত্রণের সামগ্রিক প্রক্রিয়াকে ব্যবস্থাপনা বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ব্যবস্থাপনার কার্যাবলি চক্রাকারে একটির পর একটি ধারাবাহিকভাবে সম্পাদিত হওয়াকে ব্যবস্থাপনা চক্র বলে।

    একটি প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জনের জন্য ব্যবস্থাপকীয় কাজগুলো—পরিকল্পনা, সংগঠন, কর্মীসংস্থান, নির্দেশনা, প্রেষণা, সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণ—পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন হয়। সর্বশেষ কাজ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে প্রাপ্ত ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে পুনরায় নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। এভাবে কাজগুলোর চক্রাকারে আবর্তনকেই ব্যবস্থাপনা চক্র বলা হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত স্থানে ব্যবস্থাপনার 'পরিকল্পনা' কাজটি নির্দেশ করে।

    ভবিষ্যতে কী করা হবে, কখন করা হবে, কীভাবে করা হবে এবং কার দ্বারা সম্পন্ন হবে—তা পূর্বেই নির্ধারণ করার প্রক্রিয়াকে পরিকল্পনা বলে। এটি ব্যবস্থাপনার প্রথম ও মৌলিক কাজ, যা সমগ্র ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়ার ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।

    উদ্দীপকের ব্যবস্থাপনা চক্রের চিত্রটিতে প্রদর্শিত তীরচিহ্নগুলো লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে, কাজটি চক্রাকারে আবর্তিত হচ্ছে। সেখানে সংগঠনের পূর্ববর্তী এবং নিয়ন্ত্রণের পরবর্তী ধাপটি হলো 'ক'। ব্যবস্থাপনা চক্রের সুনির্দিষ্ট ধারাবাহিকতা অনুসারে সংগঠনের পূর্বের কাজটিই হলো পরিকল্পনা। অতএব, 'ক' চিহ্নিত স্থানে ব্যবস্থাপনার প্রাথমিক ও নির্দেশক কাজ হিসেবে 'পরিকল্পনা'র অবস্থান নির্ধারিত হয়েছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের 'ক' চিহ্নিত কাজটি হলো 'পরিকল্পনা' এবং 'খ' চিহ্নিত কাজটি হলো 'নিয়ন্ত্রণ'। ব্যবস্থাপনায় এদের পারস্পরিক সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড় ও অবিচ্ছেদ্য।

    পরিকল্পনা হলো ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনা বা কাজের আগাম নকশা, আর নিয়ন্ত্রণ হলো গৃহীত পরিকল্পনা অনুযায়ী কার্য সম্পাদিত হচ্ছে কি না তা পর্যবেক্ষণ, বিচ্যুতি নির্ণয় ও সংশোধনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ। এদের সম্পর্ককে সাধারণত একটি মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ বলা হয়।

    ব্যবস্থাপনায় পরিকল্পনাহীন নিয়ন্ত্রণ অন্ধ এবং নিয়ন্ত্রণহীন পরিকল্পনা অর্থহীন। পরিকল্পনার মাধ্যমে নির্ধারিত মান বা লক্ষ্যমাত্রাই নিয়ন্ত্রণের ভিত্তি তৈরি করে। পরিকল্পনা না থাকলে কোনো কাজের সঠিকতা বিচার করার সুযোগ থাকে না। অপরদিকে, নিয়ন্ত্রণের অনুপস্থিতিতে পরিকল্পনা কেবল কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ থেকে যায়, বাস্তবায়ন সম্ভব হয় না।

    উদ্দীপকের চক্রটিতে দেখা যায়, 'ক' (পরিকল্পনা) দিয়ে চক্রটি শুরু হয়ে সংগঠন, কর্মীসংস্থান, নির্দেশনা, প্রেষণা ও সমন্বয় পার হয়ে 'খ' (নিয়ন্ত্রণ)-তে পৌঁছায়। আবার নিয়ন্ত্রণের সময় চিহ্নিত বিচ্যুতি ও অভিজ্ঞতার আলোকেই পরবর্তী নতুন চক্রের জন্য 'ক' বা পরিকল্পনা তৈরি হয়। সুতরাং, উদ্দীপকের 'ক' ও 'খ' চিহ্নিত কাজ দুটি পরস্পর নির্ভরশীল ও পরিপূরক।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন