পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • মূল্যবোধ, আইন, স্বাধীনতা ও সাম্য • আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা • আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা টেস্ট পরীক্ষা ২০২৫
পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন
তিশা মারমা একজন সমাজকর্মী। তিনি এমন একটি সমাজ বিনির্মাণের লক্ষ্যে কাজ করছেন যেখানে জাতি, ধর্ম, বর্ণ, বংশ নির্বিশেষে কোনো পার্থক্য থাকবে না।
- ক)(1)
আইনের একটি বৈশিষ্ট্য লেখ।
- খ)(2)
দুর্নীতি কীভাবে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বাধা সৃষ্টি করে?
- গ)(3)
তিশা মারমা কী ধরনের সাম্য প্রতিষ্ঠায় কাজ করছেন? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
"উক্ত সাম্য প্রতিষ্ঠিত হলে সর্বস্তরের মানুষের উন্নয়নের পথ ত্বরান্বিত হবে"- উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
আইনের একটি অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর সার্বজনীনতা বা সকলের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হওয়া।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
দুর্নীতি সুশাসন প্রতিষ্ঠার সবচেয়ে বড় অন্তরায়। দুর্নীতি রাষ্ট্রীয় প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বিনষ্ট করে, আইনের শাসনের স্বাভাবিক গতিকে ব্যাহত করে এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় ঘটায়। এর ফলে সমাজে বৈষম্য তৈরি হয়, সাধারণ মানুষ মৌলিক অধিকার ও ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয় এবং সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা নষ্ট হয়, যা সুশাসন প্রতিষ্ঠাকে বাধাগ্রস্ত করে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
তিশা মারমা 'সামাজিক সাম্য' প্রতিষ্ঠায় কাজ করছেন।
জাতি, ধর্ম, বর্ণ, বংশ, লিঙ্গ নির্বিশেষে সমাজের সকল সদস্যের সমান মর্যাদা, অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা ভোগ করার অধিকারকে সামাজিক সাম্য বলা হয়। এই সাম্য সমাজে সকল প্রকার সামাজিক বৈষম্য, সুযোগ-সুবিধার একচেটিয়া অধিকার এবং কৃত্রিম ভেদাভেদ দূর করে। উদ্দীপকে দেখা যায়, তিশা মারমা এমন একটি সমাজ গঠন করতে চান যেখানে জাতি, ধর্ম, বর্ণ বা বংশের ভিত্তিতে মানুষের মধ্যে কোনো পার্থক্য থাকবে না। এটি নাগরিকের সামাজিক মর্যাদা ও অধিকারের সমতাকে নির্দেশ করায় তিশা মারমার প্রচেষ্টা সামাজিক সাম্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই পরিচালিত।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
"সামাজিক সাম্য প্রতিষ্ঠিত হলে সর্বস্তরের মানুষের উন্নয়নের পথ ত্বরান্বিত হবে"—উক্তিটি যথার্থ ও তাৎপর্যপূর্ণ।
একটি সমাজে যখন জাতি, ধর্ম, বর্ণ বা বংশভিত্তিক বৈষম্য দূর হয়, তখন প্রতিটি নাগরিক সমান আত্মমর্যাদা ও অধিকার নিয়ে বাঁচার সুযোগ পায়। সামাজিক সাম্য না থাকলে অনগ্রসর ও সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী মৌলিক অধিকার, শিক্ষা ও বিকাশের সুযোগ থেকে পিছিয়ে পড়ে, যা সামগ্রিক জাতীয় প্রবৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করে। সাম্য প্রতিষ্ঠা পেলে সমাজের প্রতিটি মানুষ তাদের মেধা ও যোগ্যতার পূর্ণ বিকাশ ঘটাতে সক্ষম হয়। ফলে মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ, সৌহার্দ্য ও সামাজিক সংহতি দৃঢ় হয়। সর্বস্তরের নাগরিকদের সক্রিয় ও বৈষম্যহীন অংশগ্রহণের মাধ্যমেই যেকোনো দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও মানবসম্পদ উন্নয়ন দ্রুততর ও টেকসই হয়।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও