ফিন্যান্স ব্যাংকিং ও বিমা ১ম পত্র • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০১৯
ফিন্যান্স ব্যাংকিং ও বিমা ১ম পত্র প্রশ্ন
আহমেদ কেমিক্যালস লি.-এর অতিরিক্ত মূলধনের জন্য ১ লক্ষ শেয়ার পুনঃ ইস্যুর সিদ্ধান্ত নেয় এবং সফল হয়। অন্যদিকে খান কেমিক্যালসও মূলধন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১ লক্ষ শেয়ার বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু তাদের সিদ্ধান্ত বিভিন্ন আইনি জটিলতায় ব্যর্থ হয়।
- ক)(1)
শেয়ার কী?
- খ)(2)
মূলধন বাজার বলতে কী বোঝ?
- গ)(3)
উদ্দীপকের আলোকে আহমেদ কেমিক্যালস লি. কী ধরনের কোম্পানি এবং কেন?
- ঘ)(4)
খান কেমিক্যালস-এর সিদ্ধান্ত ব্যর্থ হওয়ার কারণ কী? কোম্পানিটি কীভাবে অর্থায়ন করতে পারে?
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যৌথ মূলধনী কোম্পানির মোট মূলধনের ক্ষুদ্র ও সমান অংশকে শেয়ার বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যে আর্থিক বাজারে দীর্ঘমেয়াদি সিকিউরিটিজ (যেমন: শেয়ার, ডিবেঞ্চার, দীর্ঘমেয়াদি বন্ড ইত্যাদি) ক্রয়-বিক্রয় করা হয়, তাকে মূলধন বাজার বা শেয়ার বাজার বলে। সাধারণত এক বছরের অধিক মেয়াদের জন্য তহবিল সংগ্রহ ও বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে মূলধন বাজার ব্যবহৃত হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের আলোকে আহমেদ কেমিক্যালস লি. একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি।
যে কোম্পানির সদস্য সংখ্যা সর্বনিম্ন ৭ জন এবং সর্বোচ্চ সীমাবদ্ধ শেয়ার দ্বারা নির্দিষ্ট, এবং যা জনসাধারণের নিকট শেয়ার ও ঋণপত্র বিক্রির উদ্দেশ্যে বিবরণপত্র ইস্যু করতে পারে, তাকে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি বলে। এ ধরনের কোম্পানি বাজারে শেয়ার ইস্যু করে জনগণের কাছ থেকে মূলধন সংগ্রহ করতে আইনত বৈধ।
উদ্দীপকে আহমেদ কেমিক্যালস লি. তাদের অতিরিক্ত মূলধনের প্রয়োজনে ১ লক্ষ শেয়ার সফলভাবে বাজারে ইস্যু করতে সক্ষম হয়েছে। যেহেতু শুধু পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিই আইনগতভাবে জনগণের নিকট শেয়ার ইস্যু ও বিক্রি করতে পারে এবং নামের শেষে 'লি.' বা 'লিমিটেড' ব্যবহার করতে পারে, তাই আহমেদ কেমিক্যালস লি. নিঃসন্দেহে একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে খান কেমিক্যালস সম্ভবত একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি অথবা তারা শেয়ার ইস্যু সংক্রান্ত বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (BSEC) আইনি শর্তাবলি পূরণে ব্যর্থ হয়েছিল বিধায় তাদের শেয়ার বিক্রির সিদ্ধান্তটি ব্যর্থ হয়।
প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি হলে আইনের বিধান অনুযায়ী তারা সাধারণ জনগণের নিকট শেয়ার বা ঋণপত্র বিক্রির আহ্বান জানাতে পারে না। শেয়ার হস্তান্তর ও বিক্রয়ে তাদের আইনি সীমাবদ্ধতা রয়েছে।
কোম্পানিটি বিকল্পভাবে যেভাবে অর্থায়ন করতে পারে:
১. নিজস্ব সদস্যদের মধ্যে অর্থায়ন: প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি হলে বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডার বা পরিচালকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত মূলধন বা ঋণ গ্রহণ করতে পারে।
২. প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যাংক ঋণ: বাণিজ্যিক ব্যাংক বা অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে মধ্যমেয়াদি বা দীর্ঘমেয়াদি ঋণ নিয়ে মূলধনের প্রয়োজন মেটাতে পারে।
৩. পাবলিক কোম্পানিতে রূপান্তর: কোম্পানিটি যদি তার পরিমেল বন্ধ ও নিয়মাবলি সংশোধন করে নিজেদের পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে রূপান্তর করে এবং BSEC-এর অনুমোদন লাভ করে, তবে ভবিষ্যতে শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে অর্থায়ন করতে পারবে।
৪. লিজিং বা ইজারা: প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি বা স্থায়ী সম্পদ কেনার পরিবর্তে লিজিংয়ের মাধ্যমে ব্যবহার করে অর্থের সংস্থান করতে পারে।সুতরাং, উপযুক্ত নিয়মাবলি মেনে প্রাইভেট পর্যায় থেকে পাবলিক কোম্পানিতে রূপান্তরিত হয়ে অথবা ব্যাংক ঋণ ও অভ্যন্তরীণ উৎসের সহায়তায় খান কেমিক্যালস তাদের প্রয়োজনীয় অর্থায়ন সম্পন্ন করতে পারে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও