জীববিজ্ঞান ২য় পত্র • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০১৭

জীববিজ্ঞান ২য় পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    সিলোমের সংজ্ঞা দাও।

    (1)
  2. খ)

    ICZN বলতে কী বোঝ?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের সাথে সম্পর্কযুক্ত পর্বটির বৈশিষ্ট্য লিখ।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের A চিহ্নিত অঙ্গটির উপর ভিত্তি করে পর্বটির বিভিন্ন উপপর্বের বিভক্তি ব্যাখ্যা করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ত্রিস্তরী প্রাণীদের ভ্রূণীয় পরিস্ফুটনের সময় মেসোডার্ম স্তর থেকে সৃষ্ট এবং মেসোডার্মাল পেরিটোনিয়াম পর্দা দ্বারা আবৃত দেহগহ্বরকে সিলোম (Coelom) বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ICZN হলো 'International Code of Zoological Nomenclature'-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি প্রাণীদের বৈজ্ঞানিক নামকরণের একটি আন্তর্জাতিক নীতিমালা বা আচরণবিধি সংকলন। একই সাথে প্রাণী নামকরণের নিয়মাবলি প্রণয়ন ও নিয়ন্ত্রণকারী আন্তর্জাতিক কমিশনকেও (International Commission on Zoological Nomenclature) নির্দেশ করে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো বিশ্বজুড়ে প্রাণীদের দ্বিপদ ও ত্রিপদ নামকরণের ক্ষেত্রে একক, অনন্য, সার্বজনীন ও সুনির্দিষ্ট নিয়ম নিশ্চিত করা।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের চিত্রটি কর্ডাটা (Chordata) পর্বের মৌলিক গঠনের প্রতিচ্ছবি। কর্ডাটা পর্বের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো:
    ১. নটোকর্ড: জীবনের যেকোনো দশায় বা আজীবন দেহের পৃষ্ঠ-মধ্যরেখা বরাবর স্থিতিস্থাপক ও নমনীয় নটোকর্ড উপস্থিত থাকে।
    ২. স্নায়ুরজ্জু (Nerve cord): নটোকর্ডের ঠিক ওপরে পৃষ্ঠীয় ফাঁপা নলাকার স্নায়ুরজ্জু থাকে, যা উন্নত কর্ডাটে মস্তিষ্ক ও সুষুম্নাকাণ্ডে রূপান্তরিত হয়।
    ৩. গলবিলীয় ফুলকা রন্ধ্র: জীবনের যেকোনো দশায় গলবিলের উভয় পাশে কয়েক জোড়া ফুলকা রন্ধ্র বিদ্যমান থাকে।
    ৪. পায়ু-পশ্চাৎ লেজ: ভ্রূণীয় অবস্থায় বা আজীবন পায়ুর পেছনে পেশিবহুল লেজ বিদ্যমান।
    ৫. এন্ডোস্টাইল বা থাইরয়েড গ্রন্থি: গলবিলের অঙ্কীয়দেশে এন্ডোস্টাইল থাকে, যা পরবর্তীতে থাইরয়েড গ্রন্থিতে রূপান্তরিত হয়।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের চিত্রে 'A' চিহ্নিত অঙ্গটি হলো নটোকর্ড (Notochord)। নটোকর্ডের উপস্থিতি, অবস্থান ও স্থায়িত্বের বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে কর্ডাটা (Chordata) পর্বকে প্রধানত তিনটি উপপর্বে (Sub-phylum) ভাগ করা হয়েছে:

    ১. উপপর্ব-১: ইউরোকর্ডাটা (Urochordata):
    এ উপপর্বের প্রাণীদের শুধুমাত্র লার্ভা অবস্থায় লেজে নটোকর্ড উপস্থিত থাকে। কিন্তু পূর্ণাঙ্গ দশায় রূপান্তরিত হলে নটোকর্ডটি সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়ে যায়। এদের দেহ টিউনিক বা টেস্ট নামক আচ্ছাদনে আবৃত থাকে (যেমন: Ascidia mentula)।

    ২. উপপর্ব-২: সেফালোকর্ডাটা (Cephalochordata):
    এদের ক্ষেত্রে নটোকর্ডটি ভ্রূণীয় দশা থেকে শুরু করে আজীবন বিদ্যমান থাকে এবং তা দেহের সম্মুখ প্রান্ত (রোস্ট্রাম) থেকে পশ্চাৎ প্রান্ত পর্যন্ত পুরো দেহদৈর্ঘ্য বরাবর বিস্তৃত থাকে (যেমন: Branchiostoma lanceolatum)।

    ৩. উপপর্ব-৩: ভার্টিব্রাটা (Vertebrata):
    এ উপপর্বের প্রাণীদের কেবল প্রাথমিক ভ্রূণীয় অবস্থায় নটোকর্ড থাকে। পূর্ণাঙ্গ বা পরিণত অবস্থায় এটি ক্রমান্বয়ে তরুণাস্থিময় বা অস্থিময় কশেরুকা দিয়ে গঠিত মেরুদণ্ড (Vertebral column) দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয় (যেমন: মানুষ - Homo sapiens)।

    অতএব, নটোকর্ডের বিকাশ, অবস্থান ও স্থায়িত্বের পার্থক্যের ভিত্তিতে কর্ডাটা পর্বকে উপরিউক্ত তিনটি উপপর্বে অত্যন্ত সুনির্দিষ্টভাবে বিন্যস্ত করা হয়েছে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন