ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০২২
ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র প্রশ্ন

- ক)(1)
ব্যবস্থাপনার স্তর কী?
- খ)(2)
একতাই বল” নীতিটি গুরুত্বপূর্ণ কেন?
- গ)(3)
উদ্দীপকে উল্লিখিত ছকটি হেনরী ফেয়লের কোন নীতির সাথে মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
তুমি কি মনে কর, সুষ্ঠুভাবে কার্যপরিচালনা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণে উক্ত নীতিটি যথার্থ? উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পর্যায়ে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের কর্তৃত্ব, দায়িত্ব ও কার্যাবলির স্তরভিত্তিক বিভাজনকে ব্যবস্থাপনার স্তর বলে। সাধারণত এটি শীর্ষ, মধ্য ও নিম্ন—এই তিন স্তরে বিভক্ত।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
‘একতাই বল’ নীতিটি প্রতিষ্ঠানে দলগত চেতনা, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টার ভিত্তি গড়ে তোলে বলে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
হেনরি ফেয়ল প্রদত্ত এই নীতি অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও একতা বজায় থাকলে দলগত মনোবল বৃদ্ধি পায়। এর ফলে অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও দ্বন্দ্ব হ্রাস পায় এবং কর্মীরা অভিন্ন লক্ষ্য অর্জনে যৌথভাবে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা নিয়োজিত করতে উৎসাহিত হয়, যা প্রাতিষ্ঠানিক সাফল্য নিশ্চিত করে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লিখিত ছকটি হেনরি ফেয়লের ‘জোড়ামই শিকল নীতি’র (Scalar Chain Principle) সাথে মিল রয়েছে।
প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নির্বাহী থেকে শুরু করে সর্বনিম্ন স্তর পর্যন্ত কর্তৃত্ব ও যোগাযোগের যে অবিচ্ছিন্ন ও ক্রমানুযায়ী ধারা বজায় থাকে, তাকে জোড়ামই শিকল নীতি বলে। এ নীতি অনুযায়ী কোনো আদেশ ওপর থেকে নিচে ধাপে ধাপে নেমে আসে এবং আবেদন বা প্রতিবেদন নিচ থেকে উপরে ধাপে ধাপে পৌঁছায়।
উদ্দীপকের ছকে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানের শীর্ষে রয়েছে 'পরিচালনা পর্ষদ', তার নিচে 'মহাব্যবস্থাপক', এরপর 'সুপারভাইজার' এবং সর্বনিম্নে 'কর্মীবৃন্দ'। ওপর থেকে নিচের দিকে তীরচিহ্ন দ্বারা আদেশ ও কর্তৃত্বের প্রবাহ এবং নিচ থেকে ওপরের দিকে তীরচিহ্ন দ্বারা জবাবদিহিতা ও যোগাযোগের অবিচ্ছিন্ন শিকল নির্দেশ করা হয়েছে। কোনো স্তর বাদ দিয়ে সরাসরি যোগাযোগ না করে পর্যায়ক্রমিক ধারা অনুসরণ করার এই চিত্রটি হেনরি ফেয়লের জোড়ামই শিকল নীতির নিখুঁত প্রতিফলন।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
হ্যাঁ, আমি মনে করি সুষ্ঠুভাবে কার্যপরিচালনা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণে হেনরি ফেয়লের জোড়ামই শিকল নীতিটি অত্যন্ত যথার্থ।
জোড়ামই শিকল নীতিতে কর্তৃত্ব ও দায়িত্বের সুস্পষ্ট বিন্যাস থাকে, ফলে প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি ব্যক্তি জানেন তিনি কার কাছ থেকে আদেশ গ্রহণ করবেন এবং কার কাছে জবাবদিহি করবেন। এর ফলে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় থাকে এবং দায়িত্ব এড়ানোর সুযোগ থাকে না।
উদ্দীপকের ছকে পরিচালনা পর্ষদ থেকে শুরু করে মহাব্যবস্থাপক, সুপারভাইজার হয়ে কর্মীবৃন্দ পর্যন্ত কর্তৃত্বের নিম্নমুখী প্রবাহ এবং কর্মীদের পক্ষ থেকে ক্রমান্বয়ে ঊর্ধ্বমুখী যোগাযোগের সুস্পষ্ট পথ নির্দেশ করা হয়েছে। এই কাঠামো অনুসরণের কারণে প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয়, কারণ আদেশের ঐক্য বজায় থাকে এবং কাজের দ্বৈততা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয় না।
একইভাবে, যেকোনো কাজের অগ্রগতি, সমস্যা বা প্রতিবেদন নিচ থেকে ধাপে ধাপে ঊর্ধ্বতনদের কাছে পৌঁছায়। সুপারভাইজার কর্মীদের কাজের তদারকি করে মহাব্যবস্থাপকের কাছে এবং মহাব্যবস্থাপক পরিচালনা পর্ষদের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকেন। ফলে প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয় এবং প্রতিটি স্তরে দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধি পায়।
অতএব, উদ্দীপকের আলোকে বলা যায় যে, সাংগঠনিক কার্যক্রমে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, সঠিক যোগাযোগ স্থাপন এবং জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার জন্য জোড়ামই শিকল নীতিটি নিঃসন্দেহে অত্যন্ত কার্যকর ও যথার্থ।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও