‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০২২

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

'M' একটি ভাইরাস জনিত রোগ। এ রোগ হলে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধীরে ধীরে হ্রাস পায়। বায়ু, খাবার, মূত্র, ঘাম কিংবা বমির মাধ্যমে এ রোগ সংক্রমিত হয় না।

  1. ক)

    প্রতিবন্ধী কারা?

    (1)
  2. খ)

    জলবায়ু পরিবর্তন বলতে কী বোঝ?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে কোন রোগটিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে বর্ণিত রোগের বিস্তার রোধে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে? বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    জন্মগতভাবে, কোনো রোগ বা দুর্ঘটনার কারণে শারীরিকভাবে বা মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ফলে যাদের স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হয়, তাদের প্রতিবন্ধী বলা হয়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    জলবায়ু পরিবর্তন বলতে কোনো অঞ্চল বা সামগ্রিকভাবে পৃথিবীর আবহাওয়ার দীর্ঘমেয়াদী (সাধারণত ৩০-৩৫ বছর বা তার বেশি সময় ধরে) উপাদানগুলোর (যেমন: তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত, বায়ুর আর্দ্রতা ইত্যাদির) উল্লেখযোগ্য ও স্থায়ী পরিবর্তনকে বোঝায়। প্রাকৃতিক কারণের পাশাপাশি শিল্পায়ন, বন উজাড় এবং জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহারের ফলে গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ বৃদ্ধি জলবায়ু পরিবর্তনের মূল কারণ।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত রোগটি হলো এইডস (AIDS - Acquired Immune Deficiency Syndrome)।

    এটি এইচআইভি (HIV - Human Immunodeficiency Virus) নামক ভাইরাসের সংক্রমণে হয়ে থাকে। উদ্দীপকে উল্লেখ রয়েছে যে, এটি ভাইরাসজনিত রোগ এবং আক্রান্ত ব্যক্তির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধীরে ধীরে ধ্বংস করে ফেলে। এইচআইভি শরীরের শ্বেত রক্তকণিকাকে ধ্বংস করে মানবদেহের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল করে দেয়। ফলে আক্রান্ত ব্যক্তি নানা সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হয়ে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ধাবিত হয়। উদ্দীপকের তথ্যানুযায়ী, এই রোগটি বাতাস, স্পর্শ, খাবার বা সাধারণ সংস্পর্শে ছড়ায় না, যা এইডসের বৈশিষ্ট্যের সাথে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে বর্ণিত রোগটি হলো এইডস (AIDS)। এইডস একটি মরণব্যাধি হলেও সচেতনতা ও নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের মাধ্যমে এর বিস্তার রোধ করা সম্ভব। এইডসের বিস্তার রোধে গৃহীত পদক্ষেপসমূহ নিচে বিশ্লেষণ করা হলো:

    ১. ধর্মীয় ও সামাজিক অনুশাসন মেনে চলা: অনৈতিক ও অনিরাপদ শারীরিক সম্পর্ক পরিহার করে ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ অনুযায়ী সংযত জীবনযাপন করা।
    ২. নিরাপদ রক্ত সঞ্চালন: শরীরে রক্ত বা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গ্রহণের পূর্বে তা এইচআইভিমুক্ত কি না তা নিশ্চিত করে স্ক্রিনিং করা।
    ৩. নতুন ও জীবাণুমুক্ত সুঁই/সিরিঞ্জ ব্যবহার: ইনজেকশন বা চিকিৎসার ক্ষেত্রে একবার ব্যবহারযোগ্য ডিসপোজেবল সিরিঞ্জ ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং মাদকসেবীদের মাধ্যমে যৌথভাবে সুঁই ব্যবহারের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করা।
    ৪. সচেতনতা বৃদ্ধি: এইডস কীভাবে ছড়ায় এবং কীভাবে ছড়ায় না—এ বিষয়ে ব্যাপক গণসচেতনতা তৈরি করা। গণমাধ্যম, পাঠ্যবই এবং তৃণমূল পর্যায়ে সচেতনতামূলক প্রচারণা জোরদার করা।
    ৫. মায়ের মাধ্যমে সংক্রমণ রোধ: গর্ভবতী মায়ের এইচআইভি থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে নবজাতককে সংক্রমণমুক্ত রাখা।

    পরিশেষে বলা যায়, সার্বিক জনসচেতনতা, স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন এবং নৈতিক মূল্যবোধের চর্চাই এইডসের সংক্রমণ ও বিস্তার কার্যকরভাবে রোধ করতে পারে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন