‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০২৩

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

আবুল কালাম একজন প্রজ্ঞাবান ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন রাজনীতিবিদ ছিলেন। তিনি ছিলেন নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতিতে বিশ্বাসী এবং গণতন্ত্রের প্রশ্নে আপোষহীন। তিনি অবিভক্ত বাংলার স্বপ্ন দেখতেন।

  1. ক)

    বঙ্গভঙ্গ কী?

    (1)
  2. খ)

    ফরায়েজী আন্দোলন বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে বর্ণিত ব্যক্তিত্ব ছিলেন 'গণতন্ত্রের মানসপুত্র'- বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ১৯০৫ সালে লর্ড কার্জন কর্তৃক প্রশাসনিক সুবিধার্থে বাংলা প্রেসিডেন্সিকে বিভক্ত করে 'পূর্ববঙ্গ ও আসাম' এবং 'পশ্চিমবঙ্গ' নামে দুটি পৃথক প্রদেশ গঠনের পদক্ষেপকে বঙ্গভঙ্গ বলা হয়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ফরায়েজী আন্দোলন হলো উনিশ শতকের প্রথমার্ধে বাংলায় হাজী শরীয়তুল্লাহ কর্তৃক সূচিত একটি ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কার আন্দোলন। এ আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল ইসলাম ধর্মে প্রবেশ করা অনৈসলামিক কুসংস্কার দূর করে মুসলমানদেরকে ইসলামের অবশ্য পালনীয় কর্তব্যসমূহ (ফরজ) পালনে উদ্বুদ্ধ করা এবং নীলকর ও জমিদারদের শোষণ থেকে কৃষকদের রক্ষা করা।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের সাথে আমার পঠিত প্রখ্যাত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সাদৃশ্য রয়েছে।

    উদ্দীপকে উল্লিখিত আবুল কালাম যেমন ছিলেন প্রজ্ঞাবান, দূরদৃষ্টিসম্পন্ন, নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতিতে বিশ্বাসী, গণতন্ত্রের প্রশ্নে আপোষহীন এবং অবিভক্ত বাংলার স্বপ্নদ্রষ্টা, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর রাজনৈতিক জীবনের বৈশিষ্ট্যও ছিল অবিকল অনুরূপ।

    হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী সারাজীবন নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতি ও সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করে গেছেন। তিনি ১৯৪৭ সালে দেশভাগের প্রাক্কালে শরৎচন্দ্র বসুর সাথে মিলে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম অখণ্ড 'অবিভক্ত বাংলা' গঠনের প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন। গণতন্ত্রের প্রতি তাঁর অবিচল নিষ্ঠার জন্যই উদ্দীপকের চরিত্রের সাথে সোহরাওয়ার্দীর স্পষ্ট সাদৃশ্য দৃশ্যমান।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে বর্ণিত ব্যক্তিত্ব অর্থাৎ হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে যথার্থই 'গণতন্ত্রের মানসপুত্র' অভিধায় ভূষিত করা হয়।

    সোহরাওয়ার্দী তাঁর সমগ্র রাজনৈতিক জীবনে স্বৈরতন্ত্র ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে লড়াই করেছেন। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতেন যে জনগণের অধিকার ও সমতার একমাত্র পথ হলো সুস্থ সংসদীয় গণতন্ত্র।

    পাকিস্তান সৃষ্টির পর তিনি শাসকগোষ্ঠীর অগণতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন এবং বিরোধী দল গঠনের মাধ্যমে দেশে ভারসাম্যপূর্ণ বহুদলীয় গণতন্ত্রের ভিত গড়ে তোলেন। তিনি ১৯৪৯ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট গঠন ও নির্বাচনে ঐতিহাসিক বিজয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। এমনকি বৈরী রাজনৈতিক পরিবেশেও তিনি আইনের শাসন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং সাধারণ মানুষের মৌলিক মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে কখনো আপস করেননি।

    গণতন্ত্রের প্রতি এই অটল নিষ্ঠা, নিয়মতান্ত্রিক সংগ্রাম এবং জনগণের ক্ষমতায়নের অবিরাম প্রচেষ্টার কারণেই রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ইতিহাসবিদগণ তাঁকে 'গণতন্ত্রের মানসপুত্র' আখ্যা দিয়েছেন।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন