বাংলা ২য় পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২৬
বাংলা ২য় পত্র প্রশ্ন
2.1.
মনে করো, তুমি মাসুদ/মাসুদা। ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণের অভিজ্ঞতা জানিয়ে তোমার কুমিল্লার বন্ধু জারিফ/জোবায়দাকে একখানা চিঠি লেখো।
2.2.
মনে করো, তুমি আরাফ/আরিফা। সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিকারের দাবি জানিয়ে পত্রিকায় প্রকাশের উপযোগী একখানা চিঠি লেখো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
২.১ ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণের অভিজ্ঞতা জানিয়ে বন্ধুকে পত্র
তারিখ: ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬
প্রিয় জারিফ,
আমার ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা নিয়ো। আশা করি সৃষ্টিকর্তার কৃপায় ভালোই আছ। অনেক দিন তোমার চিঠি পাই না, তাই লিখতে বসলাম। সম্প্রতি আমি একটি ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ করেছি। সেই অভিজ্ঞতার কথা তোমাকে জানাতেই এ চিঠি।
গত মাসে আমি বগুড়ার মহাস্থানগড় ভ্রমণ করেছি। এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম প্রত্নস্থানগুলোর একটি। প্রাচীন কালে এ স্থান পুণ্ড্রনগর নামে পরিচিত ছিল এবং এটি করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত। এখানে প্রাচীন দুর্গনগরীর ধ্বংসাবশেষ, মাটির উঁচু প্রাচীর, গোবিন্দ ভিটা, বেহুলার বাসরঘর ও শাহ সুলতান বলখীর মাজার দেখেছি। পাশের যাদুঘরে খননে পাওয়া প্রাচীন মুদ্রা, মূর্তি ও পোড়ামাটির ফলক সংরক্ষিত আছে। এসব দেখে আমাদের গৌরবময় অতীত সম্পর্কে জানতে পেরেছি এবং অনেক অনুপ্রেরণা পেয়েছি।
আমার মনে হয় এ ধরনের স্থান ভ্রমণ আমাদের জ্ঞান ও দেশপ্রেম বাড়ায়। সুযোগ পেলে তুমিও এখানে ঘুরে যেয়ো। বাড়ির সবাইকে আমার সালাম ও শ্রদ্ধা জানাবে। ছোটদের জন্য রইল স্নেহ ও ভালোবাসা। ভালো থেকো, চিঠি দিয়ো।
ইতি,
তোমার বন্ধু
মাসুদ
খামের ওপর ঠিকানা:
প্রাপক: জারিফ
কুমিল্লা
প্রেরক: মাসুদ
ঢাকা
২.২ পত্রিকায় প্রকাশের উপযোগী চিঠি
সম্পাদক সমীপে চিঠি
তারিখ: ৫ এপ্রিল, ২০২৬
বরাবর,
সম্পাদক
দৈনিক প্রথম আলো
কারওয়ান বাজার, ঢাকা।
বিষয়: সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিকারের দাবি।
জনাব,
আপনার বহুল প্রচারিত পত্রিকায় নিম্নলিখিত চিঠিটি প্রকাশ করে জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে বাধিত হব।
সড়ক দুর্ঘটনা: প্রতিকার চাই
আমাদের দেশে সড়ক দুর্ঘটনা দিন দিন বেড়েই চলেছে। প্রতিদিন পত্রিকা খুললেই দেখা যায় বাস, ট্রাক বা মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় বহু মানুষ মারা গেছে বা পঙ্গু হয়েছে। এতে অনেক পরিবার সর্বস্বান্ত হচ্ছে।
সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হলো বেপরোয়া গাড়ি চালানো, অদক্ষ ও লাইসেন্সবিহীন চালক, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, ট্রাফিক আইন না মানা এবং ভাঙা রাস্তাঘাট। মহাসড়কে ধীরগতির যানের অবাধ চলাচল এবং পথচারীদের অসচেতনতাও দুর্ঘটনা বাড়াচ্ছে।
এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য আমি কিছু প্রস্তাব তুলে ধরছি:
১. চালকদের কঠোর প্রশিক্ষণ ও যথাযথ লাইসেন্স প্রদান নিশ্চিত করা;
২. ফিটনেসবিহীন গাড়ি রাস্তায় চলাচল বন্ধ করা;
৩. ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করা;
৪. রাস্তাঘাট নিয়মিত সংস্কার ও সাইনবোর্ড স্থাপন করা;
৫. পথচারীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রচার চালানো।
আশা করি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।
বিনীত
আরাফ
ঢাকা।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও