বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২৫
বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা প্রশ্ন
দৃশ্য-১: ফারহানা তার মামার সাথে একটি প্রাচীন দ্রব্যাদির সংগ্রহশালায় গিয়ে চিঠিপত্র, দলিল ও বই ইত্যাদি দেখে খুব আনন্তি হয়েছিল।দৃণ্য-২: মিম ময়মনসিংছের একটি জমিদারবাড়ি পরিদর্শন করতে গিয়ে সেখানে বিভিন্ন ধরনের প্রাচীন আসবাবপত্র ও মুদ্রা দেখতে পায় এবং সেগুলো দেখে খুব খুশি হয়।
- ক)(1)
আধুনিক ইতিহাসের জনক কে?
- খ)(2)
ইতিহাসকে শিক্ষণীয় দর্শন বলা হয় কেন?
- গ)(3)
দৃশ্য-১ এ ফারহানার দেখা উপাদানগুলো ইতিহাসের কোন ধরনের উপাদান? ব্যাথ্যা করো।
- ঘ)(4)
তুমি কি মনে কর, দৃশ্য-২ এ মিমের দেখা উপাদানগুলো পূর্ণাজা ইতিহাস রচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে? বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
আধুনিক ইতিহাসের জনক জার্মান ঐতিহাসিক লিওপোল্ড ফন র্যাঙ্কে (Leopold von Ranke)।
- খ)
ইতিহাস অতীতের সাফল্য ও ব্যর্থতার কাহিনি আমাদের সামনে তুলে ধরে, যেন আয়নায় অতীতকে দেখা যায়। মানুষ অতীতের ভুলগুলো থেকে সতর্ক হতে এবং সফল ঘটনা থেকে অনুপ্রেরণা নিতে শেখে। এভাবে ইতিহাস বর্তমানে চলার পথ দেখায় ও ভবিষ্যৎ গড়তে সাহায্য করে। তাই ইতিহাসকে শিক্ষণীয় দর্পণ বা দর্শন বলা হয়।
- গ)
দৃশ্য-১-এ ফারহানার দেখা চিঠিপত্র, দলিল ও বই ইতিহাসের লিখিত উপাদান।
লিখিত উপাদান বলতে বোঝায় যা লিখিত আকারে পাওয়া যায়, যেমন সাহিত্য, চিঠিপত্র, দলিল, জীবনী ও পর্যটকদের বিবরণ। এসব থেকে তৎকালীন মানুষের চিন্তা, সমাজ, রাজনীতি ও শাসনব্যবস্থার তথ্য পাওয়া যায়। সংগ্রহশালায় ফারহানার দেখা বস্তুগুলো সেই ধরনের উপাদান।
- ঘ)
হ্যাঁ, দৃশ্য-২-এ মিমের দেখা প্রাচীন আসবাবপত্র ও মুদ্রা পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস রচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
১. এগুলো প্রত্নতাত্ত্বিক বা বস্তুগত উপাদান। মুদ্রা থেকে শাসকের নাম, সময়কাল, অর্থনীতি ও বাণিজ্যের তথ্য পাওয়া যায়।
২. আসবাবপত্র থেকে তৎকালীন মানুষের জীবনযাত্রা, রুচি ও শিল্পকলা জানা যায়।
৩. এসব উপাদান সরাসরি অতীতের সাক্ষী, তাই পক্ষপাতমুক্ত। লিখিত উপাদান নেই এমন যুগের ইতিহাস রচনায় এগুলোই প্রধান ভরসা।তবে এককভাবে এগুলো যথেষ্ট নয়। লিখিত উপাদান ও ঐতিহ্যের সঙ্গে মিলিয়েই পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস রচিত হয়।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও