ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০১৯

ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র প্রশ্ন

অনুন্নত দেশের শহরগুলোতে উচ্চস্বরে গাড়ীর বিরক্তিকর হর্ন বাজানোর ফলে প্রায়ই শিশুদের শ্রবণশক্তির সমস্যা দেখা দিচ্ছে। তাছাড়া এ কারণে অনেক রোগীকে আরও বেশি অসুস্থ হতে দেখা যায়। এ অবস্থা থেকে মুক্তির জন্য সরকারি আইন থাকলেও সেগুলোর যথাযথ বাস্তবায়ন নেই ।

  1. ক)

    ট্রেডমার্ক কী?

    (1)
  2. খ)

    আইএসও বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে কোন সমস্যার কারণে শব্দ দূষণ কমছে না - ব্যাখ্যা করো ।

    (3)
  4. ঘ)

    "আইনের সঠক প্রয়োগ থাকলেই শব্দ দূষণ কমবে"- তুমি কি একমত? মতামত দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ট্রেডমার্ক হলো কোনো ব্যবসায়ী বা প্রতিষ্ঠানের পণ্য বা সেবাকে অন্যের পণ্য বা সেবা থেকে পৃথক করার জন্য ব্যবহৃত একটি স্বতন্ত্র প্রতীক, নাম, চিহ্ন বা নকশা যা আইনগতভাবে নিবন্ধিত।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    আইএসও (ISO - International Organization for Standardization) বলতে একটি আন্তর্জাতিক মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থাকে বোঝায়। এটি বিশ্বব্যাপী শিল্পজাত পণ্য, প্রক্রিয়া এবং সেবা সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক মান নির্ধারণ করে, যাতে বিভিন্ন দেশের মধ্যে বাণিজ্যে পণ্যের গুণগত মান, নিরাপত্তা ও নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন ও প্রয়োগের অভাবজনিত সমস্যার কারণে শব্দদূষণ কমছে না।

    যেকোনো আইন প্রণয়ন করাই যথেষ্ট নয়; সমাজের শান্তি ও পরিবেশগত শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য তার সুষ্ঠু ও কঠোর প্রয়োগ অপরিহার্য। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার শিথিলতা, নজরদারির অভাব এবং শাস্তির নিশ্চয়তা না থাকলে জনসাধারণ বা চালকরা আইন অমান্য করতে প্রলুব্ধ হয়।

    উদ্দীপকে দেখা যায়, অনুন্নত দেশের শহরগুলোতে অযথা ও উচ্চস্বরে গাড়ির হর্ন বাজানোয় শিশুদের শ্রবণশক্তি হ্রাস পাচ্ছে এবং রোগীরা মারাত্মক ক্ষতির শিকার হচ্ছে। এ অবস্থা প্রতিকারের জন্য রাষ্ট্রীয় আইন বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও তার 'যথাযথ বাস্তবায়ন নেই'। সুতরাং আইন প্রয়োগের দুর্বলতা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপের অভাবেই শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    আমি এ বক্তব্যের সাথে সম্পূর্ণ একমত নই; কারণ আইনের সঠিক প্রয়োগের পাশাপাশি জনসচেতনতা, মানসিকতার পরিবর্তন ও সামাজিক দায়বদ্ধতা না থাকলে কেবল আইনের প্রয়োগ দিয়ে শব্দদূষণ পুরোপুরি দূর করা সম্ভব নয়।

    শব্দদূষণ রোধে ট্রাফিক আইনের সঠিক প্রয়োগ ও জরিমানা বা শাস্তির ব্যবস্থা চালকদের অপ্রয়োজনে উচ্চশব্দে হর্ন বাজানো থেকে বিরত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আইনের কঠোর বাস্তবায়ন একটি বড় প্রতিবন্ধক হিসেবে কাজ করে যা সাময়িকভাবে বা বাহ্যিকভাবে শৃঙ্খলা আনতে পারে।

    তবে স্থায়ীভাবে শব্দদূষণ রোধ করতে হলে জনগণের মধ্যে নৈতিকতা ও সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলা প্রয়োজন। চালকদের পেশাগত প্রশিক্ষণ, হর্নের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জ্ঞান এবং নাগরিক দায়িত্ববোধ বৃদ্ধি না পেলে আইনের চোখ ফাঁকি দিয়ে নিয়ম ভাঙার প্রবণতা থেকেই যাবে। উন্নত শব্দহীন হর্ন প্রযুক্তি ব্যবহার এবং শব্দ নিয়ন্ত্রণ বিধি মেনে চলার মানসিকতাই কেবল শব্দদূষণ স্থায়ীভাবে কমাতে পারে।

    অতএব, শব্দদূষণ রোধে আইনের সঠিক প্রয়োগ অত্যন্ত জরুরি হলেও একমাত্র প্রয়োগই যথেষ্ট নয়; এর সাথে সর্বস্তরের জনসচেতনতা ও চালকদের দায়িত্বশীল আচরণের সমন্বয় ঘটলেই কার্যকরভাবে শব্দদূষণ দূর করা সম্ভব।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন