‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০১৭

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

ফারজানা আক্তার গুরুত্বপূর্ণ একটি সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত আছেন। তিনি জাতীয় স্বার্থের অভিভাবক। মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে ৬৫ বছর পর্যন্ত তিনি তাঁর পদে বহাল থাকবেন।

  1. ক)

    বিশেষ চাহিদার জনগোষ্ঠী কারা?

    (1)
  2. খ)

    দুর্নীতি দমন কমিশন বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    ফারজানা আক্তার কোন ধরনের সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ পদের সঠিক দায়িত্ব পালনের ফলে সরকারি অর্থের সদ্ব্যবহার নিশ্চিত হবে — বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যাঁরা শারীরিক, মানসিক, বুদ্ধিভিত্তিক বা সামাজিক পার্থক্যের কারণে সাধারণ মানুষদের মতো স্বাভাবিক জীবনযাপনে বাধার সম্মুখীন হন এবং যাঁদের বিশেষ যত্ন ও সহায়তার প্রয়োজন হয়, তাঁদের বিশেষ চাহিদার জনগোষ্ঠী বলা হয়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) হলো বাংলাদেশে দুর্নীতি প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৪ সালে গঠিত একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও স্বায়ত্তশাসিত সাংবিধানিক/আইনগত প্রতিষ্ঠান। সরকারি ও বেসরকারি খাতের দুর্নীতি উদঘাটন, তদন্ত ও অপরাধীদের আইনের আওতায় আনাই এ কমিশনের প্রধান কাজ।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ফারজানা আক্তার বাংলাদেশের সংবিধান স্বীকৃত 'মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক' (Comptroller and Auditor General বা CAG) পদে অধিষ্ঠিত।

    বাংলাদেশের সংবিধানের ১২৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি একজন মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক নিয়োগ দেন। সংবিধানের ১২৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তিনি প্রজাতন্ত্রের সরকারি হিসাব নিরীক্ষা করেন। সংবিধান অনুযায়ী তিনি ৬৫ বছর বয়স পর্যন্ত তাঁর পদে বহাল থাকেন এবং তিনি জাতীয় অর্থের বা স্বার্থের প্রধান অভিভাবক বা প্রহরী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। উদ্দীপকে ফারজানা আক্তারের পদটির কার্যকাল ও রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে নিয়োগের বৈশিষ্ট্যের সাথে সংবিধানের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক পদের পূর্ণ সাদৃশ্য রয়েছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে বর্ণিত মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি) পদের যথাযথ দায়িত্ব পালনের ফলেই সরকারি অর্থের অপচয় রোধ ও সঠিক সদ্ব্যবহার নিশ্চিত হয়— উক্তিটি যথার্থ।

    মহা হিসাব-নিরীক্ষক প্রজাতন্ত্রের সরকারি হিসাব এবং সকল আদালত, কর্তৃপক্ষ ও কর্মকর্তার হিসাব নিরীক্ষা করেন ও এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রণয়ন করেন। তিনি রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে সংসদে এই অডিট রিপোর্ট পেশ করেন, যা পরে সরকারি হিসাব সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির মাধ্যমে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়।

    সিএজি স্বাধীনভাবে সরকারি ব্যয়ের স্বচ্ছতা, আইনের যথাযথ প্রয়োগ এবং অর্থের অপচয় হয়েছে কি না তা পর্যবেক্ষণ করেন। এর ফলে প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও মন্ত্রণালয়গুলো অর্থনৈতিক নিয়মনীতি মেনে চলতে বাধ্য হয় এবং দুর্নীতি হ্রাস পায়। তাই সিএজি তাঁর দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলে সরকারি অর্থের কার্যকর ও সুষ্ঠু সদ্ব্যবহার নিশ্চিত হয়।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন