বাংলা ১ম পত্র • Mymensingh Board • ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৬
বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন
দুর্ঘটনায় দৃষ্টিশক্তি হারালেও নিজাম দমে যাননি। মা-বাবা তাঁকে দৃষ্টিহীনদের স্কুলে ভর্তি করিয়ে দেন। তাঁর অদম্য চেষ্টা আর পরিবারের ঐকান্তিক সহযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা শেষ করে তিনি এখন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক।
- ক)(1)
শুভার গ্রামের নাম কী?
- খ)(2)
"কিন্তু বেদনা কি কেহ কখনো ভোলে?"—কথাটি ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকের নিজামকে কোন দিক দিয়ে 'শুভা' গল্পের শুভার সাথে মেলানো যায়? বুঝিয়ে লেখো।
- ঘ)(4)
"শুভা যদি উদ্দীপকের নিজামের মতো সমর্থন পেতো, তাহলে তার জীবনও নিজামের জীবনের মতো হতে পারতো"—মন্তব্যটির পক্ষে তোমার যুক্তি তুলে ধরো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
শুভা (সুভা)-র গ্রামের নাম চণ্ডীপুর।
- খ)
কথাটির অর্থ, মানুষ তার গভীর কষ্ট ও বেদনা সহজে ভুলতে পারে না।
সুভা বাকপ্রতিবন্ধী হওয়ায় সারা জীবন অবহেলা, অসহায়তা ও মনের কষ্ট বয়ে বেড়িয়েছে। সময় বা পরিস্থিতি বদলালেও সেই বেদনা মনে গেঁথে থাকে। তাই লেখক বুঝিয়েছেন যে বেদনার স্মৃতি মানুষের মন থেকে সহজে মুছে যায় না।
- গ)
নিজামকে শারীরিক প্রতিবন্ধিতার দিক দিয়ে শুভার সাথে মেলানো যায়।
উদ্দীপকে নিজাম দুর্ঘটনায় দৃষ্টিশক্তি হারান। শুভা জন্ম থেকেই বাকপ্রতিবন্ধী। দুজনেই শারীরিক প্রতিবন্ধিতার শিকার এবং এই কারণে জীবনে বাধার মুখোমুখি হয়েছেন। প্রতিবন্ধকতার এই সাদৃশ্যেই দুজনকে মেলানো যায়।
- ঘ)
মন্তব্যটি যথার্থ। শুভা নিজামের মতো সমর্থন পেলে তার জীবনও নিজামের মতো সার্থক হতে পারত।
১. পরিবারের সহযোগিতা: নিজামের মা-বাবা তাকে দৃষ্টিহীনদের স্কুলে ভর্তি করে সঠিক শিক্ষার সুযোগ দিয়েছেন। শুভার বাবা-মা তাকে তেমন সুযোগ না দিয়ে বোঝা মনে করেছেন।
২. শিক্ষা ও প্রতিষ্ঠা: শিক্ষা পেয়ে নিজাম বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত পড়েছেন এবং শিক্ষক হয়েছেন। শুভাও সুযোগ পেলে নিজের যোগ্যতা বিকশিত করতে পারত।
৩. আত্মবিশ্বাস: নিজামের অদম্য মনোবলের পেছনে পরিবারের সমর্থন ছিল। শুভা একই সমর্থন পেলে হীনম্মন্যতা কাটিয়ে আত্মবিশ্বাসী হতো।সুতরাং, সমর্থন পেলে শুভার জীবনও নিজামের মতো সফল হতে পারত।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও