পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০২২
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন
সাগরের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশ্ব ব্যাপক বিপর্যয়ের সম্মুখীন। গবেষকদের আশঙ্কা দ্বীপ রাষ্ট্র মালদ্বীপ এ কারণে এক সময় সমুদ্রে তলিয়ে যেতে পারে।
- ক)(1)
বাঁশের কেল্লা কে নির্মাণ করেন?
- খ)(2)
ফরায়েজি আন্দোলন বলতে কী বোঝো?
- গ)(3)
তোমার পঠিত কোন সমস্যার কারণে উদ্দীপকের এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকের বিরূপ পরিস্থিতির প্রভাব থেকে মুক্তির উপায় সমূহ বিশ্লেষণ কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
তিতুমীর (সৈয়দ মীর নিসার আলী) বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ফরায়েজি আন্দোলন হলো উনিশ শতকের প্রথমার্ধে হাজী শরীয়তুল্লাহ কর্তৃক পরিচালিত একটি ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কার আন্দোলন। 'ফরায়েজ' শব্দের অর্থ ইসলাম নির্দেশিত আবশ্যকীয় কর্তব্য বা ফরজ। হাজী শরীয়তুল্লাহ মুসলমানদের অনৈসলামিক কুসংস্কার ও বিদআত বর্জন করে ইসলামের মৌলিক ফরজ কাজগুলো যথাযথ পালনের আহ্বান জানান, যা ইতিহাসে ফরায়েজি আন্দোলন নামে পরিচিত।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
পঠিত জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে উদ্দীপকের পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাস বৃদ্ধির ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা বৈশ্বিক উষ্ণায়ন নামে পরিচিত। তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে মেরু অঞ্চলের বরফ গলে যাচ্ছে এবং তাপীয় প্রসারণের কারণে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে সাগরের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়ায় দ্বীপ রাষ্ট্র মালদ্বীপ সমুদ্রে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে। এই বিপর্যয় মূলত বৈশ্বিক উষ্ণায়ন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মারাত্মক প্রভাবের কারণেই সংঘটিত হচ্ছে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লিখিত জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণায়নের মতো বিরূপ পরিস্থিতির প্রভাব থেকে মুক্তির জন্য বৈশ্বিক ও জাতীয় পর্যায়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।
মুক্তির উপায়সমূহ নিচে বিশ্লেষণ করা হলো:
১. গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস: কয়লা, তেল ও গ্যাসের মতো জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমিয়ে নবায়নযোগ্য শক্তি (সৌর, বায়ু, জলবিদ্যুৎ) ব্যবহার বৃদ্ধি করতে হবে।
২. ব্যাপক বনায়ন: বন উজাড় বন্ধ করে নতুন বনাঞ্চল তৈরি করতে হবে, যা অতিরিক্ত কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখবে।
৩. আন্তর্জাতিক চুক্তির বাস্তবায়ন: প্যারিস জলবায়ু চুক্তির মতো আন্তর্জাতিক চুক্তিগুলোর শর্তাবলি শিল্পোন্নত দেশগুলোকে মেনে চলতে বাধ্য করা এবং ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে ক্লাইমেট ফান্ডের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ প্রদান করা।
৪. উপকূলীয় অবকাঠামো রক্ষা: উপকূলীয় বাঁধ নির্মাণ, সবুজ বেষ্টনী তৈরি এবং দুর্যোগ সহনশীল অবকাঠামো গড়ে তোলা।
৫. সচেতনতা বৃদ্ধি: পরিবেশ দূষণ রোধ ও জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা।অতএব, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে কার্বন নির্গমন কমালেই দ্বীপরাষ্ট্রসহ সমগ্র বিশ্ব এই বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেতে পারে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও