ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০১৫
ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র প্রশ্ন
জনি ও রনি কোম্পানির শেয়ার ক্রয় করেছিল। পাঁচ বছর পর কোম্পানি বন্ধ হয়ে যায়। জনি তার বিনিয়োগকৃত সব মূলধন ফেরত পায়। অন্যান্য শেয়ারহোল্ডাররা তাদের মূলধন ফেরত নেয়ার পর রনি তার ২ লক্ষ টাকার মধ্যে মাত্র ৫০ হাজার টাকা ফেরত পেয়েছে।
- ক)(1)
অবলেখক কে?
- খ)(2)
কার্যারম্ভের ছাড়পত্র বলতে কী বোঝ?
- গ)(3)
জনি কোন ধরনের শেয়ার ক্রয় করেছিল? বর্ণনা করো।
- ঘ)(4)
রনির শেয়ারের প্রকৃতি ব্যাখ্যা করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
কোম্পানির শেয়ার বা ঋণপত্র বিক্রির প্রাথমিক ঝুঁকি গ্রহণ করে তা বিক্রয়ের নিশ্চয়তা প্রদানকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে অবলেখক (Underwriter) বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিকে ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু করার জন্য নিবন্ধকের নিকট থেকে যে আনুষ্ঠানিক অনুমতিপত্র বা দলিল সংগ্রহ করতে হয়, তাকে কার্যারম্ভের অনুমতিপত্র বা ছাড়পত্র বলে।
প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি নিবন্ধনপত্র পেলেই কাজ শুরু করতে পারে, কিন্তু পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিকে ন্যূনতম মূলধন সংগ্রহ, শেয়ার বিক্রয়সহ নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ সাপেক্ষে এই ছাড়পত্র নিতে হয়। এই ছাড়পত্র ছাড়া পাবলিক কোম্পানি আইনত ব্যবসা শুরু করতে পারে না।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
জনি উদ্দীপকের কোম্পানির 'অগ্রাধিকার শেয়ার' (Preference Share) ক্রয় করেছিল।
যে শেয়ারের মালিকগণ নির্দিষ্ট হারে লভ্যাংশ প্রাপ্তি এবং কোম্পানি বিলোপসাধনকালে মূলধন ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের চেয়ে অগ্রাধিকার বা প্রথম সুবিধা পেয়ে থাকেন, তাকে অগ্রাধিকার শেয়ার বলে। কোম্পানি বন্ধ হয়ে গেলে ঋণদাতাদের পাওনা মেটানোর পর সাধারণ শেয়ারমালিকদের পূর্বে অগ্রাধিকার শেয়ারের অর্থ ফেরত দেওয়া হয়।
উদ্দীপকে দেখা যায়, কোম্পানিটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর জনি তার বিনিয়োগকৃত সমস্ত মূলধন ফেরত পেয়েছে। সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের চেয়ে মূলধন ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পেয়ে পূর্ণ মূলধন পাওয়ায় স্পষ্টতই প্রতীয়মান হয় যে, জনি অগ্রাধিকার শেয়ার ক্রয় করেছিল।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে রনির ক্রয়কৃত শেয়ারটি ছিল 'সাধারণ শেয়ার' (Ordinary/Common Share)। নিচে এর প্রকৃতি ব্যাখ্যা করা হলো:
সাধারণ শেয়ার হলো কোম্পানির প্রকৃত মালিকানার প্রতীক। এ ধরনের শেয়ারহোল্ডাররা ব্যবসায় পরিচালনায় ভোটদানের পূর্ণ ক্ষমতা ভোগ করেন। তবে তারা সর্বোচ্চ ঝুঁকি বহন করেন, কারণ কোম্পানির অবসায়নকালে ঋণপত্রধারী ও অগ্রাধিকারযুক্ত শেয়ারমালিকদের দাবি মেটানোর পর কোনো উদ্বৃত্ত অর্থ থাকলেই কেবল সাধারণ শেয়ারহোল্ডাররা তাদের মূলধন ফেরত পান। উদ্বৃত্ত না থাকলে বা কম থাকলে তাদেরকে আংশিক বা সম্পূর্ণ ক্ষতি স্বীকার করতে হয়।
উদ্দীপকে দেখা যায়, অন্যান্য সব শেয়ারহোল্ডাররা (অগ্রাধিকার শেয়ারহোল্ডাররা) তাদের মূলধন পূর্ণাঙ্গভাবে ফেরত পাওয়ার পর অবশিষ্ট অর্থ থেকে রনিকে ফেরত দেওয়া হয়েছে। যার কারণে রনি তার বিনিয়োগকৃত ২ লক্ষ টাকার মধ্যে মাত্র ৫০ হাজার টাকা ফেরত পেয়েছে এবং বাকি ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা লোকসান হিসেবে মেনে নিতে হয়েছে। সর্বশেষ দাবিদার হিসেবে মূলধন ফেরত পাওয়া এবং অবশিষ্ট ঝুঁকির সম্পূর্ণ অংশ বহন করা সাধারণ শেয়ারেরই মূল প্রকৃতি নির্দেশ করে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও