ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র • Chattogram Board • চট্টগ্রাম বোর্ড ২০১৫

ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র প্রশ্ন

নিচের চিত্রটি দেখে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:

  1. ক)

    টেলিকনফারেন্স কী?

    (1)
  2. খ)

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বলতে কী বুঝায়?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে চিত্রটি কোন ধরনের যোগাযোগ পদ্ধতি নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে বর্ণিত যোগাযোগ পদ্ধতিটি আন্তঃসম্পর্ক উন্নয়নে সহায়ক কিনা? বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন স্থানে অবস্থানরত ব্যক্তিবর্গের মধ্যে অনুষ্ঠিত সভাকে টেলিকনফারেন্স বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বলতে তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াLogicকরণ এবং আধুনিক ইলেকট্রনিক প্রযুক্তির (যেমন- কম্পিউটার, ইন্টারনেট, টেলিযোগাযোগ) সাহায্যে তা দ্রুত এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বিনিময় ও ব্যবহারের সামগ্রিক ব্যবস্থাকে বোঝায়।

    বর্তমান ব্যবসায়-বাণিজ্যে দ্রুত ও নির্ভুল সিদ্ধান্ত গ্রহণ, কার্যসম্পাদন এবং যোগাযোগের জন্য কম্পিউটার ও টেলিযোগাযোগের সমন্বিত এই প্রযুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের চিত্রটি 'বৃত্তাকার বা চক্র যোগাযোগ' (Circular/Ring Network) নির্দেশ করে, যা মূলত প্রতিষ্ঠানের সমমর্যাদাসম্পন্ন বিভাগীয় প্রধানদের মধ্যে সংঘটিত পার্শ্বিক বা সমান্তরাল যোগাযোগের একটি রূপ।

    যে যোগাযোগ ব্যবস্থায় তথ্যের প্রবাহ একটি নির্দিষ্ট চক্রের মাধ্যমে আবর্তিত হয় এবং দলের সদস্যরা বৃত্তাকারে তাদের পাশাপাশি থাকা সদস্যদের সাথেই কেবল তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে, তাকে বৃত্তাকার বা চক্র যোগাযোগ বলা হয়।

    উদ্দীপকের চিত্রে দেখা যায়—মানব সম্পদ ব্যবস্থাপক, অর্থ ব্যবস্থাপক, বিক্রয় ব্যবস্থাপক ও উৎপাদন ব্যবস্থাপক—সকলেই সমপর্যায়ের ব্যবস্থাপক। এখানে তথ্য মানব সম্পদ ব্যবস্থাপক থেকে অর্থ ব্যবস্থাপক, সেখান থেকে বিক্রয় ব্যবস্থাপক, বিক্রয় ব্যবস্থাপক থেকে উৎপাদন ব্যবস্থাপক এবং পরবর্তীতে পুনরায় মানব সম্পদ ব্যবস্থাপকের কাছে ধারাবাহিকভাবে একটি চক্রের মতো প্রবাহিত হচ্ছে। সমমর্যাদাসম্পন্ন কর্মকর্তাদের মধ্যে এভাবে তথ্য আদান-প্রদান চলায় এটি বৃত্তাকার যোগাযোগের স্পষ্ট প্রতিফলন।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে বর্ণিত চক্রাকার বা পার্শ্বিক যোগাযোগ পদ্ধতিটি প্রাতিষ্ঠানিক আন্তঃসম্পর্ক ও আন্তঃবিভাগীয় সমন্বয় উন্নয়নে অত্যন্ত সহায়ক—উক্তিটি যথার্থ।

    প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সমমর্যাদাসম্পন্ন বিভাগীয় প্রধানদের মধ্যে ভাবের আদান-প্রদান ও পারস্পরিক মতবিনিময় প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জনে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করে।

    উদ্দীপকে মানব সম্পদ, অর্থ, বিক্রয় ও উৎপাদন—এই চারটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের ব্যবস্থাপকদের মধ্যে একটি ধারাবাহিক পারস্পরিক যোগাযোগ দৃশ্যমান। এর ইতিবাচক দিকগুলো নিম্নরূপ:
    ১. পারস্পরিক বোঝাপড়া বৃদ্ধি: বিভিন্ন বিভাগের প্রধানরা একে অপরের কাজের অগ্রগতি ও সমস্যা সম্পর্কে অবহিত হতে পারেন, যা ভুল বোঝাবুঝি দূর করে।
    ২. সমন্বয় সাধন: আধুনিক ব্যবসায় এক বিভাগের সিদ্ধান্ত অন্য বিভাগকে সরাসরি প্রভাবিত করে। চক্রাকার যোগাযোগের ফলে উৎপাদন ও বিক্রয়ের সাথে অর্থ ও মানব সম্পদের চমৎকার সমন্বয় ঘটে।
    ৩. সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক: পদমর্যাদাগত কোনো বাধা না থাকায় খোলামেলা আলোচনার সুযোগ থাকে, যা কর্মকর্তাদের মধ্যে দলগত চেতনা ও আন্তঃসম্পর্ক জোরদার করে।

    সুতরাং বলা যায়, তথ্যের বিলম্বিত প্রবাহের সামান্য সীমাবদ্ধতা থাকলেও প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ বিভাগগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা ও আন্তঃসম্পর্ক উন্নয়নে এ ধরনের যোগাযোগ অত্যন্ত কার্যকর ও সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন