‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০১৭

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

কিউবার মহান বিপ্লবী নেতা ফিদেল কাস্ত্রো যাকে দেখে বলেছিলেন "আমি আপনাকে দেখেছি আমার আর হিমালয় পর্বত দেখার দরকার নেই" যার ডাকে লক্ষ লক্ষ লোক জীবন দিয়েছিল স্বাধীনতা অর্জনের জন্য। যিনি আমৃত্যু দেশের মানুষকে ভালোবেসেছিলেন।

  1. ক)

    ফরায়েজী আন্দোলন কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে গণতন্ত্রের মানসপুত্র বলা হয় কেন?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে উল্লিখিত কোন নেতার প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে? ভাষা আন্দোলনে তার ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় উল্লিখিত নেতার ভূমিকাকে তুমি কীভাবে মূল্যায়ন করবে?

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    হাজী শরীয়তুল্লাহ কর্তৃক প্রবর্তিত ইসলাম ধর্মের ফরজ বা অবশ্য পালনীয় বিধিসমূহ পালনের ওপর জোর দিয়ে পরিচালিত ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কার আন্দোলনকে ফরায়েজী আন্দোলন বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী আজীবন নিয়মতান্ত্রিক ও গণতান্ত্রিক রাজনীতি চর্চা করেছেন। তিনি জনগণের মৌলিক অধিকার, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতার পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছিলেন। পাকিস্তানের সূচনালগ্ন থেকেই তিনি সামরিক ও স্বৈরতান্ত্রিক শাসনের বিরুদ্ধে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নেতৃত্ব দেন। গণতন্ত্রের বিকাশ ও সুরক্ষায় তাঁর অবিচল নিষ্ঠার জন্যই তাঁকে 'গণতন্ত্রের মানসপুত্র' বলা হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।

    ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর থেকেই উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে তিনি তীব্র প্রতিবাদ জানান। ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলে অনুষ্ঠিত সভায় তাঁর প্রস্তাবে গঠিত হয় 'সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ'। একই বছর ১১ মার্চ রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে সাধারণ ধর্মঘট পালনের সময় তিনি গ্রেফতার হন। ১৯৫২ সালে কারান্তরীণ থেকেও তিনি ভাষা আন্দোলনের গতি সচল রাখতে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন এবং বন্দি অবস্থায় রাজবন্দিদের মুক্তি ও রাষ্ট্রভাষার দাবিতে অনশন ধর্মঘট পালন করে আন্দোলনকে বেগবান করেছিলেন।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভূমিকা ছিল কেন্দ্রীয় ও অবিসংবাদিত।

    ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকেই বাঙালির রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তির সংগ্রামে তিনি নেতৃত্ব দেন। ১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক ৬ দফা দাবি ছিল বাঙালির 'ম্যাগনাকার্টা' বা মুক্তির সনদ। এরপর ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭০-এর সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ঐতিহাসিক বিজয় তাঁর নেতৃত্বেই সম্ভব হয়।

    ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ তিনি রেসকোর্স ময়দানে ঐতিহাসিক ভাষণে বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার চূড়ান্ত লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত হতে উদাত্ত আহ্বান জানান। তাঁর সেই বজ্রঘোষণা, "এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম" জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে। ২৫শে মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আক্রমণ চালালে ২৬শে মার্চের প্রথম প্রহরে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। তাঁর এই নির্দেশনা ও নেতৃত্বে দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে অর্জিত হয় স্বাধীন বাংলাদেশ। অতএব, তাঁর সুযোগ্য নেতৃত্ব ছাড়া স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা সম্ভব হতো না।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন