ভূগোল ১ম পত্র • Combined Board • সমন্বিত বোর্ড ২০২৬ (অনিয়মিত)

ভূগোল ১ম পত্র প্রশ্ন

উদ্দীপকটি লক্ষ্য কর এবং নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:

  1. ক)

    আবহাওয়া কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    পর্বতের অবস্থান জলবায়ুকে কিভাবে প্রভাবিত করে? ব্যাখ্যা কর।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত 'ক' ভূমিরূপটির বর্ণনা দাও।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত 'খ' ভূমিরূপের গঠন প্রক্রিয়া বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কোনো নির্দিষ্ট স্থানের নির্দিষ্ট সময়ের (সাধারণত এক দিনের বা অল্প দিনের) বায়ুর উষ্ণতা, চাপ, আর্দ্রতা, বায়ুপ্রবাহ ও বৃষ্টিপাতের গড় অবস্থাকে আবহাওয়া বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    পর্বতের অবস্থান জলবায়ুকে প্রবলভাবে নিয়ন্ত্রণ করে। জলীয় বাষ্পপূর্ণ আর্দ্র বায়ু পর্বতে বাধা পেয়ে উপরে উঠে ঘনীভূত হয়ে পর্বতের প্রতিবাত ঢালে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায় (শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত), কিন্তু বিপরীত পাশের অনুবাদ ঢালে পৌঁছালে বৃষ্টিহীন বা বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চলের সৃষ্টি হয়। এছাড়াও পর্বত বাধা দিয়ে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বা উষ্ণ বায়ুকে নির্দিষ্ট অঞ্চলে প্রবেশ করতে দেয় না। যেমন—হিমালয় পর্বতমালা উত্তর দিকের সাইবেরীয় শীতল বাতাসকে আটকে দিয়ে ভারতীয় উপমহাদেশকে তীব্র শীতের হাত থেকে রক্ষা করে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের 'ক' চিত্রটিতে নদীর ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট 'V' আকৃতির উপত্যকাকে নির্দেশ করা হয়েছে।

    পর্বত অঞ্চলে নদীর ঊর্ধ্বগতিতে নদীর স্রোতের তীব্র বেগ ও ঢালের কারণে পার্শ্বক্ষয়ের তুলনায় নিম্নক্ষয় অনেক বেশি হয়। নদী তীব্র গতিতে শিলাখণ্ড নিয়ে তলদেশ ক্ষয় করতে থাকে, ফলে নদী উপত্যকা গভীর হতে শুরু করে। পরবর্তীতে বৃষ্টিপাত, ভূমিধস ও আবহবিকারের কারণে উপত্যকার উপরের অংশ ধীরে ধীরে ক্ষয়প্রাপ্ত ও প্রশস্ত হয়। এর ফলে উপত্যকাটি দেখতে ইংরেজি বর্ণ 'V'-এর মতো রূপ ধারণ করে। এটি নদীর ক্ষয়জাত অন্যতম প্রধান ভূমিরূপ।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের 'খ' চিত্রে নির্দেশিত ভূমিরূপটি হলো পর্বতের পাদদেশে সৃষ্ট 'পলল কোণ' বা 'পলল ব্যজনী'।

    গঠন প্রক্রিয়া:
    ১. ঢালের পরিবর্তন ও বেগ হ্রাস: নদী পার্বত্য প্রবাহ শেষ করে যখন সমভূমিতে প্রবেশ করে, তখন ভূমির ঢাল হঠাৎ কমে যায়। ফলে নদীর প্রবাহবেগ দ্রুত হ্রাস পায়।
    ২. পলল সঞ্চয়: বেগ কমে যাওয়ার কারণে নদী পার্বত্য অঞ্চল থেকে বয়ে আনা বড় শিলাখণ্ড, নুড়ি, পাথরকুচি, বালুকা ও পলি আর বহন করতে পারে না। সেগুলো পর্বতের পাদদেশীয় সমভূমিতে নদীর মুখে স্তূপাকারে সঞ্চিত হতে থাকে।
    ৩. রূপান্তর: এই সঞ্চিত পদার্থ অর্ধ-শঙ্কু আকৃতিতে বা ত্রিকোণাকারে জমে পলল কোণ গঠন করে। পলল কোণ যখন বিস্তীর্ণ সমতল অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে একটি হাতপাখার আকৃতি ধারণ করে, তখন তাকে পলল ব্যজনী বলে। এর উপর দিয়ে নদী একাধিক শাখায় বিভক্ত হয়ে আঁকাবাঁকা পথে প্রবাহিত হয়। এভাবেই নদীর সঞ্চয় প্রক্রিয়ায় এই ভূমিরূপ গঠিত হয়।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন