বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা • Mymensingh Board • ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৪

বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা প্রশ্ন

'ক' অঞ্চলের অধিবাসীগণ শিক্ষা-দীক্ষা অর্জন করে দেশের বিভিন্ন পর্যায়ে কাজ করতে চায়'। তাই তারা জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা ও উচ্চশিক্ষা অর্জন করতে আগ্রহী।'খ' অঞ্চলের অধিবাসীরা নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব সংঘাতেই ব্যস্ত থাকে। ফলে আশেপাশের অঞ্চলসমূহও তাদের ভয়ে ভীত থাকে। এ অঞ্চলের লোকজন প্রয়োজনে অন্য অঞ্চলের লোকজনের উপর হামলা করতেও ইতঃস্তুত করে না।

  1. ক)

    নোম' কী

    (1)
  2. খ)

    মিশরীয়দের অর্থনীতি কৃষির উপর নির্ভরশীল ছিল কেন? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে বর্ণিত 'খ' অঞ্চলের অধিবাসীদের মধ্যে গ্রিক সভ্যতার কোন নগর রাষ্ট্রের মিল রয়েছে- ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে বর্ণিত 'খ' অঞ্চলের চেয়ে 'ক' অঞ্চলের অধিবাসীরা জ্ঞান-বিজ্ঞান ও দর্শন চর্চায় এগিয়ে ছিল- বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    প্রাচীন মিশরে ছোট ছোট প্রশাসনিক অঞ্চল বা প্রদেশকে নোম বলা হতো।

  2. খ)

    মিশরের অর্থনীতি কৃষির ওপর নির্ভরশীল ছিল, কারণ দেশটির বেশির ভাগ অংশ মরুভূমি এবং বৃষ্টিপাত খুব কম। কিন্তু প্রতিবছর নীল নদের বন্যায় পলিমাটি জমে নদীর দুই তীর অত্যন্ত উর্বর হয়ে ওঠে। ফলে সেখানে গম, যব ও অন্যান্য ফসল ভালো ফলত। এই কারণে মিশরীয়দের প্রধান জীবিকা হয়ে ওঠে কৃষি।

  3. গ)

    উদ্দীপকের ‘খ’ অঞ্চলের অধিবাসীদের সাথে গ্রিক সভ্যতার স্পার্টা নগর রাষ্ট্রের মিল রয়েছে।

    ‘খ’ অঞ্চলের মানুষ নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্বে ব্যস্ত থাকে, আশেপাশের অঞ্চলগুলো তাদের ভয় পায় এবং তারা অন্যদের ওপর হামলা করতেও দ্বিধা করে না। স্পার্টা ছিল সামরিক শক্তিনির্ভর নগর রাষ্ট্র। স্পার্টানরা শৈশব থেকেই যুদ্ধবিদ্যা শিখত, তাদের শিক্ষা ও জীবনের মূল লক্ষ্য ছিল যুদ্ধ। তারা প্রতিবেশী রাষ্ট্রের ওপর আক্রমণ চালাত। এই বৈশিষ্ট্য ‘খ’ অঞ্চলের সাথে মেলে।

  4. ঘ)

    উদ্দীপকের ‘ক’ অঞ্চলের অধিবাসীরা শিক্ষা-দীক্ষা ও জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চায় আগ্রহী, যা গ্রিক সভ্যতার এথেন্সের সাথে মেলে। আর ‘খ’ অঞ্চল স্পার্টার মতো সামরিক ও সংঘাতপ্রিয়। আমি মনে করি ‘ক’ অঞ্চল জ্ঞান-বিজ্ঞান ও দর্শন চর্চায় এগিয়ে ছিল।

    ১. দর্শন চর্চা: এথেন্সে সক্রেটিস, প্লেটো ও অ্যারিস্টটলের মতো দার্শনিকরা জ্ঞানচর্চা করেছেন। স্পার্টায় এমন কোনো দার্শনিক জন্মায়নি।
    ২. শিক্ষাব্যবস্থা: এথেন্সে শিক্ষা ছিল সাহিত্য, সংগীত, গণিত ও দর্শননির্ভর, আর স্পার্টায় শিক্ষা ছিল কঠোর সামরিক প্রশিক্ষণ।
    ৩. সাহিত্য ও শিল্প: এথেন্সে নাটক, কবিতা, ইতিহাস ও স্থাপত্যের বিকাশ ঘটে।

    সুতরাং, ‘খ’ অঞ্চলের চেয়ে ‘ক’ অঞ্চলের অধিবাসীরা জ্ঞান-বিজ্ঞান ও দর্শন চর্চায় এগিয়ে ছিল।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন