জীববিজ্ঞান ১ম পত্র • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০২২

জীববিজ্ঞান ১ম পত্র প্রশ্ন

গ্লুকোজ P পাইরুভিক এসিড Q ইথানল/ ল্যাকটিক এসিড

  1. ক)

    ক্র্যাঞ্জ অ্যানাটমি বলতে কী বুঝ?

    (1)
  2. খ)

    'ATP' কে জৈবমুদ্রা বলা হয় কেন?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের 'P' প্রক্রিয়ার ধাপসমূহ ছক আকারে লেখো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের 'Q' প্রক্রিয়াটি বিভিন্ন শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে- বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    C4 উদ্ভিদের পাতার ভাস্কুলার বান্ডলকে ঘিরে বিশিষ্ট ক্লোরোপ্লাস্টযুক্ত বান্ডল সিথ কোষ এবং তার চারপাশের মেসোফিল কোষের বিশেষ বিন্যাস বা অ্যানাটমিকে ক্র্যাঞ্জ অ্যানাটমি (Kranz anatomy) বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ATP (অ্যাডেনোসিন ট্রাইফসফেট)-কে জৈবমুদ্রা বা এনার্জি কারেন্সি বলা হয়, কারণ কোষের যাবতীয় বিপাকীয় ও জৈবনিক কাজের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি ATP-তে রাসায়নিক বন্ধন শক্তি হিসেবে সঞ্চিত থাকে। প্রয়োজনে এর প্রান্তীয় ফসফেট বন্ধন ভেঙে শক্তি নির্গত হয়, যা দিয়ে জীবদেহের কাজ পরিচালিত হয়। অন্যান্য শক্তিও কোষের প্রয়োজনে ATP হিসেবে জমা থাকে বলে একে জৈবমুদ্রা বলা হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের 'P' প্রক্রিয়াটি হলো গ্লাইকোলাইসিস। নিচে এর ধারাবাহিক ধাপসমূহ ছক বা প্রবাহচিত্র আকারে দেখানো হলো:

    ১. গ্লুকোজ + ATP --(হেক্সোকাইনেজ)--> গ্লুকোজ ৬-ফসফেট + ADP
    ২. গ্লুকোজ ৬-ফসফেট <--(ফসফোগ্লুকো-আইসোমারেজ)--> ফ্রুক্টোজ ৬-ফসফেট
    ৩. ফ্রুক্টোজ ৬-ফসফেট + ATP --(ফসফোফ্রুক্টোকাইনেজ)--> ফ্রুক্টোজ ১,৬-বিসফসফেট + ADP
    ৪. ফ্রুক্টোজ ১,৬-বিসফসফেট <--(অ্যালডোলেজ)--> ৩-ফসফোগ্লিসারালডিহাইড + ডাইহাইড্রোক্সিঅ্যাসিটোন ফসফেট (উভয়টি আইসোমারেজ দ্বারা পরস্পর রূপান্তরযোগ্য)
    ৫. ৩-ফসফোগ্লিসারালডিহাইড + অজৈব ফসফেট + NAD+ <--(ডিহাইড্রোজিনেজ)--> ১,৩-বিসফসফোগ্লিসারেট + NADH + H+
    ৬. ১,৩-বিসফসফোগ্লিসারেট + ADP <--(ফসফোগ্লিসারেট কাইনেজ)--> ৩-ফসফোগ্লিসারেট + ATP
    ৭. ৩-ফসফোগ্লিসারেট <--(ফসফোগ্লিসারোমিউটেজ)--> ২-ফসফোগ্লিসারেট
    ৮. ২-ফসফোগ্লিসারেট <--(এনোলেজ)--> ফসফোএনলপাইরুভেট + H2O
    ৯. ফসফোএনলপাইরুভেট + ADP --(পাইরুভেট কাইনেজ)--> পাইরুভিক এসিড + ATP

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের 'Q' প্রক্রিয়াটি হলো অবাত শ্বসনের গাঁজন বা ফারমেন্টেশন (অ্যালকোহলীয় ও ল্যাকটিক এসিড গাঁজন)। বিভিন্ন শিল্পে এ প্রক্রিয়ার গুরুত্ব অপরিসীম:

    ১. অ্যালকোহল ও বেভারেজ শিল্প: ঈস্টের উপস্থিতিতে গ্লুকোজ বা ফল-শস্যের রস ফারমেন্টেশন প্রক্রিয়ায় জারিত হয়ে ইথাইল অ্যালকোহল তৈরি করে, যা পানীয় শিল্প এবং ডিস্টিলারিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
    ২. বেকারি শিল্প: বেকারি শিল্পে আটা বা ময়দার সাথে ঈস্ট মিশিয়ে গাঁজন ঘটানো হয়। এতে নির্গত CO2 গ্যাস পাউরুটি বা কেককে ফাঁপা ও নরম করে তোলে।
    ৩. দুগ্ধজাত খাদ্য শিল্প: ল্যাকটিক এসিড ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে দুধের ল্যাকটোজ চিনি ল্যাকটিক এসিডে পরিণত হয়, যা দিয়ে দই, পনির, মাখন ইত্যাদি তৈরি করা হয়।
    ৪. ভিনেগার ও সাইট্রিক এসিড শিল্প: ব্যাকটেরিয়ার সন্ধান প্রক্রিয়ায় ভিনেগার (অ্যাসিটিক এসিড) প্রস্তুত করা হয় যা আচার ও খাদ্য সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়।
    ৫. ঔষধ ও রাসায়নিক শিল্প: বিভিন্ন জৈব এসিড, অ্যান্টিবায়োটিক, এনজাইম এবং দ্রাবক তৈরিতে ফারমেন্টেশন প্রযুক্তি অপরিহার্য।

    সুতরাং, খাদ্য, পানীয় এবং ঔষধসহ নানা বাণিজ্যিক শিল্পে উদ্দীপকের 'Q' প্রক্রিয়াটির গুরুত্ব অপরিসীম।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন