ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০১৫
ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র প্রশ্ন
নাহিমা বেগম আঞ্চলিক কৃষি অফিস থেকে মৌ চাষের প্রশিক্ষণ নেন। তিনি ৫০,০০০ টাকা মূলধন সরবরাহ করে আধুনিক পদ্ধতিতে মৌ চাষ করে উৎপাদিত মধু 'শেফা মধু' নামে বাজারজাত করেন। গুণগত মান উন্নত হওয়ায় অল্পদিনেই তার 'শেফা মধু' জনপ্রিয়তা লাভ করে এবং তিনি প্রচুর মুনাফা অর্জন করেন। তা দেখে প্রতিবেশী রহিমা হুবহু নকল করে একই নামে মধু বাজারজাত করেন। ফলে নাহিমা বেগমের 'শেফা মধু' বিক্রি কমে যায় এবং সে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নাহিমা বেগম আইনের আশ্রয় নিয়েও কোনো প্রতিকার পেল না।
- ক)(1)
আত্মকর্মসংস্থান কী?
- খ)(2)
কপিরাইট বলতে কী বোঝ?
- গ)(3)
উদ্দীপকে বর্ণিত নাহিমা বেগম কী একজন উদ্যোক্তা? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
নাহিমা বেগমের আইনগত প্রতিকার না পাওয়ার যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
নিজের দক্ষতা, বুদ্ধি, শ্রম ও নিজস্ব বা সংগৃহীত স্বল্প সম্পদ কাজে লাগিয়ে জীবিকা নির্বাহের নিজস্ব কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাকে আত্মকর্মসংস্থান বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
কপিরাইট হলো সাহিত্য, শিল্পকর্ম, নাট্যকর্ম, সংগীত, চলচ্চিত্র ইত্যাদি মৌলিক সৃজনশীল সৃষ্টিকর্মের ওপর প্রণেতা বা স্রষ্টার আইনগত একচ্ছত্র অধিকার।
কপিরাইটের মাধ্যমে মূল স্রষ্টার অনুমতি ব্যতীত অন্য কেউ তার সৃষ্টি বা রচনা পুনরুৎপাদন, নকল, প্রকাশ বা বিক্রি করতে পারে না। এটি মেধাসম্পদের আইনি সুরক্ষার একটি মাধ্যম।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
হ্যাঁ, উদ্দীপকে বর্ণিত নাহিমা বেগম একজন উদ্যোক্তা।
যিনি ঝুঁকি গ্রহণ করে নতুন কোনো ধারণা বা পদ্ধতি কাজে লাগিয়ে নতুন ব্যবসায় উদ্যোগ গ্রহণ ও সফলভাবে পরিচালনা করেন, তাকে উদ্যোক্তা বলা হয়। উদ্যোক্তার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো উদ্ভাবনী শক্তি, ঝুঁকি নেওয়ার সাহস এবং শ্রম ও মূলধনের সদ্ব্যবহার।
উদ্দীপকে নাহিমা বেগম আঞ্চলিক কৃষি অফিস থেকে মৌ চাষের প্রশিক্ষণ নেন এবং ৫০,০০০ টাকা নিজস্ব মূলধন বিনিয়োগ করে আধুনিক পদ্ধতিতে মৌ চাষ শুরু করেন। তিনি ঝুঁকি নিয়ে নতুন ধারণাকে কাজে লাগিয়ে 'শেফা মধু' নামে বাজারজাত করে সফল হন এবং প্রচুর মুনাফা অর্জন করেন। তাঁর মধ্যে উদ্যোগ গ্রহণের সকল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকায় তিনি নিঃসন্দেহে একজন সফল উদ্যোক্তা।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ব্যবসায়িক নাম বা পণ্যের প্রতীকের (ট্রেডমার্ক) সরকারি নিবন্ধন না করার কারণে নাহিমা বেগমের আইনগত প্রতিকার না পাওয়া সম্পূর্ণ যৌক্তিক।
কোনো ব্যবসায়ী বা প্রতিষ্ঠানের পণ্যের নাম, প্রতীক বা ব্র্যান্ডকে অন্য প্রতিষ্ঠানের পণ্যের থেকে পৃথক রাখার জন্য ট্রেডমার্ক ব্যবহার করা হয়। ট্রেডমার্ক আইনের আওতায় পণ্য বা ব্যবসায়িক নামটি রেজিস্টার্ড বা নিবন্ধিত হলে তবেই তার ওপর মালিকের আইনগত একচ্ছত্র অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়। অনিবন্ধিত কোনো নাম বা ব্র্যান্ড নকল হলে তার বিরুদ্ধে আইনগত প্রতিকার বা স্বত্বভঙ্গের মামলা করা যায় না।
উদ্দীপকে নাহিমা বেগম 'শেফা মধু' নামটি জনপ্রিয় করলেও তিনি এটি সরকারিভাবে ট্রেডমার্ক হিসেবে নিবন্ধন করাননি। ফলে প্রতিবেশী রহিমা হুবহু তা নকল করে মধু বাজারজাত করলেও আইনগতভাবে নাহিমা বেগমের কোনো একচ্ছত্র মালিকানা সনদ বা প্রমাণ ছিল না। ট্রেডমার্ক নিবন্ধন ব্যতীত আইনি সুরক্ষা দাবি করা যায় না বিধায় আদালতে তাঁর প্রতিকার না পাওয়া যুক্তিযুক্ত ছিল।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও