‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০২৫

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন

কমলের বক্তব্য: রাষ্ট্রে নাগরিকগণ এমন কিছু সুযোগ-সুবিধা পায় যা ছাড়া তাদের ব্যক্তিত্বের বিকাশ সম্ভব নয়। এ ধরনের সুযোগ-সুবিধা রাষ্ট্র নিজেই সংরক্ষণ করে থাকে।লাবিবের বক্তব্য: রাষ্ট্রের সদস্য হিসেবে প্রত্যেক নাগরিককে কিছু দায়-দায়িত্ব পালন করতে হয়। এসব দায়-দায়িত্ব ছাড়া নাগরিকগণ কোনো সুযোগ-সুবিধা দাবি করতে পারে না।

  1. ক)

    তথ্য অধিকার কী?

    (1)
  2. খ)

    ফৌজদারি আইন বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    কমলের বক্তব্যে তোমার পঠিত কোন ধারণা প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    কমল ও লাবিবের বক্তব্যে প্রতিফলিত ধারণা দুটির পারস্পরিক সম্পর্ক বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    তথ্য অধিকার বলতে জনগণের কোনো সরকারি বা বেসরকারি কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সংরক্ষিত যেকোনো তথ্য প্রাপ্তির আইনগত অধিকারকে বোঝায়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যে আইন ব্যক্তির সঙ্গে সমাজের বা রাষ্ট্রের সম্পর্ক নিয়ন্ত্রণ করে এবং শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্টকারী অপরাধের বিচার ও শাস্তির বিধান নির্ধারণ করে, তাকে ফৌজদারি আইন বলে। যেমন—চুরি, ডাকাতি, নরহত্যা ইত্যাদি অপরাধ প্রতিরোধে রাষ্ট্র ফৌজদারি আইন প্রয়োগ করে অপরাধীকে শাস্তি দেয় এবং সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কমলের বক্তব্যে পৌরনীতি ও সুশাসন পাঠ্যবইয়ের 'অধিকার' ধারণাটি প্রতিফলিত হয়েছে।

    অধিকার হলো সমাজ ও রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত এমন কিছু সুযোগ-সুবিধা, যা ব্যতীত নাগরিকের ব্যক্তিত্বের পূর্ণাঙ্গ বিকাশ ও সুন্দর জীবনযাপন সম্ভব নয়। রাষ্ট্র এই অধিকারগুলো সংরক্ষণ ও নিশ্চিত করে থাকে।

    উদ্দীপকে কমলের বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়েছে যে, রাষ্ট্রে নাগরিকগণ এমন কিছু সুযোগ-সুবিধা পায় যা ছাড়া ব্যক্তিত্বের বিকাশ অসম্ভব এবং রাষ্ট্র নিজেই তা সংরক্ষণ করে। এ বক্তব্যটি সরাসরি নাগরিক অধিকারের সংজ্ঞার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। রাষ্ট্র নাগরিকদের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার প্রদানের মাধ্যমে তাদের আত্মবিকাশের পথ সুগম করে। সুতরাং কমলের কথায় অধিকারের স্পষ্ট প্রতিফলন ঘটেছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কমল ও লাবিবের বক্তব্যে যথাক্রমে 'অধিকার' এবং 'কর্তব্য'—এই দুটি ধারণার প্রতিফলন ঘটেছে এবং এ দুটি ধারণা পরস্পর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত ও পরিপূরক।

    অধিকার ও কর্তব্যের সম্পর্ক নিচে বিশ্লেষণ করা হলো:
    ১. একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: অধিকার ও কর্তব্য অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। একটি ছাড়া অপরটির কোনো মূল্য বা অস্তিত্ব থাকে না।
    ২. একজনের অধিকার অন্যের কর্তব্য: সমাজে একজন নাগরিকের অধিকার ভোগ নিশ্চিত করা অন্যের কর্তব্যের ওপর নির্ভর করে। যেমন—কারো বেঁচে থাকার অধিকার তখনই নিশ্চিত হয়, যখন অন্যরা তার জীবনের ক্ষতি না করার কর্তব্য পালন করে।
    ৩. অধিকার ভোগ কর্তব্য পালনের পূর্বশর্ত: রাষ্ট্র প্রদত্ত সুযোগ-সুবিধা বা অধিকার ভোগ করার কারণেই নাগরিকরা রাষ্ট্রের প্রতি অনুগত থাকা, কর প্রদান করা ও আইন মানার মতো কর্তব্য পালন করে। একইভাবে লাবিবের বক্তব্য অনুযায়ী, নাগরিক কর্তব্য পালন না করলে কোনো অধিকার দাবি করতে পারে না।
    ৪. রাষ্ট্রীয় ভারসাম্য রক্ষা: অধিকার নাগরিকদের স্বাধীনতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করে, আর কর্তব্য পালন সমাজে শৃঙ্খলা ও স্থায়িত্ব আনে।

    পরিশেষে বলা যায়, অধিকারহীন কর্তব্য যেমন দাসত্বের শামিল, তেমনি কর্তব্যহীন অধিকার সমাজে বিশৃঙ্খলা তৈরি করে। অতএব, কমল ও লাবিবের ব্যক্তব্যভুক্ত অধিকার ও কর্তব্য একে অপরের পরিপূরক।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন