অর্থনীতি ১ম পত্র • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০১৯
অর্থনীতি ১ম পত্র প্রশ্ন
জনাব নাসের নিজের একক সিদ্ধান্তে স্কুল ব্যাগ তৈরির একটি কারখানা প্রতিষ্ঠা করবেন বলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেন। তিনি আরও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেন যে, প্রতিষ্ঠানে তিনি নিজেই মূলধন সরবরাহ, উপকরণ সংগ্রহ ও বাজারজাতকরণসহ সকল প্রকার দায়িত্ব পালন করবেন। পরবর্তীতে তিনি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে বন্ধু আশিককে কারখানার অংশীদার হিসেবে গ্রহণ করেন ।
- ক)(1)
NGO-এর পূর্ণরূপ লেখো ।
- খ)(2)
‘সংগঠকের দক্ষতার ওপর নির্ভর করে সংগঠনের সাফল্য' ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপক অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে জনাব নাসেরের কারখানার প্রকৃতি নির্ণয়পূর্বক বৈশিষ্ট্যগুলো চিহ্নিত করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপক অনুযায়ী জনাব নাসেরের সিদ্ধান্তের পরিবর্তনে কারখানার প্রকৃতিতে কী কী ধরনের পরিবর্তন আসবে? যথাযথ যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
NGO-এর পূর্ণরূপ হলো Non-Governmental Organization (বেসরকারি সংস্থা)।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উৎপাদনের উপাদানসমূহ—ভূমি, শ্রম ও মূলধনকে একত্রিত করে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা ও সমন্বয় করার দায়িত্ব পালন করেন সংগঠক। যদি সংগঠক দক্ষ ও দূরদর্শী হন, তবে সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে অপচয় হ্রাস করা এবং সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে মুনাফা অর্জন সম্ভব হয়। পক্ষান্তরে, সংগঠকের অদক্ষতা পুরো প্রতিষ্ঠানের বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। তাই সংগঠনের সাফল্য পুরোপুরি সংগঠকের দক্ষতার ওপর নির্ভরশীল।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপক অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে জনাব নাসেরের কারখানাটির প্রকৃতি হলো ‘একমালিকানা কারবার’ (Sole Proprietorship)। তিনি একক সিদ্ধান্তে কারখানা স্থাপন, মূলধন সরবরাহ, উপকরণ সংগ্রহ ও বাজারজাতকরণের সকল দায়িত্ব নিজে পালন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিলেন।
একমালিকানা কারবারের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
১. একক মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ: ব্যবসায়ের মালিক একজনমাত্র ব্যক্তি হন এবং তিনিই প্রতিষ্ঠানের সকল নীতি ও কার্যক্রম এককভাবে নিয়ন্ত্রণ করেন।
২. একক মূলধন ও ঝুঁকি: মালিক নিজে প্রয়োজনীয় সমুদয় মূলধন জোগান দেন এবং ব্যবসায়ের যাবতীয় লাভ নিজে ভোগ করেন ও ক্ষতি বা ঝুঁকির একক দায়ভার বহন করেন।
৩. অসীম দায় ও সহজ গঠন: এ ধরনের ব্যবসায় আইনগত জটিলতা ছাড়াই সহজে গঠন করা যায়, তবে এতে মালিকের দায় অসীম থাকে। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপক অনুযায়ী জনাব নাসের পরবর্তীতে তাঁর সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে বন্ধু আশিককে কারখানার অংশীদার হিসেবে গ্রহণ করায় কারখানাটির প্রকৃতি ‘একমালিকানা কারবার’ থেকে ‘অংশীদারি কারবার’ (Partnership Business)-এ রূপান্তরিত হবে। এর ফলে কারখানার প্রকৃতিতে নিম্নরূপ পরিবর্তনসমূহ পরিলক্ষিত হবে:
১. সদস্যসংখ্যা ও মালিকানা: পূর্বে একক মালিকানা থাকলেও এখন তা দুইজনের যৌথ মালিকানায় রূপান্তরিত হবে। অংশীদারি কারবারের সাধারণ নিয়মে সদস্যসংখ্যা দুই থেকে বিশ জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।
২. মূলধন সরবরাহ ও ঝুঁকি বণ্টন: পূর্বে সমস্ত মূলধন জনাব নাসেরকে একাই দিতে হতো; এখন দুই বন্ধু মিলে মূলধন সরবরাহ করবেন এবং ব্যবসায়িক ঝুঁকি ও লোকসান চুক্তি অনুযায়ী উভয়ের মধ্যে বণ্টিত হবে।
৩. সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও ব্যবস্থাপনা: পূর্বে জনাব নাসের একক সিদ্ধান্তে সব কাজ করতেন। নতুন কাঠামোতে পারস্পরিক আলোচনা ও সম্মতির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও দায়িত্ব বণ্টন করা হবে।
৪. আইনগত ভিত্তি ও চুক্তি: অংশীদারি কারবারের মূল ভিত্তি হলো পারস্পরিক চুক্তি (মৌখিক বা লিখিত)। এর মাধ্যমে কারবারের স্থায়িত্ব ব্যক্তিগত ইচ্ছার চেয়ে অংশীদারি আইনের নিয়মে পরিচালিত হবে।সুতরাং যুক্তিসঙ্গতভাবে বলা যায়, বন্ধুকে অংশীদার করার সিদ্ধান্তের মাধ্যমে কারখানার প্রকৃতিতে মালিকানা, ব্যবস্থাপনা, ঝুঁকি এবং মূলধনের ক্ষেত্রে কাঠামোগত ইতিবাচক পরিবর্তন সূচিত হবে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও