ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০১৯
ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র প্রশ্ন

- ক)(1)
সাধারণ অংশীদারি ব্যবসায় কাকে বলে?
- খ)(2)
অসীম দায় বলতে কী বোঝায়? স্টষ্ট কর।
- গ)(3)
উদ্দীপকে উল্লিখিত ছকটি কেন ব্যবসায়ের গঠনপ্রণালী সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
নিবন্দন কার্যক্রম সম্পাদনের মাধ্যমে উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্যবসায় সংগঠনটি কি আইনগত অধিকার ভোগ করবে? তোমার মতামতের পক্ষে যুক্তি দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যে অংশীদারি ব্যবসায় অংশীদারদের দায় অসীম থাকে এবং তারা প্রত্যেকেই যৌথ ও ব্যক্তিগতভাবে ব্যবসায়ের দেনার জন্য দায়ী থাকে, তাকে সাধারণ অংশীদারি ব্যবসায় বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ব্যবসায়ের কোনো দেনা বা দায় পরিশোধে বিনিয়োগকৃত মূলধনের বাইরেও মালিকদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি দায়ী হওয়াকে অসীম দায় বলে।
অংশীদারি ও একমালিকানা ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে মালিকদের দায় সাধারণত অসীম হয়ে থাকে। ব্যবসায়ের লোকসান বা ঋণ যদি ব্যবসায়ের মোট পরিসম্পদের চেয়ে বেশি হয়, তবে পাওনাদারদের দাবি মেটানোর জন্য মালিকদের নিজস্ব বা ব্যক্তিগত সম্পত্তি বিক্রি করে হলেও দেনা পরিশোধ করতে হয়। অর্থাৎ মূলধনের পরিমাণ দ্বারা মালিকের দায় সীমাবদ্ধ থাকে না।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লিখিত ছকটি 'অংশীদারি ব্যবসায়'-এর গঠনপ্রণালীর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
১৯৩২ সালের অংশীদারি আইন অনুযায়ী অংশীদারি ব্যবসায় গড়ে ওঠে। এ ধরনের ব্যবসায় গঠনের জন্য অন্তত দুজন যোগ্য ব্যক্তির প্রয়োজন হয়, যা ছকে 'সদস্য সংগ্রহ' হিসেবে দেখানো হয়েছে। এরপর সদস্যদের মধ্যে চুক্তিবদ্ধ সম্পর্ক স্থাপিত হয়, যা ছকে আবশ্যকীয় 'সমঝোতা' দ্বারা চিহ্নিত। অংশীদারি ব্যবসায়ের মূল ভিত্তিই হলো চুক্তি।
ছকে আরও দেখা যায় যে, সমঝোতার পর নিবন্ধনকে ডটেড লাইন অর্থাৎ 'ঐচ্ছিক' ধাপ হিসেবে দেখানো হয়েছে। বাংলাদেশে প্রচলিত ১৯৩২ সালের আইন অনুসারে অংশীদারি ব্যবসায়ের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক নয়, বরং ঐচ্ছিক। সমঝোতা বা চুক্তির পর স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করে সরাসরি ব্যবসায় আরম্ভ করা যায়। সুতরাং, ছকের সামগ্রিক প্রক্রিয়াটি অংশীদারি ব্যবসায়ের গঠনপ্রক্রিয়াকেই নির্দেশ করে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
হ্যাঁ, নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পাদনের মাধ্যমে উদ্দীপকে উল্লিখিত অংশীদারি ব্যবসায় সংগঠনটি বিশেষ আইনগত অধিকার ও সুবিধা ভোগ করবে।
১৯৩২ সালের অংশীদারি আইন অনুযায়ী বাংলাদেশে অংশীদারি ব্যবসায়ের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক নয়। তবে অনিবন্ধিত অংশীদারি কারবার আইনগতভাবে নানা প্রতিকূলতা ও সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হয়। পক্ষান্তরে, নিবন্ধিত হলে প্রতিষ্ঠানটি বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট আইনি অধিকার লাভ করে।
প্রথমত, নিবন্ধিত ফার্ম চুক্তিজনিত অধিকার আদায়ের জন্য তৃতীয় পক্ষের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করতে পারে, যা অনিবন্ধিত ফার্ম ১০০ টাকার বেশি দাবির ক্ষেত্রে পারে না। দ্বিতীয়ত, ব্যবসায়ের পাওনা আদায়ের জন্য কোনো অংশীদারের বিরুদ্ধে কিংবা অংশীদাররা নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিরোধ মেটাতে আদালতের আশ্রয় নিতে পারে। এছাড়া কোনো তৃতীয় পক্ষ ফার্মের বিরুদ্ধে মামলা করলে ফার্ম ১০০ টাকার বেশি পাল্টা দাবি (set-off) করতে পারে।
অতএব, নিবন্ধন সম্পন্ন করার মাধ্যমে ব্যবসায়ের আইনগত সত্তা সৃষ্টি না হলেও এটি ফার্ম ও এর অংশীদারদের পারস্পরিক সম্পর্ক রক্ষা এবং তৃতীয় পক্ষের সাথে লেনদেনের ক্ষেত্রে অপরিহার্য আইনগত অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও