যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০২৫

যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন

দৃষ্টান্ত-১ | দৃষ্টান্ত-২
"কোনো মানুষ নয় নিখুঁত। অতএব, সকল মানুষ হয় অ-নিখুঁত।" | "কোনো মানুষ নয় ফেরেস্তা। অতএব কোনো ফেরেস্তা নয় মানুষ।"

  1. ক)

    আবর্তনীয় কী?

    (1)
  2. খ)

    'O' যুস্তিবাক্যের আবর্তন সম্ভব নয় কেন?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে যুক্তি-১ কোন প্রকার অমাধ্যম অনুমানকে নির্দেশ করেছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে যুক্তি-১ ও যুক্তি-২ এর মধ্যে কোন ধরনের পার্থক্য বিদ্যমান। আলোচনা 'করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    আবর্তন প্রক্রিয়ায় যে মূল যুক্তিবাক্যটির রূপান্তর করা হয় অর্থাৎ যার ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত টানা হয়, তাকে আবর্তনীয় (Convertend) বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    'O' যুক্তিবাক্যের আবর্তন সম্ভব নয়, কারণ আবর্তনের একটি মৌলিক নিয়ম হলো আশ্রয়বাক্যে যে পদ ব্যাপ্য নয়, সিদ্ধান্তে সে পদকে ব্যাপ্য করা যায় না। 'O' যুক্তিবাক্য (বিশেষ নঞর্থক) আবর্তন করলে সিদ্ধান্ত হিসেবে নঞর্থক বাক্যই পেতে হবে। কিন্তু নঞর্থক বাক্যের বিধেয় পদ সর্বদা ব্যাপ্য। ফলে 'O' বাক্যের অব্যাপ্য উদ্দেশ্য পদটি সিদ্ধান্তের বিধেয় হয়ে ব্যাপ্য হয়ে যায়, যা নিয়মলঙ্ঘন ঘটায় (অব্যাপ্য বিধেয় দোষ)। এ কারণে 'O' যুক্তিবাক্যের বৈধ আবর্তন সম্ভব নয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে যুক্তি-১ অমাধ্যম অনুমানের 'প্রতিবর্তন' (Obversion) প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করেছে।

    যে অমাধ্যম অবরোহ অনুমানে আশ্রয়বাক্যের অর্থ অপরিবর্তিত রেখে গুণের পরিবর্তন করে উদ্দেশ্যকে সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য রাখা হয় এবং আশ্রয়বাক্যের বিধেয়ের বিরুদ্ধ পদকে সিদ্ধান্তের বিধেয় করা হয়, তাকে প্রতিবর্তন বলে।

    উদ্দীপকের যুক্তি-১-এ আশ্রয়বাক্যটি হলো "কোনো মানুষ নয় নিখুঁত" (E বাক্য)। এর গুণ নঞর্থক থেকে পরিবর্তন করে সদর্থক (A বাক্য) করা হয়েছে এবং বিধেয় 'নিখুঁত'-এর বিরুদ্ধ পদ 'অ-নিখুঁত' গ্রহণ করে সিদ্ধান্ত টানা হয়েছে "সকল মানুষ হয় অ-নিখুঁত"। এখানে প্রতিবর্তনের নিয়ম যথাযথভাবে অনুসৃত হয়েছে। সুতরাং এটি প্রতিবর্তনকে নির্দেশ করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের যুক্তি-১ হলো 'প্রতিবর্তন' এবং যুক্তি-২ হলো 'আবর্তন'। অমাধ্যম অনুমানের এই দুটি প্রক্রিয়ার মধ্যে নিম্নলিখিত পার্থক্য বিদ্যমান:

    ১. ধারণাগত পার্থক্য: যুক্তি-১ (প্রতিবর্তন)-এ গুণের পরিবর্তন ঘটিয়ে বিধেয়ের বিরুদ্ধ পদকে সিদ্ধান্তে নেওয়া হয়। অপরদিকে যুক্তি-২ (আবর্তন)-এ গুণের কোনো পরিবর্তন না করে কেবল উদ্দেশ্য ও বিধেয়ের স্থান বিনিময় করা হয়।

    ২. উদ্দেশ্য ও বিধেয়ের অবস্থান: যুক্তি-১-এ আশ্রয়বাক্যের উদ্দেশ্য সিদ্ধান্তেও উদ্দেশ্য থাকে, কিন্তু বিধেয়টি তার বিরুদ্ধ পদে রূপান্তরিত হয়। অপরদিকে যুক্তি-২-এ আশ্রয়বাক্যের উদ্দেশ্য সিদ্ধান্তে বিধেয় হয় এবং বিধেয়টি সিদ্ধান্তে উদ্দেশ্য হয়।

    ৩. গুণের রূপান্তর: যুক্তি-১-এ আশ্রয়ের গুণ (নঞর্থক) সিদ্ধান্তে পরিবর্তিত হয়ে সদর্থক হয়েছে। কিন্তু যুক্তি-২-এ উভয় বাক্যের গুণ নঞর্থক হিসেবে অপরিবর্তিত রয়েছে।

    ৪. পদের স্বরূপ: যুক্তি-১-এ বিধেয় পদের বিরুদ্ধ পদ ব্যবহৃত হয়, কিন্তু যুক্তি-২-এ পদের রূপ অপরিবর্তিত রেখে কেবল স্থান বদল ঘটে।

    অতএব, যুক্তি-১ হলো রূপান্তরভিত্তিক প্রতিবর্তন এবং যুক্তি-২ হলো অবস্থানবদলভিত্তিক সরল আবর্তন।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন