পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • নাগরিক সমস্যা ও আমাদের করণীয় • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০২৫
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন
রহিম তার শ্রেণিতে একটি সংক্রামক রোগের সাথে পরিচিত হয়েছে যার লক্ষণগুলো হলো- দ্রুত ওজন হ্রাস, বদহজম, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যাওয়া ইত্যাদি। এই রোগের জন্য এখনও কোনো ভ্যাকসিন আবিষ্কৃত হয়নি।
- ক)(1)
দুর্নীতি দমন কমিশন কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
- খ)(2)
প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
ইঙ্গিতকৃত রোগে আক্রান্তদের সাথে আমাদের আচরণ কেমন হওয়া উচিত বর্ণনা করো।
- ঘ)(4)
ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধ কীভাবে এই রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে? বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ২০০৪ সালের ৯ মে প্রতিষ্ঠিত হয় (কার্যক্রম শুরু করে ২১ নভেম্বর ২০০৪)।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলো কোনো প্রাকৃতিক কারণ বা প্রক্রিয়ার ফলে সৃষ্ট এমন একটি আকস্মিক বা চরম ঘটনা, যা পরিবেশের ভারসাম্য বিনষ্ট করে এবং ব্যাপক জানমাল ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি সাধন করে। যেমন—বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, ভূমিকম্প, জলোচ্ছ্বাস ইত্যাদি। এগুলো মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে ঘটে থাকে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে বর্ণিত লক্ষণগুলো (দ্রুত ওজন হ্রাস, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হওয়া ইত্যাদি) এইডস (AIDS) রোগকে নির্দেশ করে।
এইডস রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি আমাদের আচরণ হওয়া উচিত সহানুভূতিশীল, মানবিক ও সহযোগিতাপূর্ণ। এইডস ছোঁয়াচে রোগ নয়; অর্থাৎ স্পর্শ, করমর্দন, কোলাকুলি, একসাথে বসবাস, একই পাত্রে খাওয়া বা সাধারণ পরিচর্যার মাধ্যমে এইচআইভি ছড়ায় না। তাই এইডস রোগীদের পরিবার বা সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন বা অবহেলা করা চরম অন্যায়। তাদের সঙ্গে স্বাভাবিক মানবিক আচরণ করতে হবে, মানসিক সাহস জোগাতে হবে এবং চিকিৎসা ও পথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে সার্বিক সহায়তা প্রদান করতে হবে যাতে তারা স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত রোগটি হলো এইডস (AIDS), যা এইচআইভি ভাইরাসের সংক্রমণে ঘটে। ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধ চর্চা এ রোগ প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
এইডস ছড়ানোর অন্যতম প্রধান কারণ হলো অনিরাপদ ও অনৈতিক যৌন সম্পর্ক এবং শিরায় মাদক গ্রহণ। প্রতিটি ধর্মেই বিবাহবহির্ভূত অবৈধ ও অবাধ যৌন সম্পর্ককে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং সংযমী ও চরিত্রবান জীবনযাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চললে মানুষ অনৈতিক সম্পর্ক থেকে বিরত থাকে, যা এইচআইভি সংক্রমণের প্রধান পথকে রুদ্ধ করে। এছাড়া ধর্মীয় বিধিনিষেধ মাদক গ্রহণ সম্পূর্ণভাবে পরিহার করতে শেখায়। ফলে মাদকসেবীদের মাধ্যমে একই সিরিঞ্জ ব্যবহারের ঝুঁকি কমে যায়। নৈতিক শিক্ষা মানুষের মধ্যে দায়িত্ববোধ, সততা এবং আত্মনিয়ন্ত্রণবোধ জাগ্রত করে। সুতরাং, ধর্মীয় ও নৈতিক অনুশাসন দৃঢ়ভাবে মেনে চলা এইডস প্রতিরোধের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং টেকসই উপায়।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও