সহপাঠ • নাটক: সিরাজউদ্দৌলা • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০২২
সহপাঠ প্রশ্ন
নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর লেখ।
- ক)(1)
‘আমি দওলতের পূজারী।’- উক্তিটি কার?
- খ)(2)
“ওই একটি পথেই আবার আমরা উভয়ে উভয়ের কাছাকাছি আসতে পারি।”- কে, কাকে, কোন প্রসঙ্গে উক্তিটি করেছে?
- গ)(3)
উদ্দীপকের তোরাপ ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? কীভাবে?
- ঘ)(4)
“উদ্দীপক ও ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটক উভয় ক্ষেত্রেই অন্যায়-অনাচারের বিরুদ্ধে বিশ্বস্ত ও দুঃসাহসী যোদ্ধার প্রতিবাদী সংগ্রাম উজ্জ্বল হয়ে ফুটে উঠেছে।”- উক্তিটির যথার্থতা বিচার কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
স্পষ্ট অনুমান: যশোর বোর্ড ২০২২-এর মূল সৃজনশীল প্রশ্নে উদ্দীপকটি দীনবন্ধু মিত্রের 'নীলদর্পণ' নাটকের প্রতিবাদী চরিত্র তোরাপের নীলকরবিরোধী কর্মকাণ্ড ও আনুগত্য বিষয়ক ছিল বলে ধরে নেওয়া হয়েছে। | উদ্দীপকের তোরাপের প্রতিরূপ হিসেবে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রধান বিশ্বস্ত ও প্রতিবাদী সেনাপতি মোহনলালকে সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্র হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে।
‘আমি দওলতের পূজারী।’— উক্তিটি উমিচাঁদের।
- খ)
AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
স্পষ্ট অনুমান: যশোর বোর্ড ২০২২-এর মূল সৃজনশীল প্রশ্নে উদ্দীপকটি দীনবন্ধু মিত্রের 'নীলদর্পণ' নাটকের প্রতিবাদী চরিত্র তোরাপের নীলকরবিরোধী কর্মকাণ্ড ও আনুগত্য বিষয়ক ছিল বলে ধরে নেওয়া হয়েছে। | উদ্দীপকের তোরাপের প্রতিরূপ হিসেবে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রধান বিশ্বস্ত ও প্রতিবাদী সেনাপতি মোহনলালকে সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্র হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে।
উক্তিটি নবাব সিরাজউদ্দৌলা তাঁর বড় খালা ঘসেটি বেগমের উদ্দেশে করেছেন।
মতিঝিল প্রাসাদ থেকে ঘসেটি বেগমকে নবাবের প্রাসাদে নিয়ে আসার সময় নবাব সিরাজউদ্দৌলা পারিবারিক সৌহার্দ্য ও ঐক্যের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে এ কথা বলেন। তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে, ঘসেটি বেগম যদি অতীতের শত্রুতা ও বিদ্বেষ ভুলে গিয়ে সিরাজের ওপর অভিভাবকসুলভ স্নেহ ও ক্ষমার হাত বাড়িয়ে দেন, তবেই কেবল তাঁদের দূরত্ব ঘুচে যাবে এবং উভয়ে আবার পরস্পরের কাছাকাছি আসতে পারবেন।
- গ)
AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
স্পষ্ট অনুমান: যশোর বোর্ড ২০২২-এর মূল সৃজনশীল প্রশ্নে উদ্দীপকটি দীনবন্ধু মিত্রের 'নীলদর্পণ' নাটকের প্রতিবাদী চরিত্র তোরাপের নীলকরবিরোধী কর্মকাণ্ড ও আনুগত্য বিষয়ক ছিল বলে ধরে নেওয়া হয়েছে। | উদ্দীপকের তোরাপের প্রতিরূপ হিসেবে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রধান বিশ্বস্ত ও প্রতিবাদী সেনাপতি মোহনলালকে সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্র হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে।
উদ্দীপকের তোরাপ ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের দেশপ্রেমিক ও বীর সেনাপতি মোহনলাল চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
তোরাপ চরিত্রটি অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে এক নির্ভীক, আপসহীন ও চরম বিশ্বস্ত চরিত্রের প্রতীক। সে মনিবের প্রতি অনুগত থেকে অত্যাচারী নীলকরদের বিরুদ্ধে অসম সাহসিকতায় রুখে দাঁড়িয়েছিল। চরম প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সে তার আনুগত্য ও দ্রোহ থেকে বিচ্যুত হয়নি।
‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকেও দেখা যায়, সেনাপতি মোহনলাল নবাব সিরাজউদ্দৌলার প্রতি আমৃত্যু বিশ্বস্ত ছিলেন। ইংরেজ বণিকদের আগ্রাসন এবং মীরজাফর গংদের চরম বিশ্বাসঘাতকতার মুখেও মোহনলাল ছিলেন অকুতোভয়। পলাশীর প্রান্তরে নিজের জীবন বাজি রেখে তিনি শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত ইংরেজদের বিরুদ্ধে বীর বিক্রমে যুদ্ধ চালিয়ে গেছেন। অন্যায়ের বিরুদ্ধে এই দুঃসাহসী প্রতিবাদ ও প্রভুর প্রতি অবিচল আনুগত্যের কারণেই উদ্দীপকের তোরাপ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মোহনলালের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
- ঘ)
AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
স্পষ্ট অনুমান: যশোর বোর্ড ২০২২-এর মূল সৃজনশীল প্রশ্নে উদ্দীপকটি দীনবন্ধু মিত্রের 'নীলদর্পণ' নাটকের প্রতিবাদী চরিত্র তোরাপের নীলকরবিরোধী কর্মকাণ্ড ও আনুগত্য বিষয়ক ছিল বলে ধরে নেওয়া হয়েছে। | উদ্দীপকের তোরাপের প্রতিরূপ হিসেবে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রধান বিশ্বস্ত ও প্রতিবাদী সেনাপতি মোহনলালকে সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্র হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে।
“উদ্দীপক ও ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটক উভয় ক্ষেত্রেই অন্যায়-অনাচারের বিরুদ্ধে বিশ্বস্ত ও দুঃসাহসী যোদ্ধার প্রতিবাদী সংগ্রাম উজ্জ্বল হয়ে ফুটে উঠেছে।”— মন্তব্যটি সর্বাংশে যথার্থ।
উদ্দীপকের তোরাপ অত্যাচারী ইংরেজ নীলকরদের শোষণ-পীড়নের বিরুদ্ধে নির্ভীক চিত্তে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। সে ছিল তার আদর্শ ও মনিবের প্রতি পরম বিশ্বস্ত এবং অন্যায়ের মুখে আপসহীন এক দুঃসাহসী প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর।
অনুরূপভাবে, ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকে দেখা যায় ইংরেজদের আগ্রাসন ও কুচক্রী দেশীয় দোসরদের চক্রান্তের বিরুদ্ধে নবাবের বিশ্বস্ত সেনাপতি মোহনলাল ও মীর মদন অসীম সাহসিকতায় রুখে দাঁড়িয়েছিলেন। বিশেষ করে মোহনলাল পলাশীর যুদ্ধে বিশ্বাসঘাতক মীরজাফরের কপটতা বুঝতে পেরে নবাবকে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ় পরামর্শ দেন এবং প্রাণপণ লড়াই চালিয়ে ইংরেজ বাহিনীকে বিপর্যস্ত করে তোলেন। নিজের জীবন বিপন্ন জেনেও তিনি ন্যায়ের পক্ষে এবং দেশের স্বাধীনতার সুরক্ষায় আপসহীন লড়াই করেছেন।
অতএব, দেখা যায় যে উদ্দীপকের তোরাপ এবং ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের দেশপ্রেমিক সেনাপতি উভয়েই অন্যায়ের কাছে মাথা নত না করে দুঃসাহসিক সংগ্রাম ও বিশ্বস্ততার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তাই প্রশ্নোক্ত বক্তব্যটি যথার্থ।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও