যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০২২
যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন
সর্বোত্তম অনুমানভিত্তিক উত্তর — আনুষ্ঠানিক উত্তর নয়: মূল তথ্য বা উত্তরে অস্পষ্টতা/অসম্পূর্ণতা রয়েছে। প্রদত্ত উত্তরটি নিশ্চিত নয়; যাচাই করে ব্যবহার করো।

- ক)(1)
পরতম জাতি কী?
- খ)(2)
‘জাতি ও উপজাতি সাপেক্ষ পদ'- ব্যাখ্যা করো ।
- গ)(3)
দৃশ্যকল্প-১ এ A দ্বারা বিধেয়কের কোন প্রকারটিকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
দৃশ্যকল্প-১ এ A দ্বারা বিধেয়কের কোন প্রকারটিকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
স্পষ্ট অনুমান: উদ্দীপকের চিত্রটি বরিশাল বোর্ড ২০২২-এর যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্রের ৩য় অধ্যায়ের প্রশ্ন থেকে গৃহীত। | প্রশ্নপত্রে 'গ' ও 'ঘ'-এর টেক্সট প্রতিলিপিকরণ ত্রুটির কারণে হুবহু একই এবং অপ্রাসঙ্গিক ('A দ্বারা...') হয়ে পড়েছে; তাই দৃষ্টান্ত-১ ও দৃষ্টান্ত-২ এর ভিত্তিতে প্রশ্ন দুটির প্রমাণিক রূপ পুনর্গঠন করে উত্তর সমাধান করা হয়েছে।
যে জাতির ওপরে আর কোনো উচ্চতর জাতি কল্পনা করা যায় না, তাকে পরতম জাতি (Summum Genus) বলে (যেমন: 'দ্রব্য')।
- খ)
AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
স্পষ্ট অনুমান: উদ্দীপকের চিত্রটি বরিশাল বোর্ড ২০২২-এর যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্রের ৩য় অধ্যায়ের প্রশ্ন থেকে গৃহীত। | প্রশ্নপত্রে 'গ' ও 'ঘ'-এর টেক্সট প্রতিলিপিকরণ ত্রুটির কারণে হুবহু একই এবং অপ্রাসঙ্গিক ('A দ্বারা...') হয়ে পড়েছে; তাই দৃষ্টান্ত-১ ও দৃষ্টান্ত-২ এর ভিত্তিতে প্রশ্ন দুটির প্রমাণিক রূপ পুনর্গঠন করে উত্তর সমাধান করা হয়েছে।
জাতি ও উপজাতি পরস্পর সাপেক্ষ পদ; এদের কোনোটিকেই নিরপেক্ষভাবে বা পরম অর্থে জাতি বা উপজাতি বলা যায় না। একটি শ্রেণির সাথে অপর শ্রেণির পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তিতেই এদের নির্ধারণ করা হয়। তুলনামূলকভাবে যে শ্রেণির ব্যক্ত্যর্থ বেশি তা হলো 'জাতি' এবং যার ব্যক্ত্যর্থ কম তা হলো 'উপজাতি'। যেমন— 'প্রাণী' শ্রেণির সাপেক্ষে 'মানুষ' হলো উপজাতি; কিন্তু আবার 'সৎ মানুষ' শ্রেণির সাপেক্ষে 'মানুষ' হলো জাতি। এভাবে একটি পদ অন্য পদের সাপেক্ষেই কেবল জাতি বা উপজাতি হতে পারে।
- গ)
AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
স্পষ্ট অনুমান: উদ্দীপকের চিত্রটি বরিশাল বোর্ড ২০২২-এর যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্রের ৩য় অধ্যায়ের প্রশ্ন থেকে গৃহীত। | প্রশ্নপত্রে 'গ' ও 'ঘ'-এর টেক্সট প্রতিলিপিকরণ ত্রুটির কারণে হুবহু একই এবং অপ্রাসঙ্গিক ('A দ্বারা...') হয়ে পড়েছে; তাই দৃষ্টান্ত-১ ও দৃষ্টান্ত-২ এর ভিত্তিতে প্রশ্ন দুটির প্রমাণিক রূপ পুনর্গঠন করে উত্তর সমাধান করা হয়েছে।
উদ্দীপকের দৃষ্টান্ত-১ এ বিধেয়কের 'বিভেদক লক্ষণ' (বা লক্ষণ) এবং 'উপলক্ষণ' নির্দেশিত হয়েছে।
যুক্তিবিদ্যায় যে গুণ বা গুণাবলি কোনো শ্রেণিকে তার সমজাতীয় অন্যান্য উপজাতি থেকে পৃথক করে, তাকে বিভেদক লক্ষণ (Differentia) বলে। অন্যদিকে, যা কোনো পদের আসন্নতম লক্ষণ বা আসন্নাতি থেকে নিঃসৃত হয় কিন্তু মূল জাত্যর্থের অংশ নয়, তাকে উপলক্ষণ (Proprium) বলে।
উদ্দীপকের দৃষ্টান্ত-১ এ 'মানুষ' পদের দুটি দিক দেখানো হয়েছে। প্রথম অংশে উল্লেখিত 'বুদ্ধিবৃত্তি' হলো মানুষের বিভেদক লক্ষণ, কারণ এই গুণের কারণেই মানুষ জীবজাতির অন্তর্ভুক্ত অন্যান্য উপজাতি (যেমন: শিম্পাঞ্জী, হরিণ ইত্যাদি) থেকে পৃথক হয়। দ্বিতীয় অংশে উল্লেখিত 'ক্ষুধা, তৃষ্ণা, বৃদ্ধি' মানুষের অপর আবশ্যিক গুণ 'জীববৃত্তি' (প্রাণিত্ব) থেকে নিঃসৃত হয়েছে, যা মানুষ পদের জাত্যর্থের অংশ না হলেও জীববৃত্তি থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃত। সুতরাং, এটি 'জাতিগত উপলক্ষণ'। অতএব, দৃষ্টান্ত-১ মূলত বিধেয়কের বিভেদক লক্ষণ ও উপলক্ষণকে নির্দেশ করে।
- ঘ)
AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
স্পষ্ট অনুমান: উদ্দীপকের চিত্রটি বরিশাল বোর্ড ২০২২-এর যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্রের ৩য় অধ্যায়ের প্রশ্ন থেকে গৃহীত। | প্রশ্নপত্রে 'গ' ও 'ঘ'-এর টেক্সট প্রতিলিপিকরণ ত্রুটির কারণে হুবহু একই এবং অপ্রাসঙ্গিক ('A দ্বারা...') হয়ে পড়েছে; তাই দৃষ্টান্ত-১ ও দৃষ্টান্ত-২ এর ভিত্তিতে প্রশ্ন দুটির প্রমাণিক রূপ পুনর্গঠন করে উত্তর সমাধান করা হয়েছে।
উদ্দীপকের দৃষ্টান্ত-১ ও দৃষ্টান্ত-২ এ বিধেয়কের ভিন্ন ভিন্ন রূপ প্রতিফলিত হয়েছে—দৃষ্টান্ত-১ এ প্রতিফলিত হয়েছে গুণগত সম্পর্ক (বিভেদক লক্ষণ ও উপলক্ষণ) এবং দৃষ্টান্ত-২ এ প্রতিফলিত হয়েছে শ্রেণিগত সম্পর্ক (জাতি ও উপজাতি)।
অ্যারিস্টটলের ব্যাখ্যাকার পোরফিরির মতে বিধেয়ক পাঁচ প্রকার: জাতি, উপজাতি, লক্ষণ (বিভেদক লক্ষণ), উপলক্ষণ ও অবান্তর লক্ষণ।
উদ্দীপকের দৃষ্টান্ত-১ এ 'মানুষ' শ্রেণির গুণগত বিশ্লেষণ দেখানো হয়েছে। এতে 'বুদ্ধিবৃত্তি' হলো মানুষের নিজস্ব জাত্যর্থের অবিচ্ছেদ্য অংশ বা বিভেদক লক্ষণ, যা মানুষকে সমজাতীয় অন্যান্য প্রাণী থেকে স্বাতন্ত্র্য দেয়। পাশাপাশি 'ক্ষুধা, তৃষ্ণা, বৃদ্ধি' গুণাবলি হলো জীববৃত্তি থেকে নিঃসৃত সাধারণ রূপ, অর্থাৎ জাতিগত উপলক্ষণ।
অপরদিকে, দৃষ্টান্ত-২ এ ব্যক্ত্যর্থের বা শ্রেণিগত সম্পর্কের ভিত্তিতে 'জীব' শ্রেণির সাথে 'মানুষ', 'শিম্পাঞ্জী' ও 'হরিণ'-এর সম্পর্ক দেখানো হয়েছে। এখানে তুলনামূলকভাবে ব্যাপকতর শ্রেণি 'জীব' হলো 'জাতি' (Genus), এবং তার অধীনে অবস্থিত সীমিত ব্যক্ত্যর্থবিশিষ্ট শ্রেণিগুলো ('মানুষ', 'শিম্পাঞ্জী', 'হরিণ') হলো 'উপজাতি' (Species)।
অতএব, দৃষ্টান্ত-১ এ বিধেয়কের লক্ষণভিত্তিক/গুণগত প্রকারসমূহ (বিভেদক লক্ষণ ও উপলক্ষণ) প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে উদ্দেশ্য ও বিধেয়কের সম্পর্ক গুণের ভিত্তিতে নির্ধারিত। আর দৃষ্টান্ত-২ এ পরিমাণগত বা শ্রেণিগত সম্পর্ক (জাতি ও উপজাতি) প্রকাশিত হয়েছে। সুতরাং দৃষ্টান্ত-১ ও দৃষ্টান্ত-২ বিধেয়কের ভিন্ন ভিন্ন রূপের সার্থক প্রকাশ।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও