‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০১৯

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

জনাব খায়রুল ইসলাম সম্প্রতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক একটি সাংবিধানিক পদে নিয়োগ পেয়েছেন। তিনি সরকারের আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেন। সরকার প্রদত্ত সকল সুযোগ-সুবিধা ভোগ। করার পাশাপাশি তিনি সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারকের মতো মর্যাদা ভোগ করেন। তাঁর বাল্যবন্ধু জনাব ইমতিয়াজ সরকারি কর্মে লোক নিয়োগের জন্য যোগ্যতাসম্পন্ন, মেধাবী ও দক্ষ লোক বাছাইয়ের দায়িত্ব পালন করে থাকেন। এক্ষেত্রে তিনি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতা ও গোপনীয়তা বজায় রাখেন।

  1. ক)

    জাতীয় সংসদের আসন সংখ্যা কত?

    (1)
  2. খ)

    ভাষা আন্দোলন বলতে কী বুঝ?

    (2)
  3. গ)

    জনাব খায়রুল ইসলাম কোন পদে নিয়োগ পেয়েছেন? তার কার্যাবলি ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    জনাব ইমতিয়াজের কার্যক্রম দক্ষ প্রশাসন গঠনে সহায়ক- তুমি কি একমত?

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি (৩০০টি সাধারণ আসন এবং ৫০টি সংরক্ষিত মহিলা আসন)।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ভাষা আন্দোলন হলো ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের মুখের ভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার দাবিতে তৎকালীন পূর্ব বাংলায় (বর্তমান বাংলাদেশ) পরিচালিত একটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক গণআন্দোলন। ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি এই দাবিতে ছাত্র-জনতা বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করে। এটি বাঙালি জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তি রচনা করেছিল।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে জনাব খায়রুল ইসলাম সরকারের আইন কর্মকর্তা হিসেবে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সাংবিধানিক পদে নিয়োগ পেয়েছেন এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারকের সমমর্যাদা ভোগ করেন; সুতরাং তিনি বাংলাদেশের 'অ্যাটর্নি জেনারেল' (Attorney General) পদে নিয়োগ পেয়েছেন।

    অ্যাটর্নি জেনারেলের প্রধান কার্যাবলি নিম্নরূপ:
    ১. আইনি পরামর্শ প্রদান: তিনি সংবিধান ও প্রচলিত আইন সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে সরকারকে আইনি মতামত ও পরামর্শ দেন।
    ২. আদালতে সরকারের প্রতিনিধিত্ব: তিনি সুপ্রিম কোর্টে (আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ) রাষ্ট্র বা সরকারের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন।
    ৩. রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন: রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রেরিত যেকোনো আইনগত দায়িত্ব তিনি পালন করেন।
    ৪. সংবিধান ও আইনের ব্যাখ্যা: কোনো জাতীয় বা সাংবিধানিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আইনি ব্যাখ্যা ও সহায়তা প্রদান করেন।
    ৫. সংসদে বক্তব্য রাখা: তিনি জাতীয় সংসদে উপস্থিত থাকার এবং বক্তব্য দেওয়ার অধিকার রাখেন (যদিও ভোটদানের অধিকার নেই)।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    হ্যাঁ, আমি একমত যে জনাব ইমতিয়াজের কার্যক্রম দক্ষ প্রশাসন গঠনে অত্যন্ত সহায়ক।

    উদ্দীপকের জনাব ইমতিয়াজ সরকারি কর্মে লোক নিয়োগের জন্য যোগ্যতাসম্পন্ন, মেধাবী ও দক্ষ লোক বাছাই করেন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতা ও গোপনীয়তার সাথে। এই বর্ণনাটি ইঙ্গিত করে যে তিনি 'বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন' (Bangladesh Public Service Commission - BPSC)-এর চেয়ারম্যান বা সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

    একটি রাষ্ট্রের উন্নয়ন ও সুশাসন নির্ভর করে তার দক্ষ ও জনকল্যাণমুখী আমলাতন্ত্র বা প্রশাসনিক ব্যবস্থার ওপর। জনাব ইমতিয়াজের কার্যক্রম নিম্নলিখিত কারণে দক্ষ প্রশাসন গঠনে ভূমিকা রাখে:
    ১. মেধাভিত্তিক নিয়োগ: নিরপেক্ষ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে কেবল যোগ্য ও মেধাবী প্রার্থীদের নির্বাচন করা হলে প্রশাসনে গুণগত মান নিশ্চিত হয়।
    ২. স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতি রোধ: সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতা ও গোপনীয়তা বজায় রেখে বাছাই সম্পন্ন করায় দুর্নীতি ও অযোগ্যদের অনুপ্রবেশ বন্ধ হয়।
    ৩. উপযুক্ত পদে উপযুক্ত ব্যক্তি: সঠিক যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে দক্ষ ব্যক্তিরা পদায়িত হলে প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতিশীলতা ও উদ্ভাবন আসে।
    ৪. নীতি ও আইন প্রয়োগে নিরপেক্ষতা: মেধার ভিত্তিতে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা রাজনৈতিক বা গোষ্ঠীগত চাপমুক্ত হয়ে পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করতে পারেন।

    অতএব, জনাব ইমতিয়াজের মতো নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল ভূমিকা একটি সৎ, দক্ষ, যোগ্য এবং আধুনিক সিভিল সার্ভিস গড়ে তোলার মাধ্যমে দক্ষ প্রশাসন প্রতিষ্ঠায় অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন